পথশিশুর ৯৫ শতাংশই শ্রমে

১১ এপ্রিল ২০২৩, ০৮:৩৩ AM , আপডেট: ২১ আগস্ট ২০২৫, ১০:৫১ AM
পথশিশুর ৯৫ শতাংশই শ্রমে

পথশিশুর ৯৫ শতাংশই শ্রমে © সংগৃহীত

দারিদ্র্য, সংসারে অশান্তি, খাদ্যের অভাব—এমন নানা কারণে ঘর ছাড়ে শিশুরা। এই শিশুদের ৯৫ শতাংশই শ্রমে জড়িত। ইউনিসেফ ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ‘সার্ভে অন স্ট্রিট চিলড্রেন ২০২২’ শীর্ষক নতুন জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। সোমবার (১০ এপ্রিল) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর কার্যালয়ে ইউনিসেফের সহায়তায় এই জরিপের প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

এতে অংশ নেওয়া শিশুদের ৭৯ শতাংশের বেশি স্বাধীনতা না থাকার কারণে পুনর্বাসন কেন্দ্রে থাকতে চান না বলে জানিয়েছেন। অপরদিকে একটি অংশের পরিবার না থাকাও তাদের পথে পথে থাকার কারণ বলে তারা জানিয়েছে।

জাতিসংঘ শিশু তহবিল- ইউনিসেফের সহযোগিতায় ঢাকার দুটিসহ নয় সিটি করপোরেশনে এ জরিপ পরিচালনা করা হয়। ২০২২ সালের ৪ থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিটি নগরীতে ৭২০ জন পথশিশুর কাছ থেকে তথ্য নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম, বাংলাদেশে ইউনিসেফ এর প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট উপস্থিত ছিলেন।

বিবিএসের ডেমোগ্রাফিক অ্যান্ড হেল্থ উইংয়ের পরিচালক মাসুদ আলম জানান, যথাযথ জরিপ পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রথম পর্যায়ে ০ থেকে ১৭ বছর বয়সী পথশিশুদের উপর কুইক কাউন্ট পরিচালনার মাধ্যমে স্যাম্পলিং ফ্রেম প্রণয়ন করা হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী পথশিশুদের উপর জরিপ পরিচালিত হয়।

এর ফলাফল তুলে ধরে তিনি জানান, দেশের মোট পথশিশুর ৩৭ দশমিক ৮ শতাংশ দরিদ্রতার কারণে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পথেই আশ্রয় নিয়েছে। ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ বাবা-মা শহরে আসার কারণে এবং ১২ দশমিক ১ শতাংশ কাজের সন্ধানে বাড়ি ছেড়ে শহরে এসে পথেই ঠাঁই পেয়েছে।

জরিপ থেকে জানা যায়, রাস্তায় থাকা শিশুদের সেবা প্রদান করে এমন সংস্থাগুলোর মাধ্যমে তারা যে সহায়তা পেতে পারে, সে সম্পর্কে বেশির ভাগ শিশুই (৭৯ শতাংশ) অবগত ছিল না।

জরিপে এসব পথশিশু আবার বাড়িতে ফিরতে চান কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে ৬৪ শতাংশ বলেছেন, তারা আবার বাড়ি ফিরে যেতে চান না। কেন বাড়ি ফিরতে চান না এমন প্রশ্নের উত্তরে ৩৬ দশমিক ৩ শতাংশ পথশিশু বলেছে, পরিবারে শান্তি না থাকায় তারা বাড়ি ফিরতে চান না।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি পরিকল্পনামন্ত্রী মোহাম্মদ আবদুল মান্নান বলেন, প্রতিবেদনে উঠে আসা পথশিশুদের এই বাস্তব চিত্র দেশের পথশিশুদের পরিস্থিতি মোকাবিলায় নীতিমালা প্রণয়ন ও কর্মসূচি গ্রহণে সহায়ক হবে বলে আশা করা যায়। এক দিনে পরিস্থিতি বদল হবে না, তবে সবাই মিলে কাজ করলে তা সম্ভব।

অর্ধযুগের স্থবিরতা কাটিয়ে রাবিতে ১৫৪ শিক্ষক নিয়োগ, স্বচ্ছতা…
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
নিজ শিশুপুত্রকে হত্যার অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার নিয়োগ দেবে আকিজ গ্রুপ, আবেদন শেষ ৭ এ…
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
যথাযথ পরিকল্পনা ছাড়া অনলাইন ক্লাস চালু করা হতে পারে আত্মঘাত…
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
মন্ত্রিসভার বৈঠকসহ আজ ৫ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
মেঘনা ব্যাংক নিয়োগ দেবে রিকভারি অফিসার, পদ ১০, আবেদন স্নাতক…
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬