রাত থেকে পরের ধাপের লকডাউন, শিথিল হতে পারে শর্ত

লকডাউন
আজ রাত থেকে পরের ধাপের লকডাউন শুরু হচ্ছে  © ফাইল ফটো

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলছে লকডাউন। সে অনুযায়ী, দ্বিতীয় দফার লকডাউন শেষ হচ্ছে আজ বুধবার (২০ এপ্রিল) মধ্যরাকে। এরইমধ্যে লকডাউনের মেয়াদ আরও সাত দিন বাড়িয়েছে সরকার। ইতিমধ্যে প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এতে বলা হয়েছে, আগামী ২৮ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত চলমান বিধিনিষেধ বর্ধিত করা হয়েছে।

এদিকে, লকডাউনের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট খোলা রাখার দাবি জানিয়ে আসছেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। তারা এক আবেদনে বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন। সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘সোমবার থেকে যেন দোকান ও বিপণিবিতান খুলে দেওয়া হয়, সেজন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছি।’ প্রধানমন্ত্রী দাবি মেনে নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এ ছাড়া চলমান পরিস্থিতিতে বিপাকে রয়েছেন মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষ। ফলে বিধিনিষেধের কিছু শর্ত শিথিল হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। দোকানপাট ও শপিংমল খোলার চিন্তাও করছে সরকার। গণপরিবহন বন্ধের শর্তও শিথিল করা হতে পারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত সোমবার এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বসেন কয়েকজন সচিবসহ সংশ্লিষ্টরা। সভায় শর্ত শিথিলের বিষয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘মানুষের জীবিকা নির্বাহের সুযোগ রাখতে কয়েকজন সচিব মত দিয়েছেন। তার আলোকে দোকানপাট ও শপিংমল খুলে দেওয়া এবং গণপরিবহন  সীমিত পরিসরে চলাচলের অনুমতি পেতে পারে।’

আরেকজন কর্মকর্তা জানান, ‘আগামী সপ্তাহের শুরুতে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা হতে পারে। তবে সবকিছুই প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্ভর করছে। তিনি অনুমতি দিলেই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হবে।’ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এরইমধ্যে মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে।

এর আগে গত সোমবার (১৯ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে ঈদের আগে লকডাউন শিথিলের চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। ঈদের সময় মানুষের যাতায়াতের জন্য লকডাউন শিথিল হতে পারে।


মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ