সামাজিক ও ছাত্রসংগঠনের প্রতিনিধিদের সম্মানে জবি শিবিরের ইফতার আয়োজন
- জবি কন্ট্রিবিউটর
- প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৫, ০৪:৩৬ PM , আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২৫, ০৪:৩৬ PM

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনের প্রতিনিধিদের সম্মানে ইফতার আয়োজন করেছে শাখা ছাত্রশিবির। এ সময় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার দেওয়া হয়। সোমবার (২৪ মার্চ) বিকেলে পুরান ঢাকার লক্ষীবাজারে চায়না হল রেস্টুরেন্টে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জবি শাখা শিবিরের সেক্রেটারি রিয়াজুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অধিকার পরিষদ, প্রেসক্লাব, সাংবাদিক সমিতি, রিপোর্টার্স ইউনিটি, হিউম্যান রাইটস সোসাইটি, ডিবেটিং সোসাইটি, রোভার স্কাউট, ফটোগ্রাফিক সোসাইটি, আবৃত্তি সংসদ, ব্যান্ড মিউজিক অ্যাসোসিয়েশনসহ আরও বিভিন্ন সংগঠনের সভাপতি ও সেক্রেটারি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রতিনিধিরা জবি শাখা ছাত্রশিবিরের ভালো উদ্যোগসমূহের প্রশংসা করেন এবং পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জবি শাখার আহ্বায়ক মাসুদ রানা বলেন, ‘ছাত্রশিবির সবসময় ইতিবাচক ভূমিকা রেখে এসেছে। জুলাই অভ্যুত্থানে যখন প্রতিকূল পরিবেশ বিরাজমান ছিল, তখন শিবিরের ভূমিকা ছিল অপরিসীম। আমরা যারা আন্দোলনের সময় মাঠে কাজ করেছি এবং বিপদের সম্মুখীন হয়েছি, তখন জবি ছাত্রশিবির আমাদের সাহায্য করেছে। এমনকি আমি নিজেও শিবিরের অফিসে থেকেছি।’
ডিবেটিং সোসাইটির সেক্রেটারি মেহেদী হাসান বলেন, ‘ ছাত্রশিবিরের উচিত ক্যাম্পাসে সাংস্কৃতিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক বিষয়গুলোর ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া। যাতে করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জাতীয় মানের বুদ্ধিজীবী তৈরি হতে পারে। এজন্য ক্যাম্পাসে নিয়মিত জাতীয় মানের বিতর্ক আয়োজন একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হতে পারে।’
আবৃত্তি সংসদের সেক্রেটারি শিউলি আক্তার বলেন, ‘জবি শিবির যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে, আমরা চাই আপনারা সেভাবেই কাজ করে যান। আপনাদের ভালো কাজগুলো চলমান থাকবে বলে প্রত্যাশা করি।’
জবি শাখা শিবিরের সভাপতি আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিছুদিন আগে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য জবি শিবির কিছু করে না বলে জবির এক নারী সাংবাদিক প্রশ্ন তুলেছিলেন,
কেউ একজন অভিযোগ তুলেছিলেন। পরবর্তীতে আমরা জবি ছাত্রী হলে ৬০০ নারী শিক্ষার্থীর জন্য ইফতারের ব্যবস্থা করেছি। আমরা আপনাদের দেওয়া পরামর্শের আলোকে কাজ করে থাকি, ভবিষ্যতেও করব ইন শা আল্লাহ।’