বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে চুরির ঘটনায় গ্রেফতার ২

পুলিশের হাতে আটক শ্রী মানিক মোহন্ত-ফরহাদ
পুলিশের হাতে আটক শ্রী মানিক মোহন্ত-ফরহাদ  © টিডিসি ফটো

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ড.ওয়াজেদ রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং ইনিস্টিটিউটে প্রহরিকে বেধেঁ রেখে চুরির ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ২ জনকে গ্রেফতার করেছে রংপুর তাজহাট মেট্রোপলিটন থানা পুলিশ। এসময় একটি পানির পাম্প উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার (১৪ জুলাই) বেরোবি পুলিশ ক্যাম্প এর উপ-পরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান খান মারুফ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ড.ওয়াজেদ রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং ইনিস্টিটিউশনে চুরি হওয়ায় তাজহাট থানায় গত ১১ জুলাই মামলা রুজু হয়। এরপর তাঝহাট থানা ওসি মহোদয়ের নেতৃত্বে আমরা বেশ কয়েকটি অভিযান পরিচালনা করেছি। এতে চুরির সঙ্গে জড়িত চকবাজার পশ্চিমপাড়া এলাকার আব্দুল জলিল মিয়ার ছেলে ফরহাদকে গ্রেফতার করা হয়।

আরও পড়ুন: বেরোবিতে নৈশ প্রহরীকে বেঁধে মূল্যবান সামগ্রী চুরি

এদিকে খামার মোড় এলাকা থেকে থেকে শ্রী মানিক মোহন্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া হাফ হর্সের পানির পাম্প উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী অন্যান্য মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। আর আসামিদের বিচারের জন্য আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ৩ জুলাই (মঙ্গলবার) রাত সাড়ে ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচীর টপকে চুরির উদ্দেশ্যে নির্মানাধীন রিসার্চ ইনিস্টিটিউট ও ট্রেনিং সেন্টারে প্রবেশ করে রংপুরের স্থানীয় কয়েকজন বখাটে। বিষয়টি বুঝতে পেরে চিৎকার শুরু করে নৈশ প্রহরী হোসেন। তখন নৈশ প্রহরী হোসেন কে বেধে রেখে পানির পাম্প, ৬০০ মিটার রুপসের তার ও অন্যান্য মালামাল চুরি করে পালিয়ে যায় বখাটেরা। পরদিন পুলিশ গিয়ে প্রহরীর বাধন খুলে দেয়। এ ঘটনায় বাদি হয়ে রংপুর তাজহাট মেট্রো পলিটন থানায় মামলা দায়ের করেন নৈশ প্রহরী হোসেন।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সলের শুরুর দিকে শেখ হাসিনা হল ও ড. রিসার্চ ইনিস্টিটিউট ভবন নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে ভবন নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর বিশ্ববিবদ্যালয় প্রশাসনের যথাযথ তদারকির অভাবে নির্মানাধীন ভবন গুলো থেকে নিয়মিত চুরি হওয়া শুরু হয়। ইতোমধ্যে ভবনগুলো থেকে গুরুত্বপূর্ণ কয়েক লক্ষ টাকার মালামালের কোন হদিস নেই।


সর্বশেষ সংবাদ