এই ছাত্রদল, তোমরা একটু ডিসিপ্লিন মেইনটেইন করো: শিক্ষামন্ত্রী

২২ জুন ২০২৬, ০৩:৪৪ PM , আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০৬:৪৩ PM
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ হ ম এহছানুল হক মিলন

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ হ ম এহছানুল হক মিলন © সংগৃহীত

​নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ‘ডিনস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় অনাকাঙ্ক্ষিত বিশৃঙ্খলা ও স্লোগান-পাল্টা স্লোগানের ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার (২২ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ হ ম এহছানুল হক মিলন।

​প্রত্যক্ষদর্শী ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ১০টায় শিক্ষামন্ত্রীকে নোবিপ্রবি বিএনসিসি-এর পক্ষ থেকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদানের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে বর্ণাঢ্য র‍্যালি করা হয়। র‍্যালি শেষে বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা ও ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদানের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

​ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন প্রধান অতিথি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ হ ম এহছানুল হক মিলন তার বক্তব্য শুরু করেন। ঐ মুহূর্তে একদল শিক্ষার্থী নোবিপ্রবি একাডেমিক ভবন-৩ প্রকল্পটির কাজ দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এটি সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়ে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। একই সময়ে মিলনায়তনে উপস্থিত ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা পাল্টা স্লোগান দিয়ে বিষয়টা দমিয়ে রাখার চেষ্টা করলে অনুষ্ঠানস্থলে তীব্র বিশৃঙ্খলা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।

​পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রধান অতিথির আসন থেকে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ হ ম এহছানুল হক মিলন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য করে সরাসরি বক্তব্য দেন এবং তাদেরকে শান্ত হওয়ার নির্দেশ দেন। ছাত্রদলকে সুশৃঙ্খল আচরণের আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আস্তে, দূর, আমি মিটিং শুরু করছি। এই ছাত্রদল, তোমরা একটু ডিসিপ্লিনটা মেন্টেন করো। ছাত্রদল, তোমরা একটু মিটিংটা ডিসিপ্লিন করো। তোমরা তো আমার ছাত্রদল, নাকি? তোমাদের গর্ব তো আমি, তো তুমি একটু ডিসিপ্লিন মেন্টেন করো’

​শিক্ষামন্ত্রীর এই তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে মিলনায়তনের পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে শান্ত হয় এবং শিক্ষার্থীরা স্লোগান বন্ধ করে নিজ নিজ স্থানে অবস্থান নেন। ​এরপর শিক্ষামন্ত্রী তার মূল বক্তব্য শুরু করেন। 

তিনি নোবিপ্রবির প্রতিষ্ঠাকালীন ইতিহাস স্মরণ করে বলেন, ২০০১ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনা হয়েছিল এবং ২৩ বছর আগে এই প্রজেক্ট তৈরি হয়। তিনি নোবিপ্রবির উন্নয়ন, কিউএস র‍্যাংকিং অগ্রগতি এবং বিশেষ করে ব্লু-ইকোনমি (নীল অর্থনীতি) নিয়ে এই অঞ্চলের ও ওশানোগ্রাফি বিভাগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। একই সাথে মাদ্রাসা শিক্ষক ও প্রাথমিক শিক্ষকদের বিভিন্ন আইনি ও বেতনসংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে বর্তমান সরকারের নানা ইতিবাচক পদক্ষেপের কথা ব্যক্ত করেন।

​অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-০৪ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান, নোয়াখালী-০৫ আসনের সাংসদ মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) সহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকায় প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হবে কোরিয়ান লিট ফেস্ট, তারিখ …
  • ০১ অক্টোবর ২০২৬
শিশুদের ‘নোবেল’ পুরস্কারে মনোনীত হলেন সাতক্ষীরার দুই বন্ধু …
  • ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রাথমিকে যোগদান আজ— কেউ হাসছেন, কেউ কাঁদছেন এখনও
  • ০১ অক্টোবর ২০২৬
এশিয়ান গেমসে স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
  • ০১ অক্টোবর ২০২৬
গোবিপ্রবিতে বছরে ৩৬ লাখ টাকা মেডিকেল ফি, তবুও চিকিৎসাসেবা ন…
  • ০১ অক্টোবর ২০২৬
‘গোলাপগঞ্জের হয়েও রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে জুলাইয়ের সামনে ছি…
  • ০১ অক্টোবর ২০২৬