কর্মরত শিক্ষকদের ফের দিতে হবে যোগ্যতার প্রমাণ, বসতে হবে পরীক্ষায়
ইন-সার্ভিস শিক্ষকদের টেট নিয়ে বড় নির্দেশিকা দিয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য। ইন-সার্ভিস শিক্ষকদের টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট (টেট) নিয়ে বড় নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে চাকরিরত শিক্ষকদের যোগ্যতা নির্ধারণ ও প্রমাণের জন্য পরীক্ষা আয়োজন করতে পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্রীয় স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে নির্দেশিকায়।
নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, জঞঊ অপঃ, ২০০৯ কার্যকর হওয়ার আগে নিয়োগ পাওয়া এবং চাকরিতে ৫ বছরের বেশি সময় বাকি থাকা ইন-সার্ভিস শিক্ষকদের টিইটি উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক। সুপ্রিম কোর্টের ২৯ মে’র সংশোধিত নির্দেশ অনুযায়ী, এ যোগ্যতা অর্জনের সময়সীমা ৩১ অগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
এছাড়াও যোগ্য শিক্ষকদের পর্যাপ্ত সুযোগ দিতে ছয় মাস অন্তর নিয়মিত টিইটি আয়োজন, সম্ভব হলে বছরে দু’বার পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সময়সীমা আর বাড়ানো হবে না বলেও স্পষ্ট করেছে আদালত। রাজ্যকে দ্রুত পরীক্ষার সূচি ও আয়োজনের রিপোর্ট স্কুল শিক্ষা দফতরে জমা দিতে বলা হয়েছে।
ইন-সার্ভিস শিক্ষকদের টেট উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই রাজ্য স্কুলশিক্ষা দফতরের এই নির্দেশিকা জারি। সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুসরণ করে রাজ্যের ইন-সার্ভিস শিক্ষকদের জন্য শিক্ষক যোগ্যতা পরীক্ষা (টেট) সংক্রান্ত এক গুৰুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি করেছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর।
এ নির্দেশিকার ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্রীয় স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। শিক্ষা অধিকার আইন কার্যকর হওয়ার আগে যেসকল শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছিলেন এবং বর্তমানে যাদের চাকরি জীবন শেষ হতে ৫ বছরের বেশি সময় বাকি রয়েছে, তাদের প্রত্যেকের জন্য টেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীদের আবেদন নিয়ে যে নতুন তথ্য দিল বোর্ড
সুপ্রিম কোর্টের ২৯ মে’র সংশোধিত নির্দেশ অনুযায়ী, ইন-সার্ভিস শিক্ষকদের এ যোগ্যতা প্রমাণের সময়সীমা ২০২৮ সালের ৩১ অগস্ট পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে শীর্ষ আদালত স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, সময়সীমা আর বাড়ানো হবে না।
যোগ্য শিক্ষকরা যাতে নিজেদের প্রমাণ করার পর্যাপ্ত সুযোগ পান, তা নিশ্চিত করতে পর্ষদ ও কমিশনকে কয়েক দফা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তার মধে রয়েছে, প্রতি ছয় মাস অন্তর নিয়মিত টেট আয়োজনের বন্দোবস্ত করতে হবে; সম্ভব হলে বছরে অন্তত দু’বার এই পরীক্ষা নিতে হবে এবং দ্রুত পরীক্ষার সময়সূচি এবং সার্বিক প্রস্তুতি সংক্রান্ত রিপোর্ট স্কুল শিক্ষা দফতরে জমা দিতে হবে।
রাজ্য শিক্ষা দফতরের এ নির্দেশিকার ফলে বহু বছর ধরে কর্মরত শিক্ষকদেরও নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে টেট উত্তীর্ণ হয়ে নিজেদের পদ ও যোগ্যতা বজায় রাখতে হবে। খবর: জিনিউজ বাংলা।