১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:১৭

জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্বে নতুনদের ঠাঁই নেই, কেউ ৩৫ বছর, কেউবা ২০-২৫ ধরে জেলা আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী  © টিডিসি সম্পাদিত

শীর্ষ নেতৃত্বের অনেকে দায়িত্ব পালন করছেন ৩৫ বছর ধরে। অনেকে এসব পদে রয়েছেন ২০ থেকে ২৫ বছর। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই শীর্ষ পদে আসেনি নতুন নেতৃত্ব। এর ফলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জেলা পর্যায়ের নেতৃত্বে নজিরবিহীন সংকটের বিষয়টি সামনে এসেছে। দীর্ঘদিন একই ব্যক্তির এভাবে দায়িত্বে থাকার বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে কুমিল্লা মহানগর কমিটি ঘিরে সাম্প্রতিক সহিংসতায়।

বাংলাদেশের বর্তমানে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। দলটি বেশি শৃঙ্খল দল হিসেবেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিচিত। ফলে পদ নিয়ে সংঘর্ষ-সহিংসতার বিষয়ও সামনে আসে কম। তবে কুমিল্লার ঘটনাটি দলটির সেই ইমেজে কিছুটা হলেও ফাটল ধরিয়েছে। নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিনের সংকটও সামনে এসেছে। ঘটনার পর ভেঙে দেওয়া হয়েছে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি।

জানা গেছে, কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ প্রায় ৩০ বছর ধরে শীর্ষ পদে দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি নতুন আমির নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরুর মধ্যে নেতৃত্বের পদবিন্যাস নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘদিন ধরেই কুমিল্লায় জামায়াতের নেতৃত্ব ও পদের বিন্যাস নিয়ে নেতাকর্মীদের একটি অংশের মধ্যে মতবিরোধ ছিল।

আসন্ন মহানগর জামায়াতের কমিটিতে নিজেদের পছন্দের নেতৃত্ব আনয়ন বা প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। এর জেরে গত বুধবার রাতে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় মোগলটুলী ফারুকী হাউজে দলীয় কার্যালয়ের সামনে মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারির গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে জেলার কমিটি ভেঙে দিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে দলটি।

এসব ঘটনায় দলটির জেলা পর্যায়ের নেতৃত্বে স্থায়িত্ব, নতুন নেতৃত্বের সুযোগ এবং ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। জামায়াতে ইসলামী তরুণদের সামনে আনার কথা বললেও জেলা পর্যায়ের নেতৃত্বে সেই পরিবর্তনের প্রতিফলন নেই বলে অনেকে মনে করছেন। নেতৃত্ব নির্বাচনে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটের ব্যবস্থা থাকলেও দীর্ঘদিন একই ব্যক্তিদের দায়িত্বে থাকা, নতুন নেতৃত্বের বিকাশ এবং ক্ষমতা হস্তান্তরের সুযোগ নিয়েও সংগঠনটির অভ্যন্তরে প্রশ্ন উঠছে।

৬৮টি সাংগঠনিক ইউনিটের মধ্যে ৬১ জন আমিরের বয়স জানা গেছে। তাঁদের মধ্যে ৫০ জনের বয়স ৫০ থেকে ৬৯ বছর। ৩০ জনের বয়স ৬০ বছর বা তার বেশি, যা বয়স জানা আমিরদের অন্তত ৪৯ শতাংশ। ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সী আমির সাতজন। জামালপুরের আমিরের বয়স ৭৫ বছর। আরভোলার আমিরের বয়স ৭৫ বছরের বেশি।

দেশের ৬৪ জেলায় দলটির ৬৮টি সাংগঠনিক ইউনিটের আমিরদের মধ্যে অধিকাংশেরই গড় বয়স ৫৯.২ বছর। কেউই ৪৫ বছরের কম বয়সী নন। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৮ জন আমির এক দশক বা তার বেশি সময় ধরে একই পদে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁদের মধ্যে ছয়জনের বর্তমান টানা মেয়াদ ২০ বছর বা তার বেশি। 

পিরোজপুরে অধ্যক্ষ তাফাজ্জল হোসাইন ফরিদ ১৯৯১ সাল থেকে জেলা আমিরের দায়িত্ব পালন করছেন। প্রায় ৩৫ বছর ধরে একই পদে আছেন তিনি। আর খাগড়াছড়িতে সৈয়দ মো. আব্দুল মোমেন ২০০০ সাল থেকে, লক্ষ্মীপুরে মাস্টার রুহুল আমীন ভূঁইয়া ২০০১ সাল থেকে এবং কুমিল্লা মহানগরে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ৩০ বছর ধরে এ পদে দায়িত্ব পালন করছেন। জামায়াতের নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন মুখ ও তরুণ নেতৃত্বকে গুরুত্ব দেওয়ার ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে জেলা পর্যায়ের এমন ব্যবধান সামনে এসেছে।

জামায়াতে ইসলামী ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে নির্বাচনী ইশতেহার প্রসঙ্গে জাতি গঠনে তরুণদের ‘চালকের আসনে’ দেখতে চাওয়ার কথা জানিয়েছিল। এর আগে একই বছরের অক্টোবরে জাতীয় নির্বাচনের প্রার্থী চূড়ান্ত করার সময় দলটি জানায়, তাদের ৮০ শতাংশ প্রার্থী নতুন মুখ এবং ৩৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী নেতাদের সামনে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। 

যদিও প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, জেলা পর্যায়ে নেতৃত্বের বয়সের চিত্র ভিন্ন। ৬৮টি সাংগঠনিক ইউনিটের মধ্যে ৬১ জন আমিরের বয়স জানা গেছে। তাঁদের মধ্যে ৫০ জনের বয়স ৫০ থেকে ৬৯ বছর। ৩০ জনের বয়স ৬০ বছর বা তার বেশি, যা বয়স জানা আমিরদের অন্তত ৪৯ শতাংশ। ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সী আমির সাতজন। জামালপুরের আমিরের বয়স ৭৫ বছর। আরভোলার আমিরের বয়স ৭৫ বছরের বেশি।

৩৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সসীমার মধ্যে রয়েছেন মাত্র দুজন। তাদের বয়স ৪৫ বছর। তাঁরা হলেন নড়াইলের আতাউর রহমান বাচ্চু ও লালমনিরহাটের অ্যাডভোকেট মো. আবু তাহের। চুয়াডাঙ্গার আমির মো. রুহুল আমিনের বয়স ৪৬ বছর। বিভাগভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে প্রবীণ নেতৃত্ব বরিশাল বিভাগে। সেখানকার ছয় আমিরের গড় বয়স প্রায় ৬৬ বছর। তুলনামূলক কম বয়সী নেতৃত্ব রয়েছে খুলনা বিভাগে। সেখানে আমিরদের গড় বয়স প্রায় ৫৫.৫ বছর। ৫০ বছরের কম বয়সী চার আমিরের দুজনই খুলনা বিভাগের।

জামায়াতের গঠনতন্ত্র মোতাবেক জেলা আমিরদের সাংগঠনিক মেয়াদ দুই বছর। যদিও অনেক জেলায় নেতৃত্বের পরিবর্তন ঘটছে দীর্ঘ বিরতির পর। দায়িত্ব গ্রহণের সময় জানা গেছে এমন ৬১ জনের মধ্যে ১৮ জন এক দশক বা তার বেশি সময় একই পদে রয়েছেন। ছয়জনের টানা মেয়াদ ২০ বছর বা তার বেশি।

দীর্ঘদিন দায়িত্বে থাকা নেতাদের মধ্যে রয়েছেন জয়পুরহাটের ফজলুর রহমান সাঈদ, যিনি ২০০৬ সাল থেকে আমিরের দায়িত্ব পালন করছেন। বরিশালের মাওলানা আবদুল জব্বার ২০০৯ সাল থেকে এবং রাজবাড়ীর মো. নুরুল ইসলাম ২০০৯ সালের ডিসেম্বর থেকে এ দায়িত্বে রয়েছেন। গাজীপুরের ড. জাহাঙ্গীর আলম জেলা আমির ২০১৩ সাল থেকে।

অনেক ক্ষেত্রে পুরোনো নেতারাও বিরতির পর আবার দায়িত্বে ফিরেছেন। কুড়িগ্রামে অধ্যাপক মো. আজিজুর রহমান স্বপন ১৯৯৮ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত জেলা আমির ছিলেন। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ফের দায়িত্ব পান। জামালপুরের মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার ১৯৯০ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত জেলা আমির ছিলেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তিনি ফের দায়িত্ব নেন, তাঁর বয়স এখন ৭৫ বছর।

২০২৪ সাল থেকে ১৭টি সাংগঠনিক জেলায় নতুন আমির দায়িত্ব পেয়েছেন। অর্থাৎ, মোট সাংগঠনিক ইউনিটের এক-চতুর্থাংশে নেতৃত্বের পরিবর্তন হয়েছে। তবে এই পরিবর্তনের সঙ্গে প্রজন্মগত পরিবর্তন ঘটেনি। নতুন দায়িত্ব পাওয়া ১৭ জন আমিরের গড় বয়স ৬১.৩ বছর, যা সবার গড় বয়সের চেয়ে বেশি। তাঁদের মধ্যে চারজনের বয়স ৭০ বছর বা তার বেশি। তাঁরা বগুড়া, জামালপুর, কুষ্টিয়া ও সিলেটের আমির।

নতুনদের মধ্যে ৫০ বছরের কম বয়সী রয়েছেন মাত্র একজন। তিনি লালমনিরহাটের অ্যাডভোকেট মো. আবু তাহের। ৪৫ বছর বয়সী এই নেতা এর আগে জেলা সেক্রেটারি ছিলেন। কুষ্টিয়ার আমির অধ্যাপক আবুল হাশেমের মৃত্যুর পর ২০২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ৭০ বছর বয়সী আব্দুল গফুর ভারপ্রাপ্ত আমিরের দায়িত্ব পান। সিলেটে মাওলানা হাবিবুর রহমান ২০২৪ সালের নভেম্বরে আমির হন। তাঁর বয়স ৭০ বছর। এর আগে তিনি জেলা দক্ষিণের আমির ছিলেন।

সে হিসেবে নেতৃত্বে পরিবর্তন ঘটলেও নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তদের বড় অংশই বয়সের দিক থেকে প্রবীণ। জামায়াতের সাংগঠনিক কাঠামোতেও তরুণ নেতৃত্বের বিকাশ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিএনপির যুবদলের মতো আলাদা যুব সংগঠন নেই দলটির। ছাত্রদের জন্য ইসলামী ছাত্রশিবির এবং ছাত্রীদের জন্য ইসলামী ছাত্রী সংস্থা থাকলেও ছাত্রজীবন শেষ করা কর্মীদের জন্য পৃথক যুব সংগঠন নেই বলে জানা গেছে।

এর ফলে ছাত্ররাজনীতি শেষ করে জামায়াতের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকতে চাইলে তাদের মূল দলের সাংগঠনিক কাঠামোয় যুক্ত হতে হয়। সেখানে দায়িত্ব পাওয়ার সুযোগ, নেতৃত্বে ওঠার ধাপ এবং জেলা পর্যায়ে নতুনদের অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া জটিল হওয়ার কারণে অনেকেই শিবির থেকে বিদায় নেওয়ার পরে জামায়াতে যুক্ত হন না। 

জামায়াতের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, দলের আমির নির্বাচিত হন দলের পূর্ণ সদস্য রুকনদের গোপন ব্যালটে। বর্তমান আমির শফিকুর রহমান ২০২৫ সালের অক্টোবরে টানা তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হন। অর্থাৎ, দলে নেতৃত্ব নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা রয়েছে। তবে রুকনদের মোট সংখ্যা, বয়সভিত্তিক বিন্যাস, জেলা পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ধরন এবং নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের তথ্য প্রকাশ্যে না থাকায় এই প্রক্রিয়ায় প্রজন্মগত প্রতিনিধিত্ব কতটা, সেটি নির্ধারণ করা কঠিন।

জাতীয় পর্যায়ে ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতাদের নির্বাচনী রাজনীতিতে আনার নজির রয়েছে। ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে জামায়াত ছাত্রশিবিরের সাবেক ১৬ জন কেন্দ্রীয় সভাপতি বা সেক্রেটারি জেনারেলকে প্রার্থী করেছিল। তাঁদের মধ্যে তিনজন ২০১৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে শিবিরের নেতৃত্বে ছিলেন। তবে জাতীয় নির্বাচনে সাবেক ছাত্রনেতাদের প্রার্থী করা এবং জেলা পর্যায়ে নেতৃত্ব পাওয়া এক বিষয় নয়।

আরও খবর: চীনের সঙ্গে কারিগরি শিক্ষক ও শিক্ষা বিনিময়সহ ৯ বিষয় নিয়ে আলোচনা

জেলা আমিরদের বয়সের পরিসংখ্যান বলছে, শীর্ষ পদে তরুণদের অংশগ্রহণ এখনো সীমিত। ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে পাঁচজন জেলা আমির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁদের চারজন খুলনা বিভাগের। নির্বাচনের পরও তাঁরা জেলায় আমিরের দায়িত্বে রয়েছেন। নড়াইলের আতাউর রহমান বাচ্চু ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জেলা আমিরের দায়িত্বে আছেন। তাঁর বয়স ৪৫ বছর। 

চুয়াডাঙ্গার আমির মো. রুহুল আমিনের বয়স ৪৬ বছর; তিনি দায়িত্বে রয়েছেন ২০২৩ সাল থেকে। মেহেরপুরের মো. তাজউদ্দীন খান ২০১৫ সাল থেকে আমির, তাঁর বয়স ৫২ বছর। ঝিনাইদহের আলী আজম মো. আবুবকর ২০১৮ সাল থেকে দায়িত্বে রয়েছেন; তাঁর বয়স ৫৫ বছর। পাবনার অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডল ২০১৬ সালের নভেম্বর থেকে আমিরের দায়িত্ব পালন করছেন। এই পাঁচজনের মধ্যে নড়াইল ও চুয়াডাঙ্গার আমিরের বয়স তুলনামূলক কম।

জামায়াতের জেলা পর্যায়ে এমন নেতৃত্বের পেছনে দলীয় কাঠামোর পাশাপাশি রাজনৈতিক ইতিহাস ও বাস্তবতাকে সামনে আনছেন অনেকে। ২০১৩ সালে দলটির নিবন্ধন বাতিল করে হাইকোর্ট। ২০১৩ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে কয়েকজন শীর্ষ নেতার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে দলটি অংশ নিতে পারেনি। 

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকার জুলাই অভ্যুত্থান দমাতে ২০২৪ সালের ১ আগস্ট দলটিকে নিষিদ্ধ করে। তবে হাসিনার পতনের পর ২৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার দলটির নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। ২০২৫ সালের ১ জুন আপিল বিভাগের রায়ে দলটি নিবন্ধন ফিরে পায়।

দীর্ঘ রাজনৈতিক ও আইনি প্রতিকূলতার সময়ে পরিচিত নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাকে সাংগঠনিক স্থিতিশীলতা রক্ষার কৌশল হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। তবে এই ব্যাখ্যাকে অবান্তর হিসেবে দেখছেন দলটির নেতৃত্বের সংস্কারপন্থী অনেক তরুণরা। জামায়াতের নেতৃত্ব নির্বাচনে গোপন ব্যালটের ব্যবস্থা থাকলেও ব্যাপারটিকে প্রশ্নবিদ্ধ প্রক্রিয়া হিসেবে ধরা হয়। 

এর কারণ হিসেবে তারা বলছেন, কে কতো ভোট পেয়ে আমির হয়েছে, কে ভোট কম পেয়েছে- তা কখনোই প্রকাশ করে না দলটি। ২০২৪ সাল থেকে ১৭টি সাংগঠনিক জেলায় নতুন আমির নির্বাচিত করেছে। কিন্তু নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তদের গড় বয়স ৬১.৩ বছর। সে হিসেবে নেতৃত্বে পরিবর্তন ঘটলেও বয়সের কাঠামোয় বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন আসেনি জামায়াতে। 

খবর: বেঙ্গল লেন্স