বিতর্ক চর্চাকে শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে: তথ্যমন্ত্রী

২১ জুন ২০২৬, ০৯:০৩ AM
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন © বাসস

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বিতর্ক কেবল মেধাগত বিনোদনই নয়, এটি সৃজনশীল প্রক্রিয়া এবং সুস্থ সমাজ ও সভ্যতা বিনির্মাণের অন্যতম হাতিয়ার। তাই বিতর্ক চর্চাকে শিক্ষা কারিকুলামের বাধ্যতামূলক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত এবং সরকারি নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘ঢাকা আইভি: সামাজিক সুরক্ষার জন্য যুব কণ্ঠস্বর’ শীর্ষক প্রতিযোগিতা যৌথভাবে আয়োজন করে ঢাকায় জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি (ডিইউডিএস)। খবর: বাসস।

মন্ত্রী দেশে স্বাস্থ্যসম্মত বিতর্কের সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘বিতর্ক এমন একটি প্রক্রিয়া, যা একই সঙ্গে মানুষের সৃষ্টিশীলতাকে প্রতি মুহূর্তে উদ্দীপ্ত করতে পারে এবং এর মধ্যে মেধাভিত্তিক আনন্দ ও জ্ঞান অর্জনের উপাদান থাকে।’ যুক্তিহীনতার কারণে সমাজ ও ব্যক্তিজীবনে সৃষ্টি হওয়া নানামুখী সংঘাতের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সুশৃঙ্খল ও যুক্তিবাদী সমাজ গঠনে বিতার্কিকরাই দেশের আগামী দিনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ।’

বিতার্কিক ও আয়োজকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘বিতর্ককে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে। আপনারা আন্দোলন বা সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা তৈরি করলে, আমি মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শিক্ষামন্ত্রীসহ প্রধানমন্ত্রীকে এ বিষয়ে কনভিন্স করতে পারব এবং দ্রুত এটাকে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের কাঠামোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে নীতিগত ভূমিকা রাখব।’

তরুণদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তি বিকাশে বর্তমান সরকার ইতিমধ্যে নানামুখী পলিসি গ্রহণ করেছে বলেও উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী। সমাপনী অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত রাউন্ডের ফলাফল ও বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন।

ইংরেজিতে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি এবং ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। সেরা বিতার্কিক নির্বাচিত হন বুয়েটের ফয়সাল বি. রায়হান এবং ফাইনালের সেরা বিতার্কিক হন বুয়েটেরই সানজানা জামান।

আরও পড়ুন: 

বাংলায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন এবং মিলিটারি ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) রানার্স-আপ হয়। ফাইনালের সেরা বিতার্কিক হন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদাত ইবনে ইসলাম। টুর্নামেন্টের সেরা বিতার্কিক হন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নায়েম উদ্দিন রফি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউএনডিপির সিনিয়র গভর্ন্যান্স স্পেশালিস্ট তানভীর মাহমুদ। গেস্ট অব অনার হিসেবে ডিইউডিএ ‘র চিফ মডারেটর অধ্যাপক ড. এস.এম. শামীম রেজা উপস্থিত ছিলেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিইউডিএস সভাপতি জুবায়ের হোসেন। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক রাগিব আঞ্জুম।

এ সময় অস্ট্রেলিয়ান এইড ও ইউএনডিপির কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিতার্কিক এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী বিজয়ী ও রানার্স-আপ দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

‘ছাত্রলীগ-যুবলীগের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’—বিএনপির মিছিল…
  • ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যারাই জড়িত হোক, আইনের আওতায় আসবেন—সালমানের স্টুডিও ভাঙচুর ই…
  • ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশে নভেম্বর পর্যন্ত এলএনজি পাঠাতে পারবে না কাতার
  • ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪৩ জনকে চাকরি দেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ক্রীড়া পরিদপ্তর
  • ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গ্যাসের বাজারে নজর, দাম বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: জাহেদ উর রহমান
  • ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আইডিকলে সহকারী ম্যানেজার পদে জনবল নিয়োগ
  • ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬