দলীয় প্যাডে সার ডিলার নিয়োগ

বাদ যায়নি নেতাদের স্ত্রী-কন্যা, একাকার বিএনপি-আওয়ামী লীগ-জাপা-জামায়াত

০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৯ PM , আপডেট: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৯ PM
বিএনপির প্যাডে সারের ডিলার নিয়োগের তালিকা

বিএনপির প্যাডে সারের ডিলার নিয়োগের তালিকা © সংগৃহীত

রংপুরের পীরগাছায় নতুন সার ডিলার নিয়োগকে কেন্দ্র করে কোটি টাকা বাণিজ্য ও নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই ৯ জনের নামের একটি তালিকা ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে নতুন করে আবার আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে পীরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতির স্বাক্ষর করা আরেকটি নতুন তালিকা। যে তালিকায় স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণ করা ছাড়াও রয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরও নাম।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর দলীয় প্যাডে উপজেলা বিএনপির সভাপতি স্বাক্ষরিত ‘ডিলার নিয়োগ-২০২৬ এর তথ্য’ লেখা শিরোনাম সম্বলিত তালিকাটি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জমা দেওয়া হয়।

ওই তালিকাসহ বিভিন্ন নথিতে দেখা যায়, পীরগাছা উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের ১৯ জনের ওই তালিকায় বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকসহ তাদের স্ত্রী, অনার্স পড়ুয়া মেয়ে, ছেলে, শ্বশুর, ফুফাতো ভাই ছাড়াও আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের নামও রয়েছে।

নথিতে আরও দেখা যায়, বাংলাদেশ জাতীয়তদাবাদী দল উপজেলা-পীরগাছা জেলা-রংপুর এই প্যাডে স্বাক্ষর করেছেন আমিনুল ইসলাম (রাঙ্গা)। যুক্ত করেছেন সিলমোহর। তাতে পদবি হিসেবে লেখা আছে সভাপতি-পীরগাছা উপজেলা বিএনপি, রংপুর। সেখানে দেওয়া রয়েছে তার ব্যক্তিগত ফোন নম্বরটিও।

দলীয় প্যাডে ‘ডিলার নিয়োগ-২০২৬ এর তথ্য’ শিরোনামে তৈরি করা তালিকায় উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের ১৯ জনের নাম দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তাম্বুলপুর ও পীরগাছা সদর ইউনিয়নে তিনজন করে ছয়জন, কান্দি ইউনিয়নের জন্য একজন এবং কল্যানী, পারুল, কৈকুড়ি, ছাওলা, ইটাকুমারী ও অন্নদানগর ইউনিয়নের জন্য দুইজন করে ১২ জনের রয়েছে।

তালিকাটির সূত্র ধরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তালিকায় থাকা ১৯ জনের মধ্যে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্ত্রী, একজন ইউনিয়ন সভাপতির অনার্স পড়ুয়া মেয়ে, একজন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের শ্বশুর, সিনিয়র সহ-সভাপতির ছেলে এবং একজন সাধারণ সম্পাদকের ফুফাতো ভাইয়ের নাম রয়েছে। এ তালিকায় আছে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি একজন, সাবেক সভাপতি একজন, সাধারণ সম্পাদক চারজন, সাংগঠনিক সম্পাদক একজন, সহ-কোষাধ্যক্ষ একজন, বিএনপি সমর্থক দুইজন এবং কৃষক দলের একজন।

এ ছাড়াও তালিকায় অন্যদের মধ্যে রয়েছে- একজন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতির ছেলে, একজন আওয়ামী লীগ সভাপতি, একজন জামায়াত কর্মী, দুইজন জাতীয় পার্টির নেতার নামও।

উপজেলা প্রশাসনকে দেওয়া পীরগাছা উপজেলা বিএনপি সভাপতি আমিনুল ইসলাম (রাঙ্গা) স্বাক্ষরিত ডিলার নিয়োগ-২০২৬ এর তালিকায় দেখা যায়, তাম্বুলপুর ইউনিয়নের জন্য তিনজনের নাম দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ১ নম্বর ক্রমিকে দেওয়া হয়েছে ওই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুরুল আমীনের মেয়ে মোছা. সুইটি বেগমকে। তিনি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম ডালেসের স্ত্রী। ২ নম্বর ক্রমিকে দেওয়া হয়েছে ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ছগির আলীর ছেলে রহমত চরের আব্দুল জলিলকে। ৩ নম্বর ক্রমিকে দেওয়া হয়েছে একই ওয়ার্ডের রহমতের চরের আব্দুল আউয়ালের ছেলে জাহেদুল ইসলামকে। তিনি জামায়াতের কর্মী।

তালিকায় পীরগাছা সদর ইউনিয়নের তিনজনের নাম আছে। এর মধ্যে ১ নম্বর ক্রমিকে দেওয়া হয়েছে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অনন্তরাম গ্রামের মোছা. সুলতানা ফেরদৌসিকে। তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাঙ্গার স্ত্রী। ২ নম্বর ক্রমিকে দেওয়া হয়েছে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তালুক ইসাদ গ্রামের মরহুম আব্দুর রশিদের ছেলে আমির হোসেনকে। তিনি জাতীয় পার্টির উপজেলা সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ এবং দলটির একনিষ্ঠ কর্মী। ৩ নম্বর ক্রমিকে দেওয়া হয়েছে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চন্ডিপুর গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে নাজমুল হুদার নাম। তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাঙ্গার ঘনিষ্ঠ সহচর। এ ছাড়াও তিনি উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান রেজার ভাই ওলামা লীগের উপজেলা সভাপতি মোখলেছুর রহমানের জিন্নুরেরও ঘনিষ্ঠ।

কল্যাণী ইউনিয়ন থেকে তালিকায় দেওয়া হয়েছে দুইজনের নাম। ১ নম্বর ক্রমিকে দেওয়া হয়েছে ইউনিয়নটির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের স্ব-চাষ এলাকার মরহুম আরমান আলীর ছেলে জিকরুল আমিনকে। তিনি ওই ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি। ২ নম্বর ক্রমিকে দেওয়া হয়েছে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের তালুক পশুয়া গ্রামের মো. অজি উল্ল্যাহর ছেলে মো. তহিদুল ইসলামকে। তিনি ওই ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক।

কান্দি ইউনিয়ন থেকে তালিকাটিতে যুক্ত করা হয়েছে একজনকে। তিনি ওই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তালুক কান্দি নিজপাড়া গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে আতাউর রহমান। তিনি ওই ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তার বড় ভাই আনিছুর রহমান ভুট্টু ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি।

পারুল ইউনিয়ন থেকে ওই তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে দুইজনের নাম। ১ নম্বর ক্রমিকে দেওয়া হয়েছে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের তালুক পারুল গ্রামের তাহারত উল্লাহর ছেলে আব্দুল মতিন সরকাকে। তিনি ওই ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। ২ নম্বর ক্রমিকে দেওয়া হয়েছে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিরাহীম গ্রামের মরহুম কাচু আহমেদের ছেলে রেজাউল ইসলামকে। তিনি ওই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি।

কৈকুড়ি ইউনিয়ন থেকেও দুইজনের নাম ওই তালিকায় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১ নম্বর ক্রমিকে দেওয়া হয়েছে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরী রানী গ্রামের মীর তৌফিক হাসানকে। তিনি ওই ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মীর আফসার আলীর ছেলে। ২ নম্বর ক্রমিকে দেওয়া হয়েছে ২ নম্বর ওয়ার্ডের রামচন্দ্রপাড়া কোফাজ উদ্দিনের ছেলে মো. মুনছুর আলী সরকারকে। তিনি ওই ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

ছাওলা ইউনিয়ন থেকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে দুইজনের নাম। এর মধ্যে ১ নম্বর ক্রমিকে দেওয়া হয়েছে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আদম চাড়ালপাড়া গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে মো. জাকির হোসেনকে। তিনি ওই ইউনিয়ন বিএনপির সহ-কোষাধ্যক্ষ। ২ নম্বর ক্রমিকে দেওয়া হয়েছে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আদম টিংপাড়া গ্রামের সাবু মিয়ার ছেলে মিজানুর রহমানকে। তিনি কৃষকদলের সঙ্গে জড়িত।

ইটাকুমারী ইউনিয়ন থেকে তালিকায় দুইজনের নাম দেওয়া হয়েছে। ১ নম্বর ক্রমিকে দেওয়া হয়েছে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পশুয়া গ্রামের রফিকুলি ইসলাম মিয়ার মো. মাহমুদুল হাসানকে। তিনি বড়দরগা বাজারের কীটনাশক ব্যবসায়ী এবং বিএনপি সমর্থক। ২ নম্বর ক্রমিকে দেওয়া হয়েছে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মধুরাম গ্রামের মরহুম ময়েন উদ্দিনের ছেলে মো. আলিমুদ্দিনকে। তার ছোট জামাতা মাসুদ রানা ওই  ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। আলিম উদ্দিন জাতীয় পার্টির উপজেলা সভাপতি মাহবুবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ।

অন্নদানগর ইউনিয়ন থেকে দেওয়া হয়েছে দুইজনের নাম। এর মধ্যে ১ নম্বর ক্রমিকে জগজীবন এলাকার জয়িতা আক্তার জিনি। তিনি ওই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জিল্লুর রহমানের প্রথম স্ত্রীর মেয়ে এবং দিনাজপুর সরকারি কলেজের বাংলা চতুর্থ বর্ষের অনার্সের শিক্ষার্থী। ২ নম্বর ক্রমিকে দেওয়া হয়েছে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের হরিচরণ পাড়ার মরহুম আব্দুস ছাত্তারের ছেলে মো. মাহাবুর রহমানকে। একইসাথে তিনি ওই ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের ফুফাতো ভাই।

তালিকাটির বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাঙ্গা জানান, সার ডিলার নিয়োগের জন্য আমি কোনো তালিকা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কার্যালয় ও কৃষি অফিসে দেইনি। প্রতিবেদকের কাছে তালিকাটি আছে জানালে তিনি বলেন, সেটি না দেখে বলতে পারবো না।

তালিকাটির ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার নিলুফা ইয়াছমিন জানান, উপজেলা বিএনপির সভাপতির দেওয়া তালিকা আমি পাইনি। কমিটির মাধ্যমে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নাম পাঠানো হয়েছে।

তালিকার ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. জায়েদ ইমরুল মুজাক্কিন জানান, উপজেলা বিএনপির সভাপতির পক্ষ থেকে আমাকে কোনো তালিকা দেওয়া হয়নি। এ ধরনের তালিকা দেওয়ার সুযোগও নেই।

তিনি আরও জানান, স্বচ্ছতার ভিত্তিতে প্রতি ইউনিয়নে তিনজনের তালিকা তৈরি করে আমরা পাঠিয়েছি। এ ঘটনায় কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তিনিই জবাব দেবেন।

এদিকে উপজেলাটিতে প্রতিটি ইউনিয়নে সারের ডিলার নিয়োগের জন্য উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ডিলার নিয়োগের বিপরীতে ১৫ লাখ থেকে ২৭ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চাউর হয়েছে।

সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেওয়ার পর স্থানীয় বিএনপি নেতা জিয়াউর রহমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কান্দি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির প্রচার সম্পাদক জিয়াউর রহমানকে দেওয়া ওই নোটিশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্য, মন্তব্য ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভেদ ও সাংগঠনিক বিরোধ সৃষ্টির অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

জিয়াউর রহমান এর আগে সার ডিলার নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন। তার অভিযোগের মধ্যে ডিলার নিয়োগে অর্থ লেনদেন, রাজনৈতিক প্রভাব এবং পছন্দের প্রার্থীকে সুবিধা দেওয়ার বিষয় রয়েছে। ফলে সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তোলার পরই একজন দলীয় নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার ঘটনাটিও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গত ২৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওঠা সারের ডিলার নিয়োগে টাকা গ্রহণের বিষয়টি মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিসনুল ইসলাম রাঙ্গা ও সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম ডালেস। 

তবে উপজেলাটিতে সারের ডিলার নিয়োগে প্রতিটি ইউনিয়নে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা গ্রহণের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে যা বলল বিশ্বব্যাংক
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রতিপক্ষ হয়েও মেসির জয় চান বেনিনের ফুটবলার!
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্ট, জবাব …
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন স্থায়ী সনদপ্রাপ্ত পাঁচ বেসর…
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
রুয়েট কন্সট্রাক্ট কার্নিভালে ২য় স্থান অর্জন করলেন প্রেসিডেন…
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্সের ফল প্রকাশ, পাস ৪১.৯৩ শতাংশ
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬