জাবির ৭ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সুপারিশ, সিদ্ধান্ত রবিবার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি)
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি)  © ফাইল ফটো

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) বিভিন্ন ঘটনায় সাত জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির ডিসিপ্লিনারি বোর্ড। এর মধ্যে তিনজনকে সাময়িক বহিষ্কার, দুজনকে এক বছরের এবং বাকি দুজনকে ছয় মাসের বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ)সন্ধ্যায় উপাচার্য অধ্যাপক নুরল আলমের সভাপতিত্বে শৃঙ্খলা কমিটির (ডিসিপ্লিনারি বোর্ড) সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

২০ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ঘুরতে যায় চার স্কুল শিক্ষার্থী। পরে তাদের আটকে ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা হলেন- ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান, পরিসংখ্যান ও উপাত্ত বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইমরান নাজিজ ও এহসানুর রহমান রাফি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আলমগীর কবীর বলেন,‌ ‘অভিযুক্ত তিন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আলবেরুনী হলের প্রাধ্যক্ষ শিকদার মো. জুলকারনাইনকে প্রধান করে ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্যরা হলেন- প্রীতিলতা হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জহিরুল ইসলাম খন্দকার, সুফিয়া কামাল হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক কে এম আক্কাস আলী এবং ও নিরাপত্তা শাখার কর্মকর্তা মো. রাসেল মিয়া। রোববার সিন্ডিকেট সভায় তাদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।’

গত ১৯ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ হলের কক্ষের তালা ভেঙে রুম দখলের চেষ্টার অভিযোগে দুজনকে ছয় মাসের ও একজনকে এক বছরের বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে ডিসিপ্লিনারি বোর্ড। 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আলমগীর কবীর বলেন, ‘ইংরেজি বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী অনুরাগ দাসকে ১ বছর, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের মোস্তাকিম রহমান রাফি এবং আইআইটি ৪৯তম ব্যাচের আরমানুল আলমকে ৬ মাসের বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। সিন্ডিকেট সভায় তাদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ 

এছাড়া ৯ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত ফজিলাতুন্নেসা হলের ৮১০ নম্বর কক্ষে সিগারেট থেকে আগুন লাগার ঘটনায় এক শিক্ষার্থীকে এক বছরের জন্য বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে ডিসিপ্লিনারি বোর্ড। মোসাররাত লামিয়া নামের ওই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ৪৬ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।


সর্বশেষ সংবাদ