৫ হাজার ৩৫৭ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে এগ্রিকালচারাল অলিম্পিয়াডে প্রথম পবিপ্রবির রত্না
বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল অলিম্পিয়াড সিজন-৪ এ প্রথম স্থান অধিকার করেছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) শিক্ষার্থী রত্না রানি। দেশের ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫ হাজার ৩৫৭ জন প্রতিযোগীর মধ্যে ক্লাইমেট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ক্যাটাগরিতে এ অর্জন করেন তিনি। মঙ্গলবার (২ জুন) বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল অলিম্পিয়াডের অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ করা হয়।
এর আগে গত ৮ জানুয়ারি ‘ইউথ ইন অ্যাকশন, স্মার্টার ফার্মিং ইন মোশন’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অলিম্পিয়াডের প্রথম রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়। পরে ১৭ জানুয়ারি কেস সলভিং রাউন্ড এবং ১৫ মে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) অনুষ্ঠিত হয় গ্র্যান্ড ফাইনাল। একই দিন বাকৃবির সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনফারেন্স হলে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
প্রথম হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করে রত্না রানি বলেন, ‘পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক পাপড়ি হাজরার তত্ত্বাবধান, দিকনির্দেশনা ও অনুপ্রেরণা আমার প্রস্তুতিতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। এ ছাড়া বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকদের গঠনমূলক পরামর্শও আমাকে প্রতিযোগিতায় সফল হতে সহায়তা করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রথম স্থান অর্জনের খবরটি আমার জন্য বেশ বিস্ময়কর ছিল। অলিম্পিয়াড থেকে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে ভবিষ্যতে বাস্তব কাজে লাগাতে চাই। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার কৃষি ও পরিবেশসংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে অবদান রাখতে চাই।’
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে ফুল-ফান্ডেড পিএইচডি স্কলারশিপ পেলেন জবি শিক্ষার্থী তিলোত্তমা
রত্না বলেন, ‘জাতীয় পর্যায়ের এ ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের দক্ষতা ও মেধার বিকাশ ঘটাতে পারে এবং দেশের বিভিন্ন অঙ্গনে বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও গৌরবের সঙ্গে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে।’
প্রসঙ্গত, বাংবাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল অলিম্পিয়াড হলো দেশের তরুণ প্রজন্মকে আধুনিক কৃষি, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং টেকসই কৃষিতে উদ্ভাবনী প্রযুক্তির ব্যবহারে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত একটি অন্যতম বৃহত্তম জাতীয় প্ল্যাটফর্ম।