শিক্ষকদের শতভাগ উৎসব ভাতাকে ‘দায়িত্ব’ আখ্যা দিয়ে সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৫ PM , আপডেট: ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৭ PM
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন © সংগৃহীত

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মূল বেতনের ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতা ১০০ শতাংশ করতে ফের আশ্বাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেন, বিগত সরকার ২৫ শতাংশকে ৫০ শতাংশে উন্নীত করে গেছেন; এখন এটাকে একশ ভাগ করার দায়িত্ব আমাদের, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। 

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সরকারের কৃষি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী হলেন মো. আব্দুল বারী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমি আবারও প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি—শহীদ জিয়াউর রহমান যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, আমরা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি স্বল্প সময়ের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করলেও শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। শিক্ষকদের জন্য বেতন-ভাতার ৫০ শতাংশ প্রদান করে এমপিও ব্যবস্থার সূচনা ছিল তারই একটি ঐতিহাসিক উদ্যোগ।

পরবর্তীতে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া শিক্ষকদের মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও তা পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়নি। বিগত সরকার সেই ২৫ শতাংশ সুবিধাকে ৫০ শতাংশে উন্নীত করেছে। এখন সময় এসেছে এই সুবিধাকে ১০০ শতাংশে উন্নীত করার—আর সেই দায়িত্ব আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই।

আমি দৃঢ়ভাবে আশ্বস্ত করছি—শিক্ষা খাতে যে অব্যবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, তা দূর করা হবে। কারণ, আমাদের সবার জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন হলো—আমাদের সন্তানদের শিক্ষিত ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।

মন্ত্রী আরও বলেন, মঞ্চে বসে আমি ভাবছিলাম—কতটা সুদূরপ্রসারী চিন্তা থাকলে একজন নেতা তিস্তা ব্যারেজের মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারেন! শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রায় ৪৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ক্যানেল নির্মাণ করেছিলেন, যেখানে আধুনিক প্রকৌশল ব্যবস্থায় পানি উপরে-নিচে প্রবাহিত হতে পারে। তিনি চেয়েছিলেন এই অঞ্চলকে শস্যসমৃদ্ধ, স্বনির্ভর এক জনপদে পরিণত করতে।

ঠিক তেমনি, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমান শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি- এই তিনটি খাতকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন। জিয়া ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো, কৃষিতে নতুন ধারণা আনা, এমনকি বন্যার মধ্যেও ভাসমান চাষাবাদের মতো উদ্ভাবনী চিন্তা তুলে ধরা—এসবই ছিল তাঁদের দূরদর্শী নেতৃত্বের অংশ।

আজ আমরা সেই ধারাবাহিকতার মধ্যেই এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের নেতা কৃষকদের মর্যাদা দিয়েছেন, তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন, তাদের কথা শুনেছেন। কারণ, এই দেশ কৃষকের—এই দেশ সাধারণ মানুষের।

দাখিল পরীক্ষায় এবার ২২৬ মাদ্রাসার সবাই ফেল
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে ১৩ জনের বাড়ি নওগাঁয়
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছে ৮৬,৭০৯ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
দেশে প্রথমবার ‘চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজ’কে অকুপেশন হিসেবে ম্যাপিং…
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
ফেলের হার বেশি হওয়ার কারণ জানালেন ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
পড়াশোনা যেমন করেছে, এসএসসির ফলাফল তেমনই হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী
  • ১০ আগস্ট ২০২৬