১০ মে ২০২৬, ১২:২১

শিবির আবারও গুপ্ত হতে চাচ্ছে: রাশেদ খাঁন

গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন  © টিডিসি সম্পাদিত

শিবির আবারও গুপ্ত হতে চাচ্ছে মন্তব্য করে গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন বলেছেন, ‘শিবিরের যারা প্রকাশ্যে এসেছে, আজ অবধি কারও কোনও সমস্যা হয়নি। কিন্তু গুপ্ত হয়ে সাধারণ শিক্ষার্থী সেজে থাকার মধ্যে অনেক সুবিধা আছে। যেটা তারা গুপ্ত থাকার আগে ও সুপ্ত হওয়ার পরের সময়ের মধ্যে অ্যানালাইসিস করে পেয়েছে। এ কারণে শিবির আবারও গুপ্ত হতে চাচ্ছে।’

রবিবার (১০ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এসব কথা বলেছেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে ছাত্র রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে। জোরপূর্বক মিছিল মিটিংয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে যাওয়া, গণরুম গেস্টরুমের নির্যাতন কোনোটাই নেই। কিন্তু শিবির গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন সময়ে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ চেয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘তারা ভাবছিলো যে, হয়তো তারা আওয়ামী লীগের পতনের পরেও ওইভাবে প্রকাশ্যে রাজনীতির সুযোগ পাবে না। শিয়ালের লেজকাটা গল্পের মত আরকি! কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় তারা একের পর এক আত্মপ্রকাশ করেছে। সবাই তাদেরকে সাধুবাদ জানিয়েছে।’

‘ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের নামে গতরাতে ইডেন কলেজ উত্তাল হয়েছে। অদ্ভুত হয়ে গেলাম, এসব শিক্ষার্থীর অধিকাংশ নেকাব কিংবা মাস্ক পরা! অথচ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইডেনের যে সকল শিক্ষার্থীরা গেট ভেঙে নেমে এসেছিল, তারা কিন্তু খুব স্বাভাবিক পোশাকেই বের হয়ে এসেছিল’, যোগ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: উপজেলা, পৌরসভায় এনসিপির ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা আজ

রাশেদ খাঁন বলেন, ‘তারা নেকাব বা মাস্ক পরে নিজেকে লুকাতে চায়নি! আমি আমার এই বোনদের পরামর্শ দেব, প্রতিদিন সন্ধ্যার পরে ইডেনের সামনে রাস্তার দুই ধার দিয়ে যেসব কাপলরা বসে থাকে... কারা বসে থাকে জানি না, কিন্তু এটা বন্ধ করতে পারলে আপনাদের সুনাম হবে। এটা বন্ধের দাবিতে আন্দোলন করলে মানুষ সাধুবাদ জানাবে।’ 

কোনও অভিভাবক কোনও শিক্ষার্থীর সাথে সাক্ষাৎ করতে এলে সেটা হল কিংবা ক্যাম্পাসের গেস্টরুমে সাক্ষাতের সুযোগ আছে উল্লেখ করে বিএনপির হয়ে এমপি নির্বাচন করা এ নেতা বলেন, ‘কিন্তু রাস্তার দুই ধারে দীর্ঘ সময় বসে থেকে যারা ইডেনের বদনাম করছে, এই অপসংস্কৃতি বন্ধে আপনাদের কঠোর আন্দোলন দেখতে চাই। ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ নয়, অপসংস্কৃতি নিষিদ্ধ হোক।’