শেকৃবিতে ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে প্রশাসনের বাধার অভিযোগ
- শেকৃবি প্রতিনিধি
- প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৭:৫৭ PM , আপডেট: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৭:৫৭ PM

রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী প্রকাশনা উৎসবে বাধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, পূর্বঘোষিত ১৯-২০ ফেব্রুয়ারি দুইদিনের অনুষ্ঠানে প্রথম দিন আজ বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় দিনের জন্য অপেক্ষা না করে স্টলগুলো তুলে দিতে বলে প্রশাসন। অন্যথায়, স্টল গুঁড়িয়ে দেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়।
আজ বিকাল ৫টার সময় অনুষ্ঠানে এসে এসব কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক, প্রক্টর এবং সহকারী প্রক্টর।
জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আজ থেকে শুরু হওয়া এই প্রকাশনা উৎসবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহল থেকে আপত্তি উঠেছে বলে জানান ছাত্র পরামর্শক অধ্যাপক ড. আশাবুল হক। তাদের অভিযোগ, এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ক্যাম্পাসে অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে এবং শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে।
এদিকে, প্রশাসনের এ আয়োজনের অনুমতি না দিলেও অনুষ্ঠান আয়োজনে কোনো বাধা দেয়নি। এক্ষেত্রে সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া বুঝে তারা দেখবেন বলে জানান। তবে, উৎসবের প্রথম দিন শেষ হওয়ার পর স্টলগুলো তুলে দেওয়ার জন্য বলা হয়।
ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রকাশনা উৎসবটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজিত হচ্ছে এবং এতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্য নেই। তারা আরও দাবি করেন, প্রকাশনা উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাঝে সৃজনশীলতা ও সাহিত্যচর্চার প্রসার ঘটবে।
এ নিয়ে শেকৃবি ছাত্র শিবিরের সভাপতি আবুল হাসান বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের জন্য একটি প্রকাশনা উৎসব করেছি। যা আমরা দীর্ঘদিন যাবত পরিকল্পনা করেছি এবং প্রশাসনের মৌন সম্মতিতে করেছি। ২১ ফেব্রুয়ারি আয়োজন বিবেচনায় রেখে আমরা অনুষ্ঠানটি শহিদ মিনারের পাশে থেকে সরে টিএসসির সামনে আনি। পাশাপাশি রাত ৮টার মধ্যে সব কার্যক্রম শেষসহ স্থানটি আগের মতো পরিচ্ছন্ন করে রাখারও কথা দিয়েছি।
প্রকাশনা উৎসবে বাধা দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আশাবুল হক বলেন, বাধা না, আমরা তাদের রিকুয়েস্ট করেছি যেন তারা অনুষ্ঠানটি ছোট করে। সম্ভব হলে আজকে রাতের মধ্যে শেষ করতে। দেশের পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং ২১ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রস্তুতির বিষয় চিন্তা করে এমনটা বলা হয়েছে। তারা না শুনলে আমাদের আপাতত কিছু করার নাই তবে পরবর্তী এ বিষয়ে তাদের সাথে প্রশাসন বসে কথা বলবে।