হাবিপ্রবিতে অনুষ্ঠিত হলো টেকফেস্ট-২০২১

টেকফেস্ট-২০২১
টেকফেস্ট-২০২১  © টিডিসি ফটো

মুজিব জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো প্রযুক্তি মেলা ‘‘টেকফেস্ট-২০২১’’ ।

মঙ্গলবার (২১ ডিসেম্বর ) হাবিপ্রবির শিক্ষক-ছাত্র কেন্দ্রে দিনব্যাপী এই প্রযুক্তি মেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেয় হাবিপ্রবির কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ সহ বিজ্ঞান ও ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের শিক্ষার্থীরা। চারটি ক্যাটাগরিতে প্রায় ৮০ জন প্রতিযোগী অংশ নেয় এবারের প্রযুক্তি মেলায়।

হাবিপ্রবির ইলেকট্রিক্যাল এ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. জামিল সুলতান এর সভাপতিত্বে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমানের উপস্থাপনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এম. কামরুজ্জামান। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাবিপ্রবির ট্রেজারার প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হালদার, সিএসই অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. মাহাবুব হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মামুনুর রশীদ, জনসংযোগ ও প্রকাশনা শাখার পরিচালক অধ্যাপক ড. শ্রীপতি সিকদার সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ।

আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক গণিত প্রতিযোগিতায় পদক পেলেন শাবির ২ শিক্ষার্থী

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. কামরুজ্জামান বেলুন উড়িয়ে সকাল ১০ টায় প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন করেন। প্রযুক্তি মেলায় শিক্ষার্থীরা প্রজেক্ট শোকেসিং, লাইন ফলোয়ার রোবট, রোবো সকার এবং পোস্টার প্রেজেন্টটেশন ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণ করে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, ‘টেক ফেস্ট’ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ইভেন্ট। কিছুদিন আগে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উপর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) যে মেগা ইভেন্ট আয়োজন করেছিলো, সেই মেগা ইভেন্টের সব থেকে গুরুত্বের জায়গা ছিলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স, রোবটিক্স, ইন্টারনেট অব থিংকসসহ আরও নানা কিছু। আমাদের এই প্রযুক্তিগুলো আত্মস্থ করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। আমি মনে করি এই উদ্যোগ মেশিন লার্নিং এর ক্ষেত্রে একটি বড় সুযোগ। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের যে সামর্থ্য রয়েছে তা কাজে লাগিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের নিজস্ব চিন্তা, গবেষণার দ্বারা নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে সহায়তা করতে হবে।

আরও পড়ুন: বুটেক্সের ভর্তি পরীক্ষার ফল পরিবর্তন, তদন্তে দুদকের টিম

প্রতিযোগিতা শেষে সন্ধ্যা ৭ টায় চারটি ক্যাটাগরিতে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কারের চেক তুলে দেয়া হয়। এতে পোষ্টার প্রেজেন্টেশন ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ান হয় মো. ইখতেয়ার হোসেন তুষার, প্রোজেক্ট শোকেসিং ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ান হয় ‘টিম সেভ দি আর্থ’ এবং রানারআপ হয় ‘ত্রিপল ওয়ান’। আবার সকার প্রোজেক্ট ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ান হয় ‘এইচএসটিইউ প্রোজেক্ট হান্টার’ এবং রানারআপ হয় রোবো মেকার। এছাড়া লাইন ফলোয়ার ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ান হয় ‘ইলেকট্রোভোল্ট’ এবং রানারআপ হয় ‘এইচএসটিইউ ডেস্ট্রয়ার’।

উল্লেখ যে, উক্ত অনুষ্ঠানে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর এবং ইলেকট্রোপ্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড পৃষ্টপোষকতা করে।


সর্বশেষ সংবাদ