পরীক্ষার মাত্র ১১ দিন: এইচএসসিতে ভালো করতে শেষ মুহূর্তের ১০ টিপস

২৬ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৩৭ AM , আপডেট: ২৬ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৩৭ AM
পরীক্ষার হল

পরীক্ষার হল © সংগৃহীত

আগামী ২৬ জুন শুরু হচ্ছে ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এ সময়ে এসে অনেক শিক্ষার্থী দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভোগে— কোনটা আগে পড়বে, কীভাবে রিভিশন দেবে, কতক্ষণ পড়া উচিত ইত্যাদি। তাই শেষ মুহূর্তে কার্যকর প্রস্তুতির জন্য নিচের ১০টি পরামর্শ অনুসরণ করলে পরীক্ষার হলে আত্মবিশ্বাস থাকবে দ্বিগুণ।

প্রস্তুতি শুরু করুন খুব সকালে
সকালের সময়টা সবচেয়ে শান্ত ও মনোযোগ বৃদ্ধিকারী। সকালবেলা পড়লে মন ভালো থাকে এবং পড়া মস্তিষ্কে দীর্ঘসময় ধরে থাকে। শেষ মুহূর্তে রাতজাগার চেয়ে সকালে উঠে পড়া অধিক ফলপ্রসূ। এক্ষেত্রে প্রতিদিন ভোর ৫টা থেকে ৭টার মধ্যে আপনার প্রথম স্টাডি সেশন শুরু করার চেষ্টা করুন। যেসব অধ্যায় কঠিন মনে হয়, সেগুলো সকালবেলা পড়লে তা সহজভাবে আত্মস্থ করা সম্ভব।

রিভিশনের জন্য চাই নির্দিষ্ট রুটিন
শেষ সময়ের প্রস্তুতি যেন এলোমেলো না হয়, তাই একটি সুস্পষ্ট রিভিশন রুটিন তৈরি করুন। কোন বিষয়ে কোন দিন কোন অধ্যায় পড়বেন তা আগে থেকে ঠিক রাখলে সময় বাঁচে এবং পরিকল্পনায় গতি আসে।

বিষয়ভিত্তিক অগ্রাধিকার
সব বিষয় একভাবে রিভিশন করা উচিত নয়। যেসব বিষয়ে আপনি তুলনামূলক দুর্বল, সেগুলোতে বেশি সময় দিন। মাল্টিপল চয়েজ বা সৃজনশীল প্রশ্ন—বুঝে প্রস্তুতি নিন।

ছোট ছোট ভাগে পড়ুন
একসাথে দীর্ঘ সময় ধরে পড়ার চেয়ে ২৫-৩০ মিনিট পড়া এবং ৫ মিনিট বিরতি নেওয়া বেশি কার্যকর। এতে মনোযোগ বাড়ে এবং স্মৃতিতে পড়া বসে যায়।

নিজেকে যাচাই
নিজেকে যাচাইকরণ অবশ্যই তথ্য-উপাত্ত মনে রাখার অন্যতম কার্যকর উপায়, এমনটাই বলেছেন মনোবিজ্ঞানী এবং স্নায়ুবিজ্ঞানীরা। এর ফলে কোনোকিছু মুখস্থ করার চেয়ে তা বোঝা অনেক বেশি সহায়ক হয়, এবং সেটা আপনার জ্ঞানের কোন ফাঁক-ফোকর থাকলে তা অনুধাবন করতে সুযোগ দেয়। রিভিশন সেশন শেষ হলে প্রশ্নোত্তর অনুশীলন কিংবা নিজেকে কুইজ করার মধ্য দিয়ে যাচাই করা সম্ভব।
এখানে আরেকটি বিষয় না বললেই নয়। আপনি যা পড়েছেন, সেটা যদি কঠিন হয় তবে তা কাউকে বোঝানোর চেষ্টা করুন—বন্ধু, ছোট ভাইবোন বা এমনকি দেয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে। এতে বিষয়টি আপনার মাথায় আরও পরিষ্কারভাবে বসবে।

সংক্ষিপ্ত নোট তৈরি করুন
মূল বই বা গাইড বইয়ের বদলে নিজের লেখা ছোট ছোট নোট বা ফ্ল্যাশ কার্ড ব্যবহার করুন। এতে রিভিশন দ্রুত হয় এবং ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনাও কমে।

বিগত বছরের প্রশ্ন সমাধান
গত কয়েক বছরের বোর্ড প্রশ্ন অনুশীলন করলে প্রশ্নের ধরণ বুঝে প্রস্তুতি নেওয়া সহজ হয়। এতে পরীক্ষা সামনে থাকলেও ভয় কমে যায়।

পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিন
কম ঘুম ও অতিরিক্ত মানসিক চাপ আপনার প্রস্তুতির বড় ক্ষতি করতে পারে। প্রতিদিন অন্তত ৬-৭ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করুন। পর্যাপ্ত বিশ্রাম মন ও শরীর—দু’টোকেই সতেজ রাখে।

ইতিবাচক থাকুন, আত্মবিশ্বাস বজায় রাখুন
শেষ সময়ের চাপে ভেঙে পড়বেন না। মনে রাখবেন, আপনি অনেকটাই প্রস্তুত। নেতিবাচক চিন্তা বাদ দিন, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রস্তুতি নিন। আত্মবিশ্বাসই আপনার সেরা সঙ্গী।

অ্যাম্বিভার্ট আসলে কারা? যেভাবে চিনবেন
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
টেলিটকের জেন জি সিম কেনার অফারের মেয়াদ বাড়ল ৭ দিন
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
চাঁদ দেখা কমিটির সভা কাল
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রতিবন্ধিতা জয় করে জিপিএ-৫, ইয়াসিরের ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নে…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, প্রেমিককে পাঠানো মেসেজের স…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ না পেয়ে ছাত্রদল নেতা…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬