৩৭ হাজার শিক্ষকের তথ্য চেয়েছে ডিপিই, সময় ৪৮ ঘণ্টা

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর  © ফাইল ছবি

প্রাথমিক ও প্রাক প্রাথমিকের ৩৭ হাজার শিক্ষকের ব্যক্তিগত ও পেশাগত তথ্য চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।চলতি বছরের জানুয়ারিতে যোগদান করা শিক্ষকদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তথ্য অনলাইনে ইনপুট দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) অধিদপ্তরের তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের (আইএমইডি) পরিচালক মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জরুরি এসব তথ্য চাওয়া হয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষকদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), শিক্ষাগত যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ, অধ্যয়নরত সন্তানের সংখ্যা, বৈবাহিক অবস্থা ও চাকরির তথ্য প্রাইমারি এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (পিইএমআইএস) সফটওয়ারে এন্ট্রি/হালনাগাদ করতে বলা হয়েছে। অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষকদের এপ্রিলের বেতন পরিশোধ করতে নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে। দ্রুত সমাধান করতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে নিয়োগকৃত সহকারি শিক্ষকদের ব্যক্তিগত তথ্য এনআইডি, শিক্ষাগত যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ, অধ্যয়নরত সন্তানের সংখ্যা, বৈবাহিক অবস্থা, চাকরির যাবতীয় তথ্য আইবাস প্লাস প্লাসে মাসিক বেতন প্রাপ্তির নিমিত্ত পিইএমআইএস সফটওয়ারে এন্ট্রি/ হালনাগাদ করা আবশ্যক। তাই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পিইএমআইএস সিস্টেমে শিক্ষকদের যাবতীয় তথ্যাবলী এন্ট্রি/হালনাগাদ করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি যোগদানের আড়াই মাস পর বেতন-ভাতা পান ৩৭ হাজার শিক্ষক। আইবাস প্লাস প্লাসের সঙ্গে শিক্ষকদের তথ্যের মিল না থাকায় এসব শিক্ষকদের বেতন ভাতা আটকে থাকে আড়াই মাস। বিষয়টি গণমাধ্যমে আসার পর প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর এ নিয়ে কাজ শুরু করে।

বিষয়টি নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসে প্রাথমিক মন্ত্রণালয়। ঈদের আগে শিক্ষকরা জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চের বেতন এবং ঈদ বোনাস পায়। এপ্রিলের বেতন তৈরি করতে গিয়ে একই জটিলতা তৈরি হয়েছে। এ জন্য শিক্ষকদের তথ্য ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সফটওয়্যারে আপলোড দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


সর্বশেষ সংবাদ