বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গুচ্ছ পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে যা বললেন ভর্তি কমিটির সচিব

ভর্তি পরীক্ষা
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা  © ফাইল ছবি

দেশের ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ সেশনের এবার প্রথমবারের মতো গুচ্ছ ভিত্তিতে ভর্তি পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমন্বিত ভর্তি কমিটির ষষ্ঠ সভায় (জরুরি) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রাথমিক আবেদনে সরকার ঘোষিত লকডাউন শেষ হওয়ার পরবর্তী ১০ দিন পর্যন্ত চলবে। এরপর করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পেছাতে পারে বলে জানিয়েছেন ভর্তি কমিটির সচিব ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ওহিদুজ্জামান। শনিবার (১৫ মে) তিনি তথ্য জানান। এদিকে লকডাউন বিধিনিষেধ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করায় গুচ্ছ ভিত্তিতে ভর্তি পরীক্ষা পেছানোর সম্ভাবনা আরও প্রবল হচ্ছে।

ওহিদুজ্জামান বলেন, সরকারি স্বাস্থ্যবিধি ও শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের নিরাপত্তা বিবেচনা করে পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করে পেছানোর সিদ্ধান্ত পরবর্তী ভর্তি কমিটির সভায় নেওয়া হতে পারে। চলমান করোনা সংক্রমণের মধ্যে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয়।

ভর্তি কমিটির সচিব বলেন, শিক্ষার্থীদের তাদের পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে ভালো করে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে। যেহেতু শিক্ষার্থীরা পছন্দের ক্যাম্পাসে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেন, তাই তাদের তারিখ দেখে বসে থাকা ঠিক হবে না। বাড়তি সময়কে কাজে লাগিয়ে প্রস্তুতি আরও বেশি নিতে হবে।

গুচ্ছ পদ্ধতির বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।


মন্তব্য

এ বিভাগের আরো সংবাদ