শিক্ষক সমিতির বিবৃতি

জবির নিজস্ব প্রক্রিয়ায় ভর্তির আন্দোলন ভিন্নখাতে নেয়ার চেষ্টা চলছে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়  © ফাইল ছবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) গুচ্ছ থেকে বেরিয়ে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চক্রান্ত চলছে বলে অভিযোগ করেছে শিক্ষক সমিতি। আজ শুক্রবার (৮ এপ্রিলি) এক প্রতিবাদলিপিতে এ কথা বলা হয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আবুল কালাম মো. লুৎফর রহমান স্বাক্ষরিত প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, গত ৬ এপ্রিলের একাডেমি কাউন্সিলের সভায় একজন শিক্ষককে নাজেহাল করার বিষয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত খবরটি শিক্ষক সমিতির গোচরীভূত হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, প্রকৃতপক্ষে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় আমাদের একজন সম্মানিত সহকর্মী ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল কাদের বক্তব্যের এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে এজেন্ডা বহির্ভূত বক্তব্য দিতে থাকেন এবং টেবিল চাপড়িয়ে উত্তেজনাকর ও অনাকাঙ্খিত পরিবেশ সৃষ্টি করেন। এ অবস্থায় সভায় উপস্থিত সহকর্মীরা তাঁকে শান্ত হওয়ার জন্য বলেন। একপর্যায়ে কয়েকজন সহকর্মী তাঁর হাত ধরে আসনে বসতে অনুরোধ করেন।

পরবর্তীতে উক্ত সহকর্মী তাঁর নিজের ভুল বুঝতে পেরে সভায় উপস্থিত সকলের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করেন জানিয়ে শিক্ষক নেতারা বলেন, এরপর উপাচার্য যথাযথভাবে সভা পরিচালনা করেন। এ বিষয়টিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভিন্ন পত্রিকায় অতিরঞ্জিত ও ভুলভাবে উপস্থাপন/সরবরাহ করা হয়েছে। আমরা খুবই দৃঢ়তার সাথে বলতে চাই পরিষদের উক্ত সভায় কোন ধরনের লাঞ্ছনার/হেনস্থার ঘটনা ঘটেনি।

আরো পড়ুন: জবির গুচ্ছ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সভায় কী ঘটেছিল?

তারা বলেন, চলমান নিজস্ব প্রক্রিয়ায় ভর্তির আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপকৌশল হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষকরা বিষয়াটকে উদ্বিগ্নতার সাথে পর্যবেক্ষণ করছে। যে বিষয়টি উক্ত সভাতেই নিষ্পত্তি ঘটেছে সেটিকে নিয়ে জল ঘোলা করায় জবিশিস মর্মাহত এবং এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

শিক্ষক নেতারা আরও বলেন, পরিশেষে সুস্পষ্টভাবেই জানাতে চাই যে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা ও একাডেমিক স্বাধীনতা রক্ষার আন্দোলনে সাতশত সদস্যের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক পরিবার ইস্পাত কঠিন
দৃঢ়তায় ঐক্যবদ্ধ।


সর্বশেষ সংবাদ