লক্ষ্মীপুরে মা-বোনসহ পরিবারের সবাইকে হারানো সিফাতের দায়িত্ব নিলো জামায়াত

৩০ জুন ২০২৬, ০৯:৩৬ PM , আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬, ০৯:৪০ PM
লক্ষ্মীপুরে মা ও তিন বোনকে হারানো সেই সিফাতের দায়িত্ব নিলো জামায়াত

লক্ষ্মীপুরে মা ও তিন বোনকে হারানো সেই সিফাতের দায়িত্ব নিলো জামায়াত © টিডিসি ফটো

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আলোচিত মা ও তিন মেয়ের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর পরিবারের একমাত্র সদস্য জুনায়েদ ইসলাম সিফাতের পাশে দাঁড়িয়েছে জামায়াতে ইসলামী। সংগঠনটির জেলা শাখার পক্ষ থেকে সিফাতের দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকার নগদ আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে রায়পুর পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের গোডাউন রোড এলাকার নিহত পরিবারের বাসায় গিয়ে জেলা জামায়াতের আমীর মাস্টার রুহুল আমীন ভূঁইয়া সিফাতের সঙ্গে কথা বলেন এবং তার সার্বিক খোঁজখবর নেন। পরে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন জামায়াতের নেতারা।

জেলা জামায়াতের আমীর মাস্টার রুহুল আমীন ভুঁইয়া বলেন, পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য সিফাতের দায়িত্ব জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে নেওয়া হবে। তার লেখাপড়াসহ প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক ব্যয়ের দায়িত্বও আমরা গ্রহণ করব। এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আমরা সিফাতের সঙ্গে কথা বলেছি। সে জানিয়েছে, সে রায়পুরেই থাকতে চায়। যদিও তাদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার হোমনা উপজেলায়, তবে তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা রায়পুরে। সে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চায়। আমরাও চাই সে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করে একজন প্রতিষ্ঠিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠুক।

হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেন দ্রুত এ হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন করে। এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি আমরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য প্রফেসর মনির আহমেদ, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আব্দুল আউয়াল রাছেল, পৌর জামায়াতের আমীর হাফেজ ফজুল করিম, নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট কামাল উদ্দিন, সেক্রেটারি আশরাফুল ইসলাম রাকিব, পৌর ৩ নং ওয়ার্ড জামায়াতের আমীর মামুনসহ উপজেলা ও পৌর জামায়াতের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে রায়পুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গোডাউন রোড এলাকার একটি বাসায় জুনায়েদ ইসলাম সিফাতের মা শাহীনুর বেগম (৩৮), তার বড় বোন সায়মা আক্তার (২১), মেজো বোন ইকরা আক্তার (১৭) ও ছোট বোন সিফা আক্তারকে (৯) নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পালিয়ে যাওয়ার সময় সন্দেহভাজন ঘাতক অন্তর মজুমদার স্থানীয়দের গণপিটুনিতে নিহত হন।

নিহত পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য জুনায়েদ ইসলাম সিফাত শুরু থেকেই এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ থাকলে তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে আসছেন। ২০১৯ সালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বাবাকে হারানোর পর ২০২৬ সালে মা ও তিন বোনকে হারিয়ে সিফাত এখন নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।

রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের হামলা, ১১৮ সাবেক ক্যাম্পাস…
  • ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রাণ গ্রুপে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদন অভিজ্ঞতা ছাড়াই
  • ০৫ অক্টোবর ২০২৬
কত জেলায় ঘুরেছেন, ভাইরাল ম্যাপ বানাবেন যেভাবে 
  • ০৫ অক্টোবর ২০২৬
শান্তকে নিয়ে সুখবর
  • ০৫ অক্টোবর ২০২৬
শিক্ষকদের উন্নয়নে সরকারের ‘একগুচ্ছ’ পরিকল্পনা
  • ০৫ অক্টোবর ২০২৬
‘রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় কাউকে চেনা যায়নি’, অজ্…
  • ০৫ অক্টোবর ২০২৬