বগুড়ায় কৃষি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী © সংগৃহীত
বগুড়াকে শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তোলা ইচ্ছা বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী চান— বগুড়া শিক্ষানগরী হোক। এটি হোক বাংলাদেশের শিক্ষা ( এডুকেশনাল) হাব। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীও প্রতিনিয়ত এই বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। নিয়মিত মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলী উচ্চ বিদ্যালয়ে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত আমরা উত্তরবঙ্গে আমরা বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান ঠিকমত হয় কিনা তা দেখার দায়িত্ব আপনাদের। এগুলোকে এখন আরও শক্তিশালী করতে হবে। ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাস স্থাপন, প্রতিটি উপজেলায় মাল্টিপারপাস পরীক্ষা কেন্দ্র নির্মাণ—এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে শিক্ষা খাতে বিপ্লব ঘটবে।
তিনি বলেন, এখানে সাইন্স এন্ড টেকনোলোজি ইউনিভার্সিটি হওয়ার কথা থাকলেও সেটি বন্ধ হয়ে গেছে; কারণ এটি। আমরা এসেই এখানে ইউনিভার্সিটি খোলার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এটাই হবে বাংলাদেশের শিক্ষা হাব।
জিয়াউর রহমানের অবদান উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, মঞ্চে বসে আমি ভাবছিলাম—কতটা সুদূরপ্রসারী চিন্তা থাকলে একজন নেতা তিস্তা ব্যারেজের মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারেন! শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রায় ৪৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ক্যানেল নির্মাণ করেছিলেন, যেখানে আধুনিক প্রকৌশল ব্যবস্থায় পানি উপরে-নিচে প্রবাহিত হতে পারে। তিনি চেয়েছিলেন এই অঞ্চলকে শস্যসমৃদ্ধ, স্বনির্ভর এক জনপদে পরিণত করতে।
শিক্ষামন্ত্রীর ভাষ্য, জিয়াউর রহমানের মত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমান শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি- এই তিনটি খাতকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন। জিয়া ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো, কৃষিতে নতুন ধারণা আনা, এমনকি বন্যার মধ্যেও ভাসমান চাষাবাদের মতো উদ্ভাবনী চিন্তা তুলে ধরা—এসবই ছিল তাঁদের দূরদর্শী নেতৃত্বের অংশ।
আজ আমরা সেই ধারাবাহিকতার মধ্যেই এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের নেতা কৃষকদের মর্যাদা দিয়েছেন, তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন, তাদের কথা শুনেছেন। কারণ, এই দেশ কৃষকের—এই দেশ সাধারণ মানুষের।