বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সাশ্রয়ী ও টিউশন ফি-মুক্ত উচ্চশিক্ষার ১১ দেশ
উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেন অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। তবে ব্যয়বহুল টিউশন ফি ও জীবনযাত্রার খরচের কারণে অনেকের পক্ষেই সেই স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব হয় না। অথচ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে তুলনামূলক কম খরচে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। কোনো কোনো দেশে নির্দিষ্ট ভাষায় পড়াশোনা করলে টিউশন ফি দিতে হয় না। আবার কিছু দেশে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাশ্রয়ী খরচে ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি বৃত্তি পাওয়ারও সুযোগ রয়েছে।
বিশেষ করে ইউরোপ ও এশিয়ার কয়েকটি দেশ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য এমন সুযোগ তৈরি করেছে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনায় বিবেচনা করা যেতে পারে এমন ১১টি দেশ তুলে ধরা হলো।
১. জার্মানি
ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বিদেশি শিক্ষার্থীদের পছন্দের তালিকায় অন্যতম জার্মানি। অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে শক্তিশালী দেশটিতে অধিকাংশ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক এবং অধিকাংশ স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে কোনো টিউশন ফি নেওয়া হয় না।
তবে ব্যাডেন-ভুর্টেমবার্গ প্রদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের শিক্ষার্থীদের প্রতি সেমিস্টারে ১ হাজার ৫০০ ইউরো টিউশন ফি দিতে হয়। এ ছাড়া বাভারিয়ার কিছু বিশ্ববিদ্যালয়েও বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য টিউশন ফি রয়েছে। সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সেমিস্টারপ্রতি ৭০ থেকে ৪৩০ ইউরো পর্যন্ত সেমিস্টার কন্ট্রিবিউশন দিতে হয়।
শিক্ষার্থী ভিসার জন্য আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ হিসেবে ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে মাসিক ৯৯২ ইউরো বা বার্ষিক ১১ হাজার ৯০৪ ইউরো দেখানোর নিয়ম ছিল। তবে আবেদনের আগে জার্মান দূতাবাসের সর্বশেষ নির্ধারিত অর্থের পরিমাণ যাচাই করতে হবে। স্নাতক শেষ করার পর চাকরি খোঁজার জন্য সর্বোচ্চ ১৮ মাসের রেসিডেন্স পারমিট পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
আরও দেখুন: স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি প্রোগ্রামে ফুল-ফ্রি স্কলারশিপ দেবে চীনের ডংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়
২. চেক প্রজাতন্ত্র
ইউরোপের অন্যতম সমৃদ্ধ দেশ চেক প্রজাতন্ত্রেও বিদেশি শিক্ষার্থীদের বিনা টিউশন ফিতে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে। দেশটির সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চেক ভাষায় পড়াশোনা করলে বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থী এ সুবিধা পেতে পারেন।
তবে ইংরেজি বা অন্য কোনো বিদেশি ভাষায় পরিচালিত প্রোগ্রামে পড়াশোনা করলে টিউশন ফি দিতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়, বিষয় ও প্রোগ্রাম অনুযায়ী এ ফি নির্ধারিত হয়। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও নিজস্ব নিয়মে টিউশন ফি নির্ধারণ করে। দেশটিতে জীবনযাত্রার খরচের জন্য মাসে আনুমানিক ৫০০ থেকে ৭৫০ ইউরো বাজেট রাখতে পারেন শিক্ষার্থীরা।
৩. নরওয়ে
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নরওয়েও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে উচ্চশিক্ষার জন্য আকর্ষণীয়। তবে ২০২৩ সাল থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউরোপীয় অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাইরের দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য অধিকাংশ সরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টিউশন ফি চালু হয়েছে।
বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয়ভেদে বছরে আনুমানিক ১১ হাজার থেকে ৩৩ হাজার ইউরো বা তার বেশি টিউশন ফি লাগতে পারে। এ ছাড়া প্রতি সেমিস্টারে শিক্ষার্থী কল্যাণ সংস্থার ফি দিতে হয়, যা সাধারণত প্রায় ১ হাজার নরওয়েজিয়ান ক্রোন।
আরও দেখুন: মাস্টার্সে ফুল ফ্রি স্কলারশিপ দিচ্ছে যুক্তরাজ্যের কমনওয়েলথ স্কলারশিপ কমিশন
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশটিতে জীবনযাত্রার জন্য বছরে আনুমানিক ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৬৮ নরওয়েজিয়ান ক্রোন বা মাসে প্রায় ১৫ হাজার ৪৮৮ ক্রোন খরচের হিসাব ধরা হয়েছে। বড় শহরগুলোয় এ খরচ আরও বেশি হতে পারে।
৪. সুইডেন
সুইডেনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউরোপীয় অর্থনৈতিক অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে সাধারণত টিউশন ফি ছাড়াই পড়াশোনা করতে পারেন। তবে বাংলাদেশসহ এসব অঞ্চলের বাইরের দেশের শিক্ষার্থীদের উভয় পর্যায়েই টিউশন ফি দিতে হয়।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য দেশটিতে গড় টিউশন ফি বছরে প্রায় ১১ হাজার ৭৩০ ইউরো। তবে বিষয় ও কোর্সভেদে এ খরচ বছরে প্রায় ৭ হাজার ২৭০ থেকে ২৬ হাজার ৮২০ ইউরো পর্যন্ত হতে পারে।
অন্যদিকে, পিএইচডি পর্যায়ে সাধারণত টিউশন ফি দিতে হয় না। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি শিক্ষার্থীদের বেতনভিত্তিক গবেষণা পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
আরও দেখুন: ডেনমার্কের রোসকিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে স্নাতকোত্তরের সুযোগ, মিলবে মাসিক ভাতা
৫. ফ্রান্স
উচ্চশিক্ষার জন্য বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য ফ্রান্স। দেশটির সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তুলনামূলক কম খরচে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে। ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়ে বছরে প্রায় ২ হাজার ৯০২ ইউরো এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে প্রায় ৩ হাজার ৯৫০ ইউরো টিউশন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
পিএইচডি পর্যায়ে বছরে প্রায় ৩৯৮ ইউরো রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে হয়। তবে নির্দিষ্ট শর্তে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ বা আংশিক টিউশন ফি মওকুফ করতে পারে।
জীবনযাত্রার খরচ শহরভেদে ভিন্ন। প্যারিসের মতো বড় শহরে মাসে ১ হাজার ২০০ ইউরো বা তার বেশি খরচ হতে পারে। তবে ছোট শহরগুলোয় তুলনামূলক কম খরচে থাকা সম্ভব।
৬. অস্ট্রিয়া
ইউরোপের আরেক দেশ অস্ট্রিয়ায় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার খরচ তুলনামূলক কম। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউরোপীয় অর্থনৈতিক অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সাধারণত টিউশন ফি ছাড়াই পড়াশোনা করতে পারেন।
তবে বাংলাদেশসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশের শিক্ষার্থীদের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতি সেমিস্টারে প্রায় ৭২৬ দশমিক ৭২ ইউরো টিউশন ফি দিতে হয়। এর সঙ্গে শিক্ষার্থী ইউনিয়নের ফিও যুক্ত হয়। নির্দিষ্ট শ্রেণির শিক্ষার্থী ও বিশেষ পরিস্থিতিতে টিউশন ফি ছাড়ের সুযোগ রয়েছে। দেশটিতে জীবনযাত্রার জন্য মাসে আনুমানিক ৯০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ ইউরো প্রয়োজন হতে পারে।
আরও দেখুন: সম্পূর্ণ বিনমূল্যে পড়ুন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে, বাংলাদেশিদেরও আবেদনের সুযোগ
৭. তাইওয়ান
এশিয়ার মধ্যে সাশ্রয়ী খরচে উচ্চশিক্ষার জন্য তাইওয়ান হতে পারে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের একটি বিকল্প। দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার খরচ তুলনামূলক কম। তবে বিশ্ববিদ্যালয়, বিষয় ও ডিগ্রির স্তর অনুযায়ী টিউশন ফি ভিন্ন হয়ে থাকে।
বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও চিকিৎসাবিষয়ক প্রোগ্রামে খরচ তুলনামূলক বেশি হতে পারে। এ ছাড়া তাইওয়ানের সরকার ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সুযোগ রয়েছে।
জীবনযাত্রার খরচ শহর, আবাসন ও ব্যক্তিগত জীবনযাত্রার ওপর নির্ভর করে। রাজধানী তাইপের তুলনায় অন্যান্য শহরে থাকা তুলনামূলক সাশ্রয়ী।
৮. তুরস্ক
তুরস্কের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তুলনামূলক কম খরচে উচ্চশিক্ষার সুযোগ রয়েছে। দেশটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্নাতক পর্যায়ে বছরে সাধারণত ২৫০ থেকে ৭০০ ইউরো এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৫০০ থেকে ১ হাজার ২০০ ইউরো টিউশন ফি দিতে হতে পারে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয়ভেদে এ খরচের পার্থক্য রয়েছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে টিউশন ফি আরও বেশি হতে পারে।
জীবনযাত্রার জন্য একজন বিদেশি শিক্ষার্থীর মাসে আনুমানিক ৪০০ থেকে ৮০০ ইউরো খরচ হতে পারে। এ ছাড়া দেশটির সরকারি বৃত্তি কর্মসূচি ‘তুর্কিয়ে স্কলারশিপস’-এর আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা টিউশন ফি, আবাসন, স্বাস্থ্যবিমা ও মাসিক ভাতাসহ বিভিন্ন সুবিধা পেতে পারেন।
আরও দেখুন: চীনের পিকিং ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্সের সুযোগ, টিউশন ফিসহ থাকবে বিভিন্ন সুবিধা
৯. আর্জেন্টিনা
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনায় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা মূল্যে পড়াশোনার সুযোগ আগে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্যও প্রচলিত ছিল। তবে ২০২৫ সালে দেশটির অভিবাসন ও উচ্চশিক্ষা নীতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা মূল্যে উচ্চশিক্ষার সুবিধা মূলত স্থায়ীভাবে বসবাসকারী বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ফলে বাংলাদেশ থেকে নতুন করে পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীরা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা মূল্যে পড়ার সুযোগ পাবেন, এমন নিশ্চয়তা নেই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চাইলে অস্থায়ীভাবে বসবাসকারী বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিউশন ফি নিতে পারে।
তাই ভর্তির আগে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ নীতিমালা যাচাই করা জরুরি। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয়ভেদে টিউশন ফি নির্ধারিত হয়।
১০. পোল্যান্ড
ইউরোপের দেশ পোল্যান্ডেও তুলনামূলক সাশ্রয়ী খরচে উচ্চশিক্ষার সুযোগ রয়েছে। দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি সাধারণত প্রোগ্রাম ও বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে নির্ধারিত হয়। ইংরেজি ভাষার প্রোগ্রামে বছরে প্রায় ২ হাজার থেকে ৬ হাজার ইউরো বা তার বেশি খরচ হতে পারে।
তবে পোলিশ ভাষায় পড়াশোনা করলেই সব বিদেশি শিক্ষার্থী বিনা মূল্যে পড়ার সুযোগ পাবেন, এমন নয়। নির্দিষ্ট আইনগত যোগ্যতা থাকলেই সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা মূল্যে পড়াশোনার সুযোগ পাওয়া যায়।
আরও দেখুন: কানাডার সাসকাচোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে পড়ার সুযোগ, থাকবে এককালীন বৃত্তি
অন্যদিকে, পোল্যান্ডের সরকারি ডক্টরাল স্কুলগুলোতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি দিতে হয় না। পাশাপাশি সাধারণত ডক্টরাল বৃত্তির সুযোগও রয়েছে। দেশটিতে জীবনযাত্রার খরচ মাসে আনুমানিক ৪০০ থেকে ৭০০ ইউরো হতে পারে।
১১. মালয়েশিয়া
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় বিদেশে উচ্চশিক্ষার গন্তব্য মালয়েশিয়া। দেশটির সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সাধারণত টিউশন ফি দিতে হয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয়, বিষয় ও প্রোগ্রামের মেয়াদ অনুযায়ী এ ফি ভিন্ন হয়ে থাকে।
বিশেষ করে চিকিৎসা, প্রকৌশল ও অন্যান্য বিশেষায়িত বিষয়ে পড়াশোনার খরচ তুলনামূলক বেশি হতে পারে। দেশটির সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সুযোগ রয়েছে।
মালয়েশিয়ায় জীবনযাত্রার জন্য মাসে আনুমানিক ৫০০ থেকে ৯০০ ইউরো প্রয়োজন হতে পারে। তবে শহর, আবাসন ও ব্যক্তিগত জীবনযাত্রার ধরন অনুযায়ী এ খরচের তারতম্য ঘটে।
আরও দেখুন: সুইজারল্যান্ডে বিনা খরচে গবেষণার সুযোগ, বৃত্তিসহ দেবে বিমানভাড়া
বিদেশে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা করার আগে সংশ্লিষ্ট দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, কোর্স, টিউশন ফি, বৃত্তি এবং ভিসার শর্ত ভালোভাবে যাচাই করা জরুরি। কোনো দেশে নির্দিষ্ট ভাষায় পড়াশোনা বিনা মূল্যে হলেও অন্য ভাষার প্রোগ্রামে টিউশন ফি দিতে হতে পারে। একইভাবে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা মূল্যে পড়ার সুযোগ থাকলেও জীবনযাত্রা, আবাসন, স্বাস্থ্যবিমা ও অন্যান্য খরচ শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়। তাই আবেদন করার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ ভর্তি নির্দেশিকা ও সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসের তথ্য যাচাই করা উচিত।