শেভেনিং স্কলারশিপে স্নাতকোত্তরের সুযোগ যুক্তরাজ্যে, করুন আবেদন
২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনে আগ্রহী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাজ্য সরকার দিচ্ছে ব্রিটিশ শেভেনিং স্কলারশিপ। এই জনপ্রিয় ও সম্পূর্ণ অর্থায়িত স্কলারশিপের আওতায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময় ৬ অক্টোবর ২০২৬।
শেভেনিং মাস্টার্স স্কলারশিপ ১৯৮৩ সাল থেকে ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ অফিসের অর্থায়নে যাত্রা শুরু করে। প্রতি বছর প্রায় ১৫০০ শিক্ষার্থীকে এ স্কলারশিপের আওতায় যুক্তরাজ্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ দেওয়া হয়। বিশ্বের ১৪৪টি দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা এ স্কলারশিপ প্রোগ্রামের জন্য আবেদন করতে পারেন।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের সম্ভাবনাময় তরুণদের যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বছর মেয়াদি মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ করে দেয় শেভেনিং স্কলারশিপ।
এ স্কলারশিপের আওতায় যুক্তরাজ্যের ১৫০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের সুযোগ রয়েছে। আবেদনকারীদের নেতৃত্বের দক্ষতা, পেশাগত অভিজ্ঞতা, নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সক্ষমতা এবং নিজ দেশ ও সমাজে ইতিবাচক অবদান রাখার সম্ভাবনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সুযোগ-সুবিধা
*সম্পূর্ণ টিউশন ফি।
*মাসিক জীবনযাত্রা ভাতা।
*নিজ দেশ থেকে যুক্তরাজ্যে যাওয়া-আসার বিমান ভাড়া।
*যুক্তরাজ্যে পৌঁছানোর পর নির্ধারিত ভাতা।
*ভিসা আবেদন ফি।
*শেভেনিংয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য ভ্রমণ ভাতা।
আরও পড়ুন: স্কলারশিপে স্নাতক-স্নাতকোত্তর-পিএইচডির সুযোগ ইতালির মিলান ইউনিভার্সিটিতে, করুন আবেদন
আবেদন যোগ্যতা
*আবেদনকারীকে শেভেনিং-যোগ্য দেশের নাগরিক হতে হবে।
*মাস্টার্স শেষ করে নিজ দেশে ফিরে কমপক্ষে দুই বছর কাজ করার অঙ্গীকার থাকতে হবে।
*আবেদনকারীকে আবেদন শেষ হওয়ার তারিখের অন্তত দুই বছর আগে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করতে হবে।
*স্নাতক সম্পন্ন করার পর অর্জিত কমপক্ষে ২,৮০০ ঘণ্টা (প্রায় দুই বছর) কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
*আবেদনকারীকে যুক্তরাজ্যের তিনটি যোগ্য মাস্টার্স কোর্সে আবেদন করতে হবে।
*ব্রিটিশ বা দ্বৈত (Dual) ব্রিটিশ নাগরিক হলে আবেদন করা যাবে না।
*যুক্তরাজ্য সরকারের অর্থায়নে পূর্বে একই ধরনের স্কলারশিপে যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করে থাকলে আবেদন করা যাবে না।
প্রয়োজনীয় নথিপত্র
*পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র।
*স্নাতক ডিগ্রির সনদ।
*সাক্ষাৎকারের জন্য নির্বাচিত হলে ইংরেজি ভাষায় দুটি রেফারেন্স লেটার (সুপারিশপত্র) জমা দিতে হবে।
আরও পড়ুন: স্কলারশিপে স্নাতক-স্নাতকোত্তর-পিএইচডির সুযোগ সিডনি ইউনিভার্সিটিতে, করুন আবেদন
আবেদন প্রক্রিয়া
অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদন করার সময় যুক্তরাজ্যের তিনটি যোগ্য মাস্টার্স কোর্স নির্বাচন করতে হবে। সাক্ষাৎকারে নির্বাচিত হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অন্তত একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে Unconditional Offer Letter জমা দিতে হবে। বাংলাদেশি আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার সাধারণত ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনে অনুষ্ঠিত হয়।
আবেদন করতে এবং আবেদনপদ্ধতিসহ অন্যান্য বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন ।
আবেদনের শেষ তারিখ: আগামী ৬ অক্টোবর ২০২৬।