হাসিনা পতনের ৫৮৪ দিন পর কাল বসছে কাঙ্খিত জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন
গণ-অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকার ও ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের ৫৮৪দিন পর অবশেষে বহুল কাঙ্ক্ষিত জাতীয় নির্বাচনের পর ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামীকাল বৃহস্পতিবার বসতে যাচ্ছে। এদিন শেরেবাংলা নগরের জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে অধিবেশন আহ্বান করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বেলা ১১ টায় অধিবেশন বসবে।
বৈঠকের শুরুতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পদে নির্বাচন হবে। সংসদের প্রথম অধিবেশন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভাষন দেবেন। জাতীয় সংসদে স্পিকার পদে কেউ না থাকায় আগামীকাল স্পিকারের চেয়ার খালি রেখে অধিবেশনের কার্যক্রম শুরু হবে।
এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়নের দায়িত্ব সংসদ নেতা তারেক রহমানের ওপর অর্পন করেছেন সরকার দলীয় সংসদ সদস্যরা। আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের নবম তলায় বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় সংসদ সদস্যরা এই দায়িত্ব সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপর অপর্ণ করেছেন বলে জানিয়েছেন সংসদের প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।
তিনি বলেন, সংসদীয় দলের সভায় স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে আলোচনা হয়েছে। আমরা সংসদীয় দল সিদ্ধান্ত দিয়েছি, মাননীয় সংসদ নেতা স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার মনোনয়ন নির্ধারিত করবেন। এই পদে কে কে আসবেন তা আগামীকালকে (বৃহস্পতিবার) আপনারা জানতে পারবেন।
আরও পড়ুন : বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি
এর আগে, বুধবার বেলা সোয়া ১১টায় সরকারি দলের সংসদীয় কমিটির সভা হয়। ওই সভায় সভাপতিত্বে করেন সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সংসদের প্রথম অধিবেশনের দিনের কর্মসূচি তুলে ধরে চিফ হুইপ বলেন, সংসদীয় দলের সভায় সংসদ নেতা আজকে একটা দিকনির্দেশমূলক বক্তব্য রেখেছেন। সেটা হচ্ছে সংসদে আমরা কেমন আচরণ করব এবং আমাদের কার্যক্রম কি হবে সে বিষয়ে তিনি একটা কথা বলেছেন। আমাদের কার্যক্রমের বিষয়ে আপনাদের একটা ধারণার জন্য বলছি, সংসদ চিরাচরিত মতো বসবে না। আমাদের যেহেতু পুরনো স্পিকার নাই, ডেপুটি স্পিকার নাই। আমরা সংসদে একটা খালি চেয়ার দিয়ে শুরু করব। একজন কোরআন তেলাওয়াত করবেন। প্রধানমন্ত্রী আমাদের সংসদ নেতা তিনি ঘোষণা করবেন এই সভার সভাপতিত্ব করার জন্য কোন একজন সিনিয়র নেতাকে। তিনি প্রস্তাব করার পর কোনো একজন সমর্থন করবেন। তারপর তিনি সেখানে সভাপতিত্ব করবেন। সেই সভায় আমরা স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত করব।
তিনি বলেন, তারপরে স্পিকার নির্বাচন হওয়ার পরে তিনি আসন গ্রহণ করলে সভাপতিমন্ডলী মনোনয়ন হবে, শোক প্রস্তাব উত্থাপন হবে এবং তা নিয়ে আলোচনা হবে। শোক প্রস্তাবে প্রয়াত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সম্পর্কে আলোচনা হবে। জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে আলোচনা হবে। দেশবরণ্যে ব্যক্তিবর্গ যারা শাহাদাত বরণ করেছেন তাদের নিয়ে আলোচনা হবে।
চিফ হুইপ বলেন, এরপরে ১৩৩টা অধ্যাদেশ উপস্থাপন করা হবে। সেই অধ্যাদেশ গুলো আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান উপস্থাপন করবেন। ২০২৪ সালে কর্মকমিশনের প্রতিবেদন উত্থাপন হবে এবং এরপর সংসদ নেতা বক্তব্য রাখবেন।
তিনি বলেন, সংসদের বিজনেস এডভাইজারি কমিটি, বিশেষ কমিটি, প্রিভিলাই কমিটি, সংসদ কমিটি এসব কমিটিগুলো করার আমরা চেষ্টা করব। যদি কালকে না করা যায় আমরা পরবর্তি দিনে এসব কমিটিগুলো করব।
আরও পড়ুন : স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়াবেন কে, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সংসদে ডেপুটি স্পিকারের পদ বিরোধীদল থেকে দেয়ার প্রস্তুাব নিয়ে আলোচনা হয়েছেন কিনা এবং বিরোধীদল থেকে এ ব্যাপারে কোনো সাড়া পাওয়া গেছে কিনা জানতে চাইলে চিফ হুইপ বলেন, এ ব্যাপারে আমরা এখনো পজিটিভ কোন রেসপন্স পাইনি। রেসপন্স পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
সংসদ উপনেতার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছেন কিনা জানতে চাইলে চিফ হুইপ বলেন, এই বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সংসদ নেতা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন সংসদ উপনেতা হবেন কি হবেন না।
জাতীয় ঐক্যমত্যে কমিশনের জুলাই সদনের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধান হুইপ বলেন, জুলাই সনদের ব্যাপারে আমাদের বক্তব্য অত্যন্ত স্পষ্ট। আমরা শপথ নেইনি। আমরা শপথ নেইনি কারণ এটা সংবিধানে নেই; সেজন্য। সংবিধানে ইনক্লুড করার পরে তারপরে তখন পরবর্তী পরিস্থিতিতে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো।
বিশেষ কমিটিতে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ের জন্য যাবে জানিয়ে চিফ হুইপ বলেন, যেটা লেপস হবে, যেটা গ্রহণ করার তা নিয়ম অনুযায়ী হবে। যেগুলো পাস করার তা আমরা সংসদে পাস করব ইনশাল্লাহ। এগুলো যাচাই-বাছাই করার জন্য আগামীকালের বৈঠকে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হবে। সে কমিটিতে সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দলের সদস্যরাও থাকবেন।
স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করবেন তারেক রহমান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করার ভার সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ছেড়ে দিয়েছে বিএনপির সংসদীয় দল। আজ বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের বৈঠকে সংসদ নেতাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়।
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি এ বিষয়ে বলেন, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমরা সংসদ নেতাকে দায়িত্ব দিয়েছি। সিদ্ধান্ত তিনি দেবেন। আগামীকাল আমরা জানতে পারব।
চিফ হুইপ জানান, শুরুতে একজন পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করবেন। এরপর সংসদ নেতা এই সভায় সভাপতিত্ব করার জন্য কোনো একজন জ্যেষ্ঠ নেতার নাম প্রস্তাব করবেন। কোনো একজন সংসদ সদস্য তা সমর্থন করবেন। তারপর ওই সদস্য (যার নাম প্রস্তাব করা হবে) সভাপতিত্ব করবেন।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে ডেপুটি স্পিকারের পদ নেবে জামায়াত
এদিকে, জুলাই সনদ পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে সংসদের বিরোধীদল ডেপুটি স্পিকারের পদ নেবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার দুপুরে সংসদ ভবনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যদের বৈঠকের পর এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, তারা (সরকারি দল) নন অফিশিয়ালি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, কথা বলেছেন আমরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা চাই, জুলাই সনদের যে সংস্কার প্রস্তাব, সেই প্রস্তাবটা পুরাপুরি বাস্তবায়ন হোক।
তিনি বলেন, এর আলোকে বিরোধীদলের যতটুকু পাওনা, আমরা অতটুকু চাই। বেশি চাই না, ওই প্রস্তাবেই আছে যে একজন ডেপুটি স্পিকার বিরোধীদল থেকে হবেন। আমরা খণ্ডিতভাবে এটা চাচ্ছি না। আমরা চাই প্যাকেজ। আমরা চাই পুরাটাই সেখানে গ্রহণ হোক, বাস্তবায়ন হোক এবং এর ভিত্তিতে আমরা যেন আমাদের ন্যায্য দায়িত্ব পালন করতে পারি।
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভাষণ দেবেন। জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রপতির ভাষণ বয়কটের কোনো সিদ্ধান্ত সভায় নিয়েছে কিনা–তা জানতে চাইলে জবাবে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, হ্যাঁ আমরা অনেক আলাপ আলোচনা করেছি এই ব্যাপারে। কালকে আমাদের ভূমিকা আপনারা দেখবেন। যেমন সূর্য উঠবে, তখন ভাষণ শুনবেন এবং আমাদের ভূমিকা দেখবেন।
সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা কী হবে তা তুলে ধরে জামায়াতের আমির বলেন, আজকে আমরা বিরোধী দলের সমস্ত সংসদ সদস্যরা বসেছিলাম। জাতীয় প্রত্যাশা পূরণে বিরোধীদল হিসেবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে দেশ এবং জাতির জন্য আমাদের ভূমিকা কী হবে এবং সেই ভূমিকা তো আগামীকাল থেকেই শুরু হবে, সে ব্যাপারেই আমরা মূলত পরামর্শের জন্য বসেছিলাম। আমরা কথা বলেছি, মতামত নিয়েছি, পরামর্শ নিয়েছি। আমরা চাই জাতীয় সংসদ দেশ এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর বা অর্থবহ ভূমিকা পালন করুক।
আরও পড়ুন : সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রিত চোখ হারানো জুলাইযোদ্ধা মাহবুব
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমরা ঘোষণা করেছি, বিরোধী দল হিসেবে আমরা একটা দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করতে চাই। সকল ব্যাপারে বিরোধিতা নয়, আবার না বুঝেও কোনো সহযোগিতা নয়। দেশ এবং জাতির কল্যাণে সরকারি দলের গৃহীত সকল সিদ্ধান্ত এবং পদক্ষেপে আমাদের সমর্থন থাকবে, সহযোগিতা থাকবে।
শফিকুর রহমান বলেন, কিন্তু দেশ এবং জাতির ক্ষতি হয় এমন কোনো সিদ্ধান্ত কিংবা পদক্ষেপ নিলে আমরা আমাদের দায়িত্ব সেভাবেই পালন করব। প্রথমে ভুল করলে আমরা ভুল ধরিয়ে দেব, সংশোধনের সুযোগ দেব, পরামর্শ দেব। যদি দেখি পরামর্শে কাজ হচ্ছে না, প্রতিবাদ করব। প্রতিবাদে যদি কাজ না হয় তাহলে জনগণের অধিকারের পক্ষে আমরা শক্ত হয়ে দাঁড়াব। আমরা চাই যে প্রথমটায় কাজ হোক, দ্বিতীয়-তৃতীয়টা-চতুর্থটার কোনো প্রয়োজন যেন না হয়। এটা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করবে সরকারের সদিচ্ছার উপরে, যেহেতু তারা সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল, তারা যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতার বলে কোনো কিছু করতে চান, পারবেন। কিন্তু যদি আলাপ আলোচনার মাধ্যমে যৌক্তিক বিষয়গুলাকে বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন, তাহলে সেটা হবে জাতির জন্য উত্তম।
জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, আমরা আশা করব দুর্নীতি আর দুঃশাসনের করাল গ্রাসে বাংলাদেশ নতুন করে আর পড়বে না। যদিও দুর্নীতি এখনো আমাদের সমাজের প্রবাহিত হচ্ছে। আমরা সবাই জানি। ইতোমধ্যে সরকারের বেশ কিছু পদক্ষেপ জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। আমরা আশা রাখব, জনপ্রত্যাশা সামনে রেখে বিশেষ করে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে সরকার তার কার্যক্রম গ্রহণ করবে, যা জাতি এবং দেশকে উপকৃত করবে।
জাতীয় সংসদ ও গণভোটের ফলাফলের প্রসঙ্গ টেনে শফিকুর রহমান বলেন, আমরা দেশের বৃহত্তর স্বার্থে দুটা ফলাফলই মেনে নিয়েছি। একটি নির্বাচনকে আলাদা করে আরেকটি থেকে দেখার কোনো সুযোগ নেই। এই নির্বাচন দুটি আরেকটি সম্পূরক। প্রথম ফাংশন শুরু হবে নির্বাচিত সদস্যদের সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে এবং তারও কিছু মেয়াদ উল্লেখিত আছে। এই কাজটি সম্পন্ন হওয়ার পরে অটোমেটিক্যালি তারাই আবার সংসদ সদস্য হিসেবে অংশ।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন অধ্যাদেশকে ‘সম্মান দেখিয়ে’ জামায়াত ও শরিক দলের এমপিরা সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আলাদাভাবে শপথ নিয়েছে বলে মন্তব্য করেন শফিকুর রহমান।
আরও পড়ুন : প্রাথমিক প্রতিমন্ত্রীর ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ
কিন্তু বিএনপি যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়নি, সে বিষয়টি তুলে ধরে ডা. শফিক বলেন, আমরা তাদের প্রতি আহ্বান জানাব, আসুন জুলাইকে সম্মান করি। জুলাইকে সম্মান করলে, ২৪ থাকলেই ২৬ হবে। নইলে ২৬ এর অস্তিত্ব থাকে না। ২৪ কে অমান্য অগ্রাহ্য করে পাশ কাটিয়ে ২৬ এ জাতির জন্য কোনো সুখবর নয়।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন এমপিদের শপথ অনুষ্ঠানের পর বিএনপির সংসদীয় দলের প্রথম বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ত্রয়োদশ সংসদের নেতা নির্বাচিত করা হয়। সেদিন বিকালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন তিনি।
৩০০ আসনের জাতীয় সংসদে দুটি আসনের নির্বাচনের ফলাফল স্থগিত রয়েছে এবং প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে একটি আসনের নির্বাচন বাতিল হয়েছে। বাকি ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি, জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি আসন পেয়েছে।
এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণসংহতি আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি করে আসন পেয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জিতেছেন ৭টি আসনে।