অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল © ফাইল ছবি
বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসায় কর্মরত ল্যাব সহকারীরা জাতীয় বেতন স্কেলের ১৬তম গ্রেডে বেতন-ভাতা পান। তবে কলেজের ল্যাব সহকারীদের বেতন হয় ১৮তম গ্রেডে। শিক্ষাগত যোগ্যতা একই হলেও এই দুই পদের বেতন-ভাতায় রয়েছে বৈষম্য।
বিষয়টি নিয়ে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস কথা বলেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলের সঙ্গে। তিনি জানিয়েছেন, ‘মাদ্রাসায় ১৬ গ্রেড দেওয়া হলে কলেজেও একই গ্রেড দেওয়ার কথা। কী কারণে এমন হয়েছে সেটি এই মুহূর্তে বলতে পারছি না।’
কলেজের ল্যাব সহকারীদের বৈষম্য নিরসনে উদ্যোগ নেবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মাউশি ডিজি আরও বলেন, ‘এটি দূর করতে হলে নীতিমালা পরিবর্তন করতে হবে। কলেজের ল্যাব সহকারীদের পক্ষ থেকে কোনো আবেদন আমার কাছে আসেনি। আবেদন দিলে বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে।’
জানা গেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীন বেসরকারি এমপিওভুক্ত কলেজে কর্মরত ল্যাব সহকারীরা বর্তমানে ১৮তম গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন। অথচ বিভিন্ন অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের অধীনে কর্মরত ল্যাব সহকারীদের বেতন গ্রেড ১০ম, ১১তম, ১৪তম কিংবা সর্বনিম্ন ১৬তম। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি জারি করা এক পরিপত্রে ল্যাব সহকারীদের তৃতীয় শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও এখনও জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা সংশোধন করে তাদের বেতন গ্রেড নির্ধারণ করা হয়নি।
২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জারি করা বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২৬-এ মাদ্রাসার ল্যাব সহকারীদের বেতন গ্রেড উন্নীত করে ১৬তম করা হয়েছে এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি/আলিম বা সমমান নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে একই ধরনের দায়িত্ব পালন করলেও কলেজ ও মাদ্রাসা শাখার ল্যাব সহকারীদের সঙ্গে তাদের বেতন কাঠামোতে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে। এই বৈষম্য নিরসনের দাবি জানিয়েছেন কলেজে কর্মরত ল্যাব সহকারীরা।