গুচ্ছে ভর্তি আবেদন শুরু

ভর্তির সুযোগ
জুম মিটিংয়ে উপস্থিত গুচ্ছ কমিটির সদস্যবৃন্দ  © ফাইল ছবি

দেশের ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন শুরু হয়েছে। বুধবার (১৫ জুন) বেলা ১২টায় এই প্রক্রিয়ায় আবেদন শুরুর উদ্বোধন করা হয়। আগামী ২৫ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ চলবে।

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষার আবেদন প্রক্রিয়ার উদ্বোধন উপলক্ষে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জুম-এ এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে গুচ্ছ পদ্ধতির টেকনিক্যাল সাব-কমিটি। ওই কমিটির প্রধান এবং চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. নাছিম আখতারের সভাপতিত্বে বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে শুরু হয়  অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেটের হযরত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং গুচ্ছভুক্ত পদ্ধতির সভাপতি (দায়িত্বে) ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এবং জিএসটি’র যুগ্ম আহ্বায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ইমদাদুল হক।

অনুষ্ঠানে প্রফেসর ড. মো. নাছিম আখতার বলেন, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি লাঘব এবং সময় বাঁচাতে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা মাত্র একটি আবেদনের মাধ্যমেই ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। শিক্ষার্থীরা www.gstadmission.ac.bd ওয়েবসাইটে ঢুকে আবেদন ফরম পূরণ করে এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জিএসটি’র সভাপতি (দায়িত্বে) বলেন, এ বছর ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াও ভর্তি কার্যক্রমসহ সব কিছু কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত হবে। শিক্ষার্থীদের শুধু একবারই টাকা দিতে হবে। পাশাপাশি ১০০ নাম্বারের ভর্তি পরীক্ষায় ৩০ নাম্বারে পাস নাম্বার নির্ধারণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে জিএসটি’র যুগ্ম আহ্বায়ক ইমদাদুল হক বলেন, আজ থেকে গুচ্ছভুক্ত দেশের স্বনামধন্য সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবেদন শুরু হলো। শিক্ষার্থীরা শুধুমাত্র একটি আবেদনের মাধ্যমেই ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও ভর্তির সুযোগ পাচ্ছেন। এতে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ ও ভোগান্তি কমে যাবে। আগে যেখানে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে গিয়ে তাদের অর্থ ও সময় নষ্ট হত, এখন আর তেমনটা হওয়ার সুযোগ নেই। তারা এখন প্রস্তুতির জন্য আরও বেশি সময় পাবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়; ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়; খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়; কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়; জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়; বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর; বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়; রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়; বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়; শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়; শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ এবং চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।


x