সাত কলেজের সিজিপিএ শর্তে অনড় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

২২ আগস্ট ২০২৩, ০৫:৪৬ PM , আপডেট: ১৮ আগস্ট ২০২৫, ১১:০৪ AM
অধ্যাপাক আব্দুল কুদ্দুস সিকদার

অধ্যাপাক আব্দুল কুদ্দুস সিকদার © টিডিসি ফটো

সিজিপিএ শর্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনড় অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা কলেজ শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য অধ্যাপাক ড. মো. আব্দুল কুদ্দুস সিকদার। মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) বিকেল সাড়ে চারটায় নীলক্ষেত মোড়ে শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনার পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। 

ড. কুদ্দুস বলেন, সিজিপিএ শর্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অনড় অবস্থানে রয়েছেন। এখনো আমরা বিষয়টি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কথা বলছি। তবে কর্তৃপক্ষ তাদের যে নীতিমালা রয়েছে সেটির ব্যাপারে অনড় অবস্থানে রয়েছেন। তারপরও আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ রাখছি। 

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি আমাদের জানা আছে। এই দাবিগুলো আমাদের কলেজের অধ্যক্ষরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। কলেজ প্রশাসনের যে সকল দায়বদ্ধতার জায়গা রয়েছে সে বিষয়গুলো আমরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

তবে ফল প্রকাশের দীর্ঘ সূত্রিতার বিষয়টি যৌক্তিক দাবি করে তিনি বলেন, ৮ মাস বা ৯ মাসে পরীক্ষার ফল প্রকাশের যে বিষয়টি শিক্ষার্থীরা সামনে এনেছেন আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি তা যৌক্তিক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সাত কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিয়েছেন কোয়ালিটি এডুকেশন নিশ্চিত করা, সেশনজটসহ দূর করার জন্য।

তিনি বলেন, সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যদি কোন বিষয়ের ফল প্রকাশ করতে ৭/৮/৯ মাস সময় নেয় সেটি কাম্য নয়। এই বিষয়টি নিয়ে আমরা একমত যে, ফল প্রকাশে এত দীর্ঘসময়ের প্রয়োজন নেই।

এদিকে, গতকাল রোববার (২০ আগস্ট) প্রেস ক্লাবের সামনে সিজিপিএ শর্ত শিথিলের এক দফা দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। এছাড়া তাদের কর্মসূচি থেকে পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর দ্রুত সময়ের মধ্যে ফল প্রকাশেরও দাবি জানানো হয়।

অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, দ্রুত ফল প্রকাশ করার জন্য একক পরীক্ষকের মাধ্যমে খাতা মূল্যায়ন করা হয়। অথচ উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষক ও নিরীক্ষক  থাকতে হয় যাতে শিক্ষার্থী পুরোপুরি ন্যায় বিচার পায়। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো একক পরীক্ষক রাখা হয়েছে যাতে দ্রুত ফল প্রকাশ করা যায়। তারপরও যদি ফল প্রকাশ এতো দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হয় তাহলে শিক্ষার্থীদের অনেক সময় চলে যায়। 

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা কলেজ শিক্ষক পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক নাসির উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ ওবায়দুল করিম রিয়াজসহ ছয় কলেজের অন্যান্য শিক্ষকরা।

ট্যাগ: সাতকলেজ
সব সরকারি কলেজের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের ১০০টি  উত্তরপত্র হারালেন শিক্ষক, ৩ দি…
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চলতি বছর শুরু হচ্ছে না স্থানীয় নির্বাচন: স্থানীয় সরকার প্রত…
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জবির আইন বিভাগে ভর্তি: আবেদন থেকে প্রস্তুতি, যা জানা দরকার
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যশোর শিক্ষাবোর্ডে একাদশে ভর্তিতে বিশেষ কোটায় মনোনীত ১৫ জন
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নির্মাণের পরদিনই উঠে যাচ্ছে পিচ, কোটি টাকার সড়কে অনিয়মের অভ…
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬