ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

স্বৈরাচার বিরোধীদলের আঁতাতের অভিযোগ থাকলেও কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না

২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৬ PM
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান ও ইনসেটে লোগো

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান ও ইনসেটে লোগো © টিডিসি সম্পাদিত

স্বৈরাচার বিরোধীদলের আঁতাতের অভিযোগ থাকলেও কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। 

বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন তিনি। 

দলটির কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলের প্রধান সমন্বয়ক কে এম শরীয়াতুল্লাহ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দলের আঁতাতের যে অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান করেছেন তা উদ্বেগজনক বলে জানান সংগঠনটির মহাসচিব। 

মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান জানান, দেশের প্রধান নির্বাহী প্রধানমন্ত্রী গতকাল রাজশাহীতে এক জনসভায় পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দলের আঁতাতের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়েছেন তা জনমনে উদ্বেগ তৈরি করার জন্য যথেষ্ট। জনসভায় হাজারো মানুষের সামনে দেশের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘এই ব্যাপারে আমি পরিষ্কার করে এই হাজারো মানুষের সামনে একটি কথা বলতে চাই, পরিষ্কার গোয়েন্দাদের তথ্য আছে যে, যে স্বৈরাচার পালিয়ে গিয়েছে তারা সেখানে অর্থ সরবরাহ করছে। একটি দল আছে যারা ভ্রান্তি ছড়ায় দেশের মধ্যে, যারা বিভিন্ন টিকিট বিক্রি করার চেষ্টা করেছিল নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে মিথ্যা কথা বলে এই দুই পক্ষ এক হয়েছে। একজন পয়সা দিচ্ছে সীমান্তের ওপার থেকে, আরেকজন এখানে বসে অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য খুবই স্পষ্ট। রাষ্ট্রের কাছে এই ধরণের তথ্য থাকার পরে কেবল জনসভায় বক্তব্য দেয়া বা জনসাধারণকে সতর্ক থাকার আহবান জানালেই দায়িত্ব শেষ হয় না। বরং এদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হয়। কারণ জাতি আর কোনভাবেই পতিত স্বৈরাচারের প্রত্যাবর্তন দেখতে চায় না।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব বলেন, ‘স্বৈরাচার বিরোধী রাজনৈতিক দল হিসেবে এবং সচেতন নাগরিক হিসেবে আমরা জানতে চাই যে, প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য থাকার পরে কি কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে? কেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয় নাই?’ 

তিনি বলেন, ‘পতিত স্বৈরাচার দেশে ফিরতে চাইবে এটা অনুমান করা যায়। তাদের প্রত্যাবর্তন প্রতিরোধ করতে দুইটা কাজ জরুরী ছিল। স্বৈরতন্ত্রের সাথে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা এবং স্বৈরতন্ত্র রোধে প্রাতিষ্ঠাতিক ও সাংবিধানিক প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা। কিন্তু এই সরকার তার কোনটাই করে নাই। উপরন্তু স্বৈরাচারের সাথে আঁতাত করে দেশে বিশৃংখলা তৈরির সংবাদেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। এটা জাতিকে উদ্বিগ্ন করে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে তাদের থেকেও কোন প্রতিবাদ আসে নাই। এটাও প্রশ্ন তৈরি করছে। তাদের উচিৎ নিজেদের অবস্থান পরিস্কার করা।’

চুয়াডাঙ্গায় সারের ৪৫ ডিলারের মধ্যে ৪২ জনই দলীয় লোক—অভিযোগ দ…
  • ২১ অক্টোবর ২০২৬
পড়ানোর পর নিজেকে প্রশ্ন করুন—কতজন বুঝল, যারা বুঝল না, তাদে…
  • ২১ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারে গোসলে নেমে তিন পর্যটকের মৃত্যু, ভেসে গেলেন আরও দ…
  • ২১ অক্টোবর ২০২৬
নাবিল গ্রুপ নিয়োগ দেবে করপোরেট সেলস বিভাগে, আবেদন ৩ নভেম্বর…
  • ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য
  • ২১ অক্টোবর ২০২৬
ময়মনসিংহে প্রাইভেটকার-সিএনজির সংঘর্ষে প্রাণ গেল যাত্রীর
  • ২১ অক্টোবর ২০২৬