একতা ও সম্প্রীতির নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে: চুয়েট উপাচার্য
- টিডিসি রিপোর্ট
- প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৫, ০৪:০৪ PM , আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২৫, ০৪:০৪ PM

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া বলেছেন, স্বাধীনতা যেকোনো জাতির সবচেয়ে বড় অর্জন। আর বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতা অর্জন করেছে রক্তস্নাত পথ ধরে। ২৬ মার্চের মহান স্বাধীনতার পেছনে রয়েছে আত্মত্যাগ, আত্মবিসর্জন ও আন্দোলন-সংগ্রামের সুদীর্ঘ রক্তাক্ত পথ। এখন প্রয়োজনীয় সংস্কার ও পরিমার্জনের মধ্য দিয়ে একতা ও সম্প্রীতির এক নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে। তাহলেই আমাদের আন্দোলন-সংগ্রাম, মহান স্বাধীনতা স্বার্থকতা পাবে।
আজ মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল কক্ষে আয়োজিত ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস-২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার দৃপ্ত ঘোষণার মধ্য দিয়ে ২৬ মার্চে নিপীড়িত ও বঞ্চিত জনগণের শোষণমুক্তির প্রত্যাশা অর্জন করেছিল এক নতুন দিক-নির্দেশনা, নতুন মাত্রা। অবশেষে আমরা ১৬ ডিসেম্বর বিজয় লাভ করি এবং এই বিজয়কে ধরে রেখে সকলকে দেশ গঠনে আত্মনিয়োগের আহ্বান জানাচ্ছি। ২০২৪-এর এই গণঅভ্যুত্থানে পূর্ব ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ সমগ্র জাতিকে এক মোহনায় মিলিত করেছে।’
আরও পড়ুন: স্টারলিংকের সেবা বাণিজ্যিকভাবে চালুর নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুল আলম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপপরিচালক (জনসংযোগ) জনাব মোহাম্মদ ফজলুর রহমান। আলোচনা সভার শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা ক্বারী নুরুল্লাহ। চুয়েট কেন্দ্রীয় মসজিদে বাদ জোহর বীর শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।