৪ বছরের প্রকল্পের ৩ বছর শেষ, ‘সিস্টেম লসে’ অগ্রগতি মাত্র ৬ শতাংশ
সারাদেশের ১০ মেডিকেল কলেজের ছাত্রছাত্রীদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ১৯ হোস্টেল ভবন নির্মাণ প্রকল্পের ৪ বছরের মধ্যে ৩ বছর শেষ হচ্ছে চলতি মাসে। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া প্রকল্পটি আগামী বছরের জুনে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এ পর্যন্ত প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি ৬ দশমিক ৫ শতাংশ। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, আওয়ামী লীগের শেষ সময়ে নেওয়া প্রকল্পটির নির্মাণকাজ ধাপে ধাপে শুরু হয়েছে গত বছরের জুনে। অবশ্য কাজ শুরুর পর এক বছরে ভৌত অগ্রগতি দাঁড়িয়েছে ১৫ শতাংশে।
এ ছাড়া প্রায় শেষ দিকে এসে কিছু রদবদল আনা হচ্ছে প্রকল্পটিতে। অপর একটি প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ হতে থাকায় কুমিল্লা ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজের দুটি হোস্টেল এই প্রকল্প থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এ দুটি হোস্টেলের জায়গায় যুক্ত হচ্ছে ঢাকা মেডিকেল কলেজের দুটি হোস্টেল। এর নীতিগত অনুমোদন হয়েছে। একই সঙ্গে এই প্রকল্পে যুক্ত হচ্ছে বগুড়ার শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজের একটি ছাত্রী হোস্টেল।
পরিবর্তনের ফলে ১০ মেডিকেলের ১৯ হোস্টেল প্রকল্প দাঁড়াচ্ছে ১১ মেডিকেলের ২০ হোস্টেলে। একই সঙ্গে এর মেয়াদ ও ব্যয়ের আকারও বাড়ছে। যেখানে ১ হাজার ৪২৮ কোটি ৭৫ লক্ষ ৩১ হাজার টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়ন হতে যাওয়া এই প্রকল্প ২০২৭ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা, সেখানে ১ হাজার ৪৭১ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব করছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর। খুব দ্রুত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি-একনেকে সংশোধিত এই প্রকল্পের অনুমোদন নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, পুরোনো ৮ মেডিকেলসহ ১০টি মেডিকেল কলেজের আবাসন সংকট নিরসনে ২০২৩ সালে ১৯টি হোস্টেল নির্মাণের উদ্যোগ নেয় তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। এর মধ্যে রয়েছে ১০টি ছাত্রী এবং ৯টি ছাত্র হোস্টেল। প্রাথমিকভাবে ৪ হাজার ৩৯৬ ছাত্রী এবং ৪ হাজার ৫১২ ছাত্রের আবাসনের ব্যবস্থার পরিকল্পনা ছিল। অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত আবাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করে সুষ্ঠু পড়াশোনার পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে মানসম্মত চিকিৎসক সৃষ্টি করতে সম্পূর্ণ সরকারের অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।
দুই বছর পর ১৭ হোস্টেলের নির্মাণ কাজ শুরু
২০২৩ সালের প্রকল্পটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০২৫ সালের জুন মাসে। মূলত ২০২৩ সালের এই প্রকল্পে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দিতেই এক বছর সময়ক্ষেপণ করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। এর মধ্যে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হলে প্রাথমিকভাবে বড় প্রকল্পগুলো থমকে যায়। পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম ধাপে ধাপে এই প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরুর অনুমতি দেন।
তথ্য বলছে, নির্মাণকাজ শুরু হওয়া ১৭টি হোস্টেলের মধ্যে প্রথম ধাপে ৭টির কাজ শুরু হয় ২০২৫ সালের জুনে। ওই বছরের জুলাইয়েও দুটির কাজ শুরু হয়। এ ছাড়া ওই বছরের সেপ্টেম্বরে একটি এবং নভেম্বরে কাজ শুরু হয় ৫টি হোস্টেলের। এরপর দুটির কাজ শুরু হয় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে।
আরও পড়ুন: ২ বছর ধরে ‘দখল’ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলের ইন্টার্ন হল, গণরুমে শোচনীয় হাল শিক্ষার্থীদের
নির্মাণকাজ শুরু হতে বিলম্বের কারণ জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা) ডা. মো. মাছুদুর রহমান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, প্রজেক্টটা ছিল ৪ বছরের। কিন্তু ৪ বছরের মধ্যে আমাকে পিডি (প্রকল্প পরিচালক) নিয়োগ দিয়েছে এক বছর পরে। এরপরে কাজ করতে গিয়ে দেখি পারমিশন দিচ্ছে না। আবার ৫ আগস্টের পরে বিভিন্ন ইস্যু তৈরি হচ্ছিল। অর্থ বরাদ্দ হচ্ছিল না। এভাবে ৪ বছরের মধ্যে দুই বছর চলে গেছে। গত বছর অনুমতি মেলে, সেটিও ধাপে ধাপে।
কাজ শুরুর পর অগ্রগতি ‘ভালো’
বিলম্বে কাজ শুরু হলেও নির্মাণ কাজ শুরুর পর বেশ ভালো অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে প্রথম ধাপে নির্মাণ শুরু হওয়া ভবনগুলোর কোনো কোনোটি ৩০ শতাংশের ওপর সম্পন্ন হয়েছে। নির্মাণ শুরুর পর এ পর্যন্ত ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ-অগ্রগতি হয়েছে ১৫ শতাংশ। তবে আরএডিপির মূলধন অনুযায়ী ৫৪ শতাংশ আর্থিক অগ্রগতি হলেও পুরো প্রকল্পের মোট অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ৬.৫ শতাংশ।
গত মে পর্যন্ত অগ্রগতির তথ্য যাচাই করে দেখা গেছে, এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি হয়েছে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ছাত্র হোস্টেলের। ১৫ তলা বিশিষ্ট এই হোস্টেলের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে গত বছরের ২৩ জুন। এ পর্যন্ত এই ভবনের ৩৬ শতাংশ নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। ভিত্তি দাঁড়িয়েছে চতুর্থ তলা পর্যন্ত। একই সময়ে কাজ শুরু হওয়া খুলনা মেডিকেল কলেজের ৬ তলা ছাত্রী হোস্টেলের কাজ হয়েছে ৩১ শতাংশ।
এ ছাড়া রংপুর মেডিকেল কলেজের ১৩ তলা ছাত্র হোস্টেল এবং দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের ১১ তলা ছাত্র হোস্টেলের ১৯ শতাংশ, খুলনা মেডিকেল কলেজের ৮ তলা ছাত্র হোস্টেলের ১৭ শতাংশ এবং রংপুর মেডিকেল কলেজের ১৪ তলা ছাত্রী হোস্টেলের ১১.৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে।
১০ শতাংশের নিচে রয়েছে ১১টি হোস্টেলের কাজ। এর মধ্যে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের ১১ তলা ছাত্রী হোস্টেল ৯.৫ শতাংশ, সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের দুটি ১২ তলা ছাত্রী হোস্টেল ৯ শতাংশ, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের ১৩ তলা ছাত্রী হোস্টেল ৭ শতাংশ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ৮ তলা ছাত্রী হোস্টেল ৬.৫ শতাংশ, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের ১৫ তলা ছাত্র হোস্টেল ও সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের ১২ তলা ছাত্রী হোস্টেল ৬ শতাংশ, বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ১০ তলা ছাত্র হোস্টেল ও ১২ তলা ছাত্রী হোস্টেল এবং সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের ১০ তলা ছাত্র হোস্টেল ৫ শতাংশ করে নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে।
এখনও পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের ১৫ তলা ছাত্র হোস্টেল এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ১৫ তলা ছাত্র হোস্টেলের নির্মাণ কাজের তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি। এর মধ্যে সলিমুল্লাহ মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেলের কাজ শুরু হয় চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি, আর চট্টগ্রামে গত বছরের ১৭ নভেম্বর।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পের শুরুতেই নির্মাণকাজ শুরু করা গেলে মেয়াদের মধ্যেই এটি শেষ করা যেত। কিন্তু প্রকল্প পরিচালক নিয়োগে ধীরগতি এবং পরবর্তী রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে নির্মাণকাজ পিছিয়ে যাওয়ায় মেডিকেলের আবাসন সংকট থেকে কাঙ্খিত সুফল মিলতে আরও অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
অন্য প্রকল্পের দুটি হোস্টেল দেখানো হয়েছিল এই প্রকল্পে, শেষ সময়ে হচ্ছে রদবদল
আওয়ামী লীগের শেষ সময়ে নেওয়া এই প্রকল্পটিতে রাজশাহী ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের দুটি ছাত্রী হোস্টেল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। তবে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে সেখানে অন্য প্রকল্পে নির্মাণাধীন হোস্টেল পায়, যা ইতোমধ্যে প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। চতুর্থ সেক্টর প্রোগ্রামের আওতায় রাজশাহী ও কুমিল্লার ওই দুটি হোস্টেল নির্মাণ করছে গণপূর্ত অধিদপ্তর।
এ অবস্থায় ওই হোস্টেল দুটি বাদ দিয়ে প্রকল্পটিতে কিছু রদবদল আনা হচ্ছে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ১৯ হোস্টেল প্রকল্প থেকে রাজশাহী ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের পরিবর্তে ঢাকা মেডিকেল কলেজের অভ্যন্তরে দুটি ছাত্রী হোস্টেল নির্মাণের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঢামেকের মিলন অডিটোরিয়ামের পাশের খোলা স্থান এবং ডা. ফজলে রাব্বি হলের সামনের পরিত্যক্ত ভবনটিকে এই দুটি হোস্টেলের সম্ভাব্য স্থান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) সংশোধনের জন্য প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে, যা অনুমোদনের প্রক্রিয়াধীন।
এদিকে গত ২৩ এপ্রিল প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় বর্তমান প্রকল্পটির আওতায় বগুড়ার শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজে ছাত্রীদের জন্য একটি হোস্টেল নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ ছাড়া ১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির (পিএসসি) সভায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ছাত্র হোস্টেল নির্মাণের ক্ষেত্রে ডিপিপিতে সংস্থানকৃত অর্থের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে এবং হোস্টেলের কোনো ফ্যাসিলিটি কর্তন ছাড়াই ছাত্র হোস্টেলের আর্কিটেকচারাল প্ল্যান বা লে-আউট পরিবর্তন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: শিক্ষকের ‘শাসনে’ বিপর্যস্ত মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য
হোস্টেল নির্মাণ প্রকল্প সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মাজহারুল ইসলাম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, প্রকল্পটির নাম এখন ২০ হোস্টেল প্রকল্প হচ্ছে, এর ডিপিপি রিভাইজ করে দ্রুত একনেকে পাঠানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১৭টির কাজ চলছে। এ পর্যন্ত কোনো কোনো ভবন ৪ থেকে ৫ তলা সম্পন্ন হয়েছে। চলতি বছরেই এগুলো সম্পন্ন হতে পারে।
তিনি বলেন, এই প্রকল্পে রাজশাহী ও কুমিল্লার দুটি হোস্টেল বাদ দিয়ে ঢাকা মেডিকেলের দুটি হোস্টেল যুক্ত করা হচ্ছে। এর নীতিগত অনুমোদন হয়েছে। আশা করছি, আগামী ১-২ মাসের মধ্যে এখানেও কাজ শুরু করা যাবে।
প্রকল্প পরিচালক ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা) ডা. মো. মাছুদুর রহমান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ৪ বছরের মধ্যে দুই বছর আগেই নষ্ট হয়েছে। এরপর নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গত বছর ধাপে ধাপে কাজ শুরু হয়েছে। প্রায় এক বছর ধরে কাজ হচ্ছে। এখন প্রোগ্রেস ভাল।
শেষ সময়ে রদবদল প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কুমিল্লা এবং রাজশাহীতে ফিমেল হোস্টেল করতে গিয়ে দেখি ওই দুটির জায়গায় অলরেডি কাজ হচ্ছে। মূলত অপারেশন প্ল্যানের থোক বরাদ্দ থেকে চাহিদার ভিত্তিতে ওই দুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল। হয়তো প্রজেক্ট তৈরির সময় প্রিন্সিপালরা জানতেন না, প্রজেক্ট যারা বানিয়েছেন তাদেরও ইনফর্ম করেননি। পরে এটা আমরা ঢাকা মেডিকেলের সঙ্গে সমন্বয় করেছি।
আরও পড়ুন: বন্ধ হচ্ছে না আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ, চুক্তি করতে হবে অন্য বেসরকারি মেডিকেলের সঙ্গে
নতুন যুক্ত হতে যাওয়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেলের হোস্টেল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই প্রকল্পটি আলাদা করে দেওয়া হয়েছিল। তবে এতে দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়াতে যেতে হবে। নতুন করে একনেক, পিডি নিয়োগসহ দুই বছর লেগে যাবে। জরুরি হওয়ায় দ্রুত করার জন্য আমাদের প্রজেক্টের সাথে যোগ করে দেওয়া হয়েছে। এই তিনটি হোস্টেলের কারণে সমস্ত ডিপিপি কারেকশন করে আবার একনেকে নিতে হবে। আমরা এবারের পরের একনেকটা ধরতে চাচ্ছি।
প্রকল্প পরিচালক আরও বলেন, প্রকল্পের মূল মেয়াদের মধ্যে দুয়েকটি হোস্টেল নির্মাণ শেষ হতে পারে। তবে নতুন করে প্রজেক্ট অ্যাড হওয়ায় আমরা এর মেয়াদ বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছি।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমরা কাজ শুরু করতে পেরেছি দেরিতে। তবে কাজ শুরুর পর বেশ ভালো অগ্রগতি হয়েছে। এই হোস্টেলগুলো নির্মাণ শেষ হলে আমাদের মেডিকেল শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসন সম্ভব হবে।