ইশরাক হোসেন © সংগৃহীত
সদ্য পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর একজন নেতার মুখ থেকে একটা উক্তি শুনে আমি ব্যথিত হয়েছি। রাজনৈতিক দল থেকে ষড়যন্ত্রের শিকার হইনি।’
আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমি আমার রাজনৈতিক দল থেকে কোনো ষড়যন্ত্রের শিকার হইনি। তবে আমি প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামের একজন নেতার মুখ থেকে একটা উক্তি শুনে আমি ব্যথিত হয়েছি। উনি বলেছেন আমি সন্ত্রাস করছি, অস্ত্র উচিয়ে ধরেছি। এটা আমি আর কিভাবে ব্যাখ্যা দিব যে দিনে দুপুরে আমি কি কাজে গিয়েছি, এখানে থানা পুলিশ ছিল, এত শত শত মানুষ ছিল। এখানে ৩০০ গ্রাম হেরোইন, কয়েক বোতল মদ, আরো অন্যান্য অনেক কিছু অবৈধ জিনিসপত্র উদ্ধার হয়েছে। আমি তো জীবন বাজি রেখে গিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, অনেকে অনেক কথা বলে আমাকে। যদিও আমি কেয়ার করি না। কারণ ছাদের উপর থেকে গুলি করলে কার মাথায় পড়বে আমি জানি না। তারপরেও যখন ওনারদের মুখ থেকে সহযোগিতার আশ্বাসের বদলে এই ধরনের এলিগেশন শুনি, তখন আমার কাছে মনে হয় যে আসলে আর তাকাবোই না ওদিকে।
ইশরাক বলেন, ‘আমি সাধারণ মানুষের চাহিদা দেখেছি। ওইদিন সাধারণ মানুষ, এলাকাবাসী তারা হাততালি দিয়ে রীতিমত উল্লাস করেছে। অনেকদিন পর আমরা সাহস পেয়েছি। তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী আমি কাজ করে যাব।’
প্রসঙ্গত, গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় পিস্তল উঁচিয়ে ধরার ঘটনায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। গতকাল রবিবার (১৮ অক্টোবর) দেওয়া এক বিবৃতিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের অভিযোগ করেন, ইশরাকের এ কর্মকাণ্ড জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এবং তিনি আইন নিজের হাতে তুলে নিয়েছেন। এ ঘটনার প্রতিকার চাওয়ার পাশাপাশি আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করে জনবান্ধব পদ্ধতিতে মাদক ও অন্যান্য অপরাধ দমনে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি।