মে মাসে হামলা-মামলা ও জীবননাশের হুমকির শিকার ৫৫ সংবাদকর্মী

০১ জুন ২০২৬, ০৯:০৬ PM
সংবাদমাধ্যমকর্মী

সংবাদমাধ্যমকর্মী © সংগৃহীত

দেশে মে মাসে ৫৫ জন সংবাদমাধ্যমকর্মী শারীরিকভাবে হামলা, নির্যাতন, আইনি হয়রানি এবং জীবননাশসহ নানা হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন। আজ সোমবার বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জার্নালিস্টের (বিএজে) গবেষণা ও মনিটরিং সেলের সম্পাদক মাহমুদুল হাছান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, মে মাসে সারা দেশে অন্তত ২১টি ঘটনায় ৩৮ সংবাদকর্মী শারীরিক হামলা, নির্যাতন ও লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন। এসব হামলার ঘটনা ঘটিয়েছেন মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাং, রাজনৈতিক দলের উশৃঙ্খল নেতাকর্মী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পেশাজীবীরা, ঠিকাদার, এবং হাসপাতালকর্মীরা।

পাবনা ও লালমনিরহাটে বিএনপি নেতাকর্মীদের হাতে ৩ সাংবাদিক আক্রান্ত হন। নরসিংদীতে যুবদল নেতার মারধরের শিকার হন ২ সাংবাদিক এবং বরিশালে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার নেতৃত্বে এক সাংবাদিকের ওপর হামলা ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এছাড়া বগুড়ায় যুবলীগ এবং কেরানীগঞ্জে বিএনপি এনসিপির রাজনৈতিক সংঘর্ষের সময় অন্তত ৩ সাংবাদিক লাঞ্ছিত ও হামলার শিকার হয়েছেন।

চট্টগ্রামে আসামিকে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ছোঁড়া গুলিতে দুই সাংবাদিক গুলিবিদ্ধ হন। এছাডা রাজধানীর মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানের সংবাদ সংগ্রহকালে দুই সাংবাদিকের ওপর পুলিশ সদস্যরা হামলা চালায়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মদ্যপ সন্ত্রাসীদের হামলায় ২ জন, মানিকগঞ্জে মাদক কারবারির হামলায় একজন এবং সাভারে সংবাদ সংগ্রহকালে মাদক কারবারিদের হাতে ৪ সাংবাদিক আহত হন। এছাড়া ঝালকাঠিতে একদল দুর্বৃত্ত এক সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম করে। চট্টগ্রামে আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ৩ সাংবাদিক আইনজীবীদের হামলার শিকার হন।

ময়মনসিংহে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও তার দলবল ৩ জন সাংবাদিককে মারধর করে। এছাড়া পটুয়াখালীর পীরগাছায় ২ শিক্ষকের হামলায় একজন এবং রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের হামলার শিকার হন অন্তত ৫ সাংবাদিক।

কালিহাতী ও ফরিদপুরে অনিয়মের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে ঠিকাদারদের হাতে ২ জন এবং মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের হাতে একজন সাংবাদিক আক্রান্ত হন। মোট দশ সাংবাদিক আইনি হয়রানি ও গ্রেপ্তারের শিকার হয়েছেন।

টেকনাফে মাদক ব্যবসায়ীদের প্ররোচনায় এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এছাড়া ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন ৭ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা দায়ের করেন। এসময়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে পুলিশ খাগড়াছড়িতে একজন এবং র‍্যাব ময়মনসিংহে এক সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে। হুমকি ও পেশাগত কাজে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন ৮ সাংবাদিক।

সংগঠনটি মনে করে, সাংবাদিকের আক্রান্ত হওয়ার এই দীর্ঘ তালিকা কেবল সংখ্যার হিসাব নয়। বরং এটি দেশে স্বাধীন সাংবাদিকতায় ওপর এক বড় আঘাত। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হামলাকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় না আনা হলে এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। তাই বিএজে সাংবাদিকদের ওপর চলমান এই ধারাবাহিক হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুলের দ…
  • ০১ অক্টোবর ২০২৬
শিক্ষকদের বদলির ফল নিয়ে যা বললেন মাউশি ডিজি
  • ০১ অক্টোবর ২০২৬
ষষ্ঠ ও অষ্টম শ্রেণিতে বাদ পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর
  • ০১ অক্টোবর ২০২৬
রোনালদোর আইকনিক ‘৭ নম্বর’ জার্সি আরেকজনকে দিয়ে দিল পর্তুগাল
  • ০১ অক্টোবর ২০২৬
দেশের একটি জেলায় ভূমিকম্প
  • ০১ অক্টোবর ২০২৬
পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন এমপি মিষ্টি
  • ০১ অক্টোবর ২০২৬