রায়ে আবরারের বাবার সন্তোষ প্রকাশ, দ্রুত কার্যকরের দাবি

০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৫১ PM
শিক্ষার্থী আবরারের বাবা

শিক্ষার্থী আবরারের বাবা © সংগৃহীত

বাংলােদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার হত্যা মামলায় ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত ও পাঁচ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ। এ রায়টি যেন দ্রুত কার্যকর হয় ,সেই দাবি জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (৮ ডিসেম্বর) ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ২৫ আসামির সবার ফাঁসির দণ্ড আশা করেছিলেন তার বাবা ও মামলার বাদী বরকত উল্লাহ।

তিনি বলেন, ‘রায়ে সব আসামির সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করছি। কেউ যেন মামলা থেকে খালাস না পায়। রায়টি যেন দৃষ্টন্তমূলক হয়। আর যেন আমার মতো কোনো বাবা মায়ের বুক খালি না হয়। আদালতের প্রতি আমাদের পরিপূর্ণ বিশ্বাস ও আস্থা আছে।’

এর আগে সকাল সোয়া ৯টার দিকে আসামিদের আদালতে আনা হয়। এ মামলার তিন আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন।

দুই বছর তিন মাস পর এ হত্যাকাণ্ডের মামলার রায় হলো আজ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চেয়েছিল আবরারের পরিবার।

গত ২৮ নভেম্বর ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে ওইদিন রায় প্রস্তুত না হওয়ায় পরবর্তী আজ (৮ ডিসেম্বর) রায়ের দিন দেন বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বিভিন্ন চুক্তি নিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন আবরার ফাহাদ। এর জের ধরে পরদিন ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের আবাসিক ছাত্র ও তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরারকে তার কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে যায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন উচ্ছৃঙ্খল নেতাকর্মী। তারা আবরারের ১০১১ নম্বর রুমে গিয়ে রাতে তাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তার ল্যাপটপ, দুটি মোবাইল ফোনসহ ২০১১ নম্বর রুমে নিয়ে আসে। এরপর ওই কক্ষে আবরারকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে। পরে রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের সিঁড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনার পরদিন ৭ অক্টোবর চকবাজার থানায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন আদালত। মোট আসামির মধ্যে ২২ জনকে বিভিন্ন সময়ে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে তারা কারাগারে। পলাতক রয়েছে তিনজন। তারা সবাই বুয়েট ছাত্রলীগ কর্মী।

বিচার চলাকালে ৬০ সাক্ষীর মধ্যে ৪৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত। ২১টি আলামত ও ৮টি জব্দ তালিকা আদালতে জমা দেওয়া হয়।

উচ্চারণগত ভুল, দুঃখপ্রকাশ করলেন রাশেদ খাঁন
  • ১২ অক্টোবর ২০২৬
যবিপ্রবিতে দিনভর উত্তেজনা, সমঝোতায় শেষ
  • ১২ অক্টোবর ২০২৬
সোমবার বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
  • ১২ অক্টোবর ২০২৬
সপ্তাহব্যাপী নতুন কর্মসূচি ঘোষণা এনসিপির
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
অনির্দিষ্টকালের জন্য সাজেক ভ্রমণ বন্ধ ঘোষণা
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
অবশেষে পাওয়া গেল জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ, যেভাবে উদ্ধার
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬