চট্টগ্রামে ওয়াসিম হত্যা: ১৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
- টিডিসি রিপোর্ট
- প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৫, ০১:২৩ PM , আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২৫, ০২:২৮ PM

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের দ্বিতীয় শহীদ চট্টগ্রামের ওয়াসিম হত্যা মামলায় ১৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সাবেক মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র আ জ ম নাসিরসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন।
ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন জানান।
গত ১৬ জুলাই চট্টগ্রামের মুরাদপুর এলাকায় ছাত্রলীগের সঙ্গে আন্দোলনকারী ছাত্রদের সংঘর্ষের মধ্যে গুলিতে নিহত হন ওয়াসিম আকরাম। তিনি চট্টগ্রাম কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র এবং ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।
আরও পড়ুন: সচিবালয় এলাকায় পোশাক শ্রমিকদের ওপর পুলিশের লাঠিপেটা
ওয়াসিম আকরাম কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। তার বাবা সৌদিপ্রবাসী শফিউল আলম। নিহতের মা জোসনা আক্তার ১৮ আগস্ট পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৬ জুলাই বিকেল ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে ওয়াসিম মুরাদপুরের বারকোড রেস্টুরেন্টের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ওই সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলছিল। এই আন্দোলনের সুযোগে আসামিরা, যাদের মধ্যে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের ক্যাডাররা ছিলেন, অস্ত্রশস্ত্রসহ ব্যাপক সহিংসতা চালায়।
আরও পড়ুন: শিক্ষক-কর্মচারীদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের জিও জারি, টাকা পাবেন কবে?
মামলায় অভিযোগ করা হয়, আন্দোলন চলাকালে আসামিরা ওয়াসিমের ওপর হামলা করে। তারা বোমা বিস্ফোরণ, লাঠিসোঁঠা, হকিস্টিক, কিরিচ এবং আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এক পর্যায়ে আসামিরা এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে, ফলে ওয়াসিম বুকে ও নাভিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর, ওয়াসিমের মা জোসনা আক্তার বিচার চেয়ে থানায় মামলা করেন।