শিশু রামিসা হত্যা: সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না কারাগারে 

২০ মে ২০২৬, ০৬:৩২ PM
অভিযুক্ত সোহেল রানা ও  স্ত্রী স্বপ্না আক্তার

অভিযুক্ত সোহেল রানা ও স্ত্রী স্বপ্না আক্তার © সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। একই ঘটনায় সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২০ মে) আসামিদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর আসামি সোহেল রানা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মতি হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান। 

আরেক আবেদনে আসামি সোহেল রানার স্ত্রীকে স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালত আসামি সোহেল রানার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 

আরেক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপপুলিশ পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  

মামলার নথি সুত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশু রামিসা আক্তার (৮) পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে তার ফ্ল্যাটের রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকলে একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে তার জুতা দেখতে পান।

ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসা আক্তারের (০৮) মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান।

আসামি স্বপ্না আক্তারকে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, তার স্বামী আসামি মো. সোহেল রানা (৩০) হীন কামনা চরিতার্থ করার জন্য রামিসাকে বাথরুমের ভেতরে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে গলা কেটে হত্যা করেছে।

মৃত রামিসার মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করা হয়। এছাড়া যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয় এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। পরে মাথা বালতির মধ্যে রাখা হয়। এরপর রুমের জানালার গ্রিল কেটে আসামি সোহেল রানা পালিয়ে যায়। পরে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে থানায় এনে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ঘটনার কথা স্বীকার করেন।

বৃহস্পতিবার ১০ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব …
  • ০৮ অক্টোবর ২০২৬
যে ছয় কারণে নিম্ন মধ্যবিত্ত থেকে দরিদ্র হওয়ার ঝুঁকিতে ছয় কো…
  • ০৭ অক্টোবর ২০২৬
সাব রেজিস্ট্রারকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ
  • ০৭ অক্টোবর ২০২৬
এয়ারবাস থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কিনছে বাংলাদেশ
  • ০৭ অক্টোবর ২০২৬
সিদ্ধেশরী কলেজে ২১ শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি, আবেদন ১৫ অক্টোব…
  • ০৭ অক্টোবর ২০২৬
২৮ দেশের ৫০০ তরুণ নিয়ে এশিয়া-প্যাসিফিক যুব জলবায়ু সম্মেলন, …
  • ০৭ অক্টোবর ২০২৬