তাওহিদ হৃদয়ের ব্যাটিং © সংগৃহীত
মিরপুর টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৮ উইকেটে হারের পর সিলেট টেস্টেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসে করা ৩৫৬ রানের জবাবে তৃতীয় দিনের খেলা চলাকালে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৪১ রান করেছে স্বাগতিকরা। ফলে এখনো ২১৫ রানে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ৩ উইকেটে ৮৮ রান করেছিল বাংলাদেশ। ২৯ রানে অপরাজিত থাকা তাওহীদ হৃদয় ও ১৯ রানে অপরাজিত থাকা মুশফিকুর রহিম তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করেন। চতুর্থ উইকেটে এই দুজনের জুটি বাংলাদেশকে কিছুটা স্বস্তি দেয়। তবে ১২৯ রানের মাথায় ভাঙে এই জুটি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার জোমেল ওয়ারিকানের বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে শর্ট কাভারে থাকা ব্রেন্ডন কিংয়ের হাতে ক্যাচ তুলে দেন মুশফিক। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে দারুণ ক্যাচ নেন কিং। ৩৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন মুশফিক।
এরপর টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথম অর্ধশতকের দেখা পান তাওহীদ হৃদয়। ১০৯ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। দলের বিপর্যয়ের মধ্যে ধৈর্য ধরে ব্যাটিং করে বাংলাদেশের ইনিংস এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন এই ব্যাটার। তবে মুশফিকের বিদায়ের পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি লিটন দাসও।
ওয়ারিকানের ধীরগতির অফ স্টাম্পের বাইরের বল আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে ড্রাইভ করতে যান লিটন। কিন্তু বল ব্যাটের ওপরের অংশে লেগে কাভারে থাকা কিংয়ের হাতে জমা পড়ে। মাত্র ৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। একই ধরনের শটে এর আগে মুশফিকও ওয়ারিকানের বলে আউট হয়েছিলেন।
এর আগে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ৩ উইকেটে ৮৮ রান নিয়ে দিন শেষ করেছিল বাংলাদেশ। ৫১ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর হৃদয় ও মুশফিকের জুটি দলকে বিপর্যয় থেকে টেনে তোলার চেষ্টা করে। দ্বিতীয় দিন শেষে চতুর্থ উইকেটে তাদের জুটিতে আসে ৩৭ রান। তখন বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের চেয়ে পিছিয়ে ছিল ২৬৮ রানে।
তৃতীয় দিনের খেলা শুরু হলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে বোলিং আক্রমণে আসেন শামার জোসেফ ও জোমেল ওয়ারিকান। দিনের শুরুতে তিন ওভারে ১১ রান যোগ করেন হৃদয় ও মুশফিক। তখন হৃদয় ৩৭ এবং মুশফিক ২০ রানে অপরাজিত ছিলেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৫১ ওভারে ১৪১/৫।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংস: ১০৬.৪ ওভারে ৩৫৬ রান।
বাংলাদেশ এখনো ২১৫ রানে পিছিয়ে।