পদ্মায় বুয়েট শিক্ষার্থীর মৃত্যু: প্রতিবেদন পিছিয়ে ১২ মে

তারিকুজ্জামান সানি
তারিকুজ্জামান সানি  © ফাইল ছবি

ঢাকার দোহারের মৈনট ঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে ধাক্কা দিয়ে ফেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী তারিকুজ্জামান সানির মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১২ মে দিন করেছেন আদালত।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মুজাহিদুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের এ দিন ধার্য করেন।

বুধবার মামলাটিকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কুতুবপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। তাই বিচারক প্রতিবেদন দাখিলের এদিন ঠিক করেন।

এ মামলার ১৫ আসামি হলেন, শরীফুল হোসেন, শাকিল আহম্মেদ, সেজান আহম্মেদ, রুবেল, সজীব, নুরজামান, নাসির, মারুফ, আশরাফুল আলম, জাহাঙ্গীর হোসেন লিটন, নোমান, জাহিদ, এটিএম শাহরিয়ার মোমিন, মারুফুল হক মারুফ ও রোকনুজ্জামান ওরফে জিতু।

২০২২ সালের ১৪ জুলাই স্থানীয় বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যান বুয়েট শিক্ষার্থী সানি। এ সময় তিনি পদ্মা নদীতে নিখোঁজ হন। পরে তার সঙ্গে থাকা বন্ধুরা ট্রিপল নাইন নম্বরে ফোন করে সানির নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ ফায়ার সার্ভিসকে জানায়। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল পরদিন সকালে পদ্মা নদী থেকে সানির মরদেহ উদ্ধার করে।

তবে দুর্ঘটনা নয়, বন্ধুরা পরিকল্পিতভাবে পদ্মা নদীতে সানিকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা করেছে, এমন অভিযোগে তার বড় ভাই হাসানুজ্জামান বাদী হয়ে শুক্রবার দোহার থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় সানির সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া ১৫ জনকে আসামি করা হয়। পরে পুলিশ ওই ১৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করে৷

বুয়েটের স্থাপত্যবিদ্যা বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন সানি। গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর হলেও তিনি রাজধানীর হাজারীবাগে থাকতেন।


সর্বশেষ সংবাদ