বাংলাদেশ দলের অনুশীলন © টিডিসি ফটো
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরু হচ্ছে আগামী বুধবার। ঢাকা টেস্টকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত বাংলাদেশ দল। সিরিজের আগে সোমবার সংবাদ সম্মেলনে দলের প্রস্তুতি, খেলোয়াড়দের মনোযোগ এবং পেসার নাহিদ রানা না থাকার প্রভাব নিয়ে কথা বলেছেন প্রধান কোচ ফিল সিমন্স।
দলের প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে সিমন্স দাবি করলেন, প্রতিটি ম্যাচেই নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজও সাম্প্রতিক সময়ে ভালো ক্রিকেট খেলেছে।
সিমন্সের ভাষায়, ‘আমরা প্রতি ম্যাচেই সেরাটা খেলার চেষ্টা করি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওদের সর্বশেষ দুই টেস্ট সিরিজে অনেক ভালো খেলেছে। ভারতে দুর্দান্ত ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলে এসেছে। আমাদের সেরা প্রস্তুতিই প্রয়োজন। প্রস্তুতি নিয়ে আমি খুশি। টেস্টের ছেলেরা কঠোর পরিশ্রম করছে। যারা সাদা বলে খেলেছে, ওরা এখন পরিশ্রম করছে।’
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজটি সিমন্সের জন্য কিছুটা ভিন্ন অভিজ্ঞতারও। কারণ, একসময় ক্যারিবীয় দলের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। তবে পুরোনো দলের বিপক্ষে লড়াই নিয়ে বাড়তি আবেগ কাজ করছে না বলে স্পষ্ট করেছেন বাংলাদেশের প্রধান কোচ।
এ প্রসঙ্গে সিমন্স বলেন, ‘আমি ব্যাপারটা এভাবে দেখি না। আমি ঐ দলের নেতা ছিলাম। এখনও বিজয়ী দলেই থাকতে চাই। এত ইমোশনাল আমি না আমার আগের দল খেলতে আসছে বলে। আমি এই সিরিজ বাংলাদেশের হয়ে জিততে চাই।’
টেস্ট ক্রিকেটে দলের মনোযোগ নিয়েও পরিষ্কার বার্তা দিয়েছেন সিমন্স। আবুধাবি টেস্টে মনোযোগের ঘাটতি ছিল কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, টেস্ট দলের খেলোয়াড়েরা নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন।
বাংলাদেশ কোচ বলেন, ‘টেস্টে সবার ভীষণ মনোযোগ রয়েছে। আবুধাবি টেস্টেও একই মনোযোগ ছিল। তারা টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলতে চায়। এবারই সুযোগটা প্রথম এলো। ছেলেরা মুখিয়ে আছে।’
এদিকে চোট কিংবা প্রস্তুতিগত কারণে নাহিদ রানাকে না পাওয়াও বাংলাদেশের জন্য বড় আলোচনার বিষয়। গতির ঝড় তুলে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের চাপে ফেলার সামর্থ্য রয়েছে এই পেসারের। তাই তাকে মিস করার কথা স্বীকার করেছেন সিমন্স। তবে নাহিদের অনুপস্থিতিতে অন্য বোলাররা দায়িত্ব সামলে নিতে পারবেন বলেও আশাবাদী তিনি।
সিমন্স বলেন, ‘নাহিদের মতো ট্যালেন্টকে তো মিস করতে হবেই। তবে অস্ট্রেলিয়ায় তাকে ছাড়াই আমরা জিতেছি। তাকে ছাড়াও ভালো খেলেছি। তাকে মিস করব, তবে কেউ না কেউ ওর কাজ করে দেবে। এত দ্রুত বল হয়ত করবে না, তবে পারবে।’