মেডিকেলে প্রশ্নফাঁসের সুযোগ নেই, সতর্ক থাকার আহবান

ভর্তি পরীক্ষার্থী
ভর্তি পরীক্ষার্থী  © ফাইল ফটো

মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের সুযোগ নেই। ভর্তিচ্ছু কিংবা তাদের অভিভাবকদের এ ধরনের প্রলোভনে পা না দেয়ার আহবান জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) রাতে দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসের সাথে আলাপকালে এই আহবান জানান স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. এ কে এম আহসান হাবীব।

তিনি বলেন, আমাদের প্রশ্নপত্র প্রণয়ন এতটাই গোপনীয়তার সাথে হয় যে এটা কোনোভাবেই ফাঁস হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কেউ যদি এ ধরনের কোনো তথ্য ছড়ায় তাহলে সেটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য কিংবা আমাদের জানান। তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

আরও পড়ুন: মেডিকেলে প্রশ্নফাঁসের প্রলোভন, আটক ১

পরীক্ষা কেন্দ্রে ভর্তিচ্ছুদের পালনীয় সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। কেন্দ্রে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা হবে। হাত ঘড়ি, পকেট ঘড়ি, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোনসহ কোন ধরনের ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী নিয়ে পরীক্ষা হলে প্রবেশ নিষেধ। কেন্দ্রে কর্তব্যরত হল সুপার, শিক্ষকসহ পরীক্ষায় নিয়োজিত সকল ব্যক্তি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না।

তথ্যমতে, গত বছরের ২ এপ্রিল সারাদেশের ১৯টি কেন্দ্রের ৫৫টি ভেন্যুতে একযোগে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় ১ লাখ ২২ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেন। সেই হিসেবে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি। দেশে সরকারি মেডিক্যাল কলেজ আছে ৩৭টি। আসন ৪৩৫০টি। দেশে ৭২ বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের আসন সংখ্যা ৬ হাজার ৩৩৯টি।

প্রতিবছর এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষাকে সামনে রেখে কিছু কুচক্রী, দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি বা গ্রুপ কোচিং সেন্টারের নামে বা ব্যক্তিগতভাবে অনলাইনের মাধ্যমে (ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, ইমো) মেডিকেল কলেজে ভর্তির বিষয়ে ১০০ শতাংশ কমন সাজেসন্স বা গ্যারান্টি সহকারে ভর্তির কথা বলে গোপনে বড় অঙ্কের টাকা দাবি করে থাকে। এ ধরনের গুজব ঠেকাতে বন্ধ থাকবে দেশের সকল মেডিকেল ভর্তি কোচিং সেন্টার। গুজব সৃষ্টিকারীদের ব্যাপারে তৎপর থাকবে দেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।


সর্বশেষ সংবাদ