২০০১ থেকে ২০০৬ সালের দুর্নীতির তদন্তও চাইলেন নাহিদ ইসলাম
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহবায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘এখন দুর্নীতির কথা বলা হচ্ছে, ১৬ বছরে আওয়ামী লীগের যে দুর্নীতি সে দুর্নীতি থেকেও বড় হয়ে গেছে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ছাত্র সমন্বয়করা কি দুর্নীতি করেছে। ছাত্র সমন্বয়করা খুবই খারাপ, তারা মন্ত্রণালয় ঘুরেছে দুর্নীতি করেছে, কিংস পার্টি করেছে। তো গত আওয়ামী লীগের আমলে ১৬ বছরের দুর্নীতির বিচার উনারা কীভাবে করবেন, সেটা উনাদের বলা উচিত জনগণের সামনে। আরো ভালো হয় যদি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত যে দুর্নীতির অভিযোগগুলো এসেছিল, সেটারও একটা স্বচ্ছ তদন্ত বর্তমান সরকার করে।
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ধন্যবাদ বক্তব্যে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, দুর্নীতি কেউ না কেউ তো করেছে, কারা করেছে তাদের নাম বাংলাদেশের জনগণের সামনে উন্মুক্ত করা হোক। কারণ সেটার জন্যই তাদেরকে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে ১/১১-এর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও দুর্নীতির মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, দুই মাসে বিএনপির হাতে খুন হয়েছে ৩১ জন। ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ১৪টি। বিএনপির চাঁদাবাজির খবর এসেছে ৮৩টি। হামলার ঘটনা এসেছে ১৫৪টি। এর একটিতেও সরকার কার্যকর কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। শাহবাগ থানার সাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কয়েকজন সদস্যকে বেধড়েক মারধর করেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এবং এখনো কোন মামলা নেয়নি।
আরও রপড়ুন: ঢাবি সাংবাদিকদের ওপর হামলায় পুলিশ কেন মামলা নেয়নি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রশ্ন নাহিদের
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যদি জানান এ মামলাটি কেন নেওয়া হচ্ছে না। থানার ভিতর প্রবেশ করে ওসির রুমে ডাকসুর দুজন নির্বাচিত প্রতিনিধির ওপর হামলা করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির একটা বড় ভূমিকা আছে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনগুলোতে।