ডি থ্রি টুর্নামেন্টের উদ্বোধন © সংগৃহীত
ঘরোয়া ক্রিকেটের কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) টি-টোয়েন্টি এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) ওয়ানডে ও চার দিনের ক্রিকেটকে এক ছাতার নিচে নিয়ে আসছে তামিম ইকবালের বোর্ড। নতুন এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে ৬টি ফ্র্যাঞ্চাইজি দল।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ‘ডি থ্রি’ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ঘোষণা করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। অনুষ্ঠানে টুর্নামেন্টের কাঠামো ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল।
তিনি বলেন, ‘তিনটা টুর্নামেন্ট এক টুর্নামেন্টের অধীনে আসবে। যেখানে একটা টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট থাকবে, ওয়ানডে ফরম্যাট থাকবে, চার দিনের ফরম্যাট থাকবে। যা এনসিএল টি-টোয়েন্টি, বিসিএল চার দিন এবং বিসিএল ওয়ানডের জায়গা নেবে।’
নতুন এই টুর্নামেন্টে খেলবে ৬টি দল। যদিও এবার ৮টি ফ্র্যাঞ্চাইজি দল অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। তবে প্রতিযোগিতার ভারসাম্য ও মাঠের লড়াই আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাখতে ছয়টি দল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তামিম।
জানা গেছে, তিন ফরম্যাটের জন্য আলাদা দল নয়, একই ফ্র্যাঞ্চাইজি দলই পুরো টুর্নামেন্টে খেলবে। আগামী ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে খেলোয়াড় নিলাম।
এ প্রসঙ্গে তামিম বলেন, ‘তাদের খুব হিসাব করে ২৩টা খেলোয়াড় নিতে হবে। কারণ, তারা তিনটা ফরম্যাটে খেলবে—টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে এবং অবশ্যই চার দিনের ক্রিকেট। এই খেলা চলবে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় মাস ধরে।’
আগামী ১৫ ডিসেম্বর বরিশালের জীবনানন্দ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টটির উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর খেলা হবে খুলনায়। সেখানে আয়োজন সম্ভব না হলে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ঢাকায়।
সূচি অনুযায়ী, প্রথমে হবে টি-টোয়েন্টি পর্ব। এরপর জানুয়ারিতে চার দিনের ম্যাচ এবং মে মাসে অনুষ্ঠিত হবে ৫০ ওভারের ক্রিকেট। পুরো টুর্নামেন্টে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ থাকবে ১৯টি, ওয়ানডে ১৬টি এবং চার দিনের ক্রিকেটে হবে ৭টি ম্যাচ।
এ ছাড়া প্রতিটি দল তিনজন করে কোচ, একজন বিশ্লেষক, একজন প্রশিক্ষক ও একজন ফিজিও নিয়োগ করতে পারবে। দলের ব্যবস্থাপকও ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হবেন।