২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:৫৩

টেবিল টেনিস খেলোয়াড় খই খইয়ের রাজসিক বিদায়

টেবিল টেনিস খেলোয়ার খই খই  © টিডিসি সম্পাদিত

দীর্ঘ চার বছরেরও বেশি সময় বালিকা বিভাগের শীর্ষে থেকে টেবিল টেনিস ক্যারিয়ারের একটি অধ্যায় শেষ করলেন বাংলাদেশের পাহাড়ি কন্যা খই খই সাই মারমা। ১৯ বছর পূর্ণ হওয়ায় এখন থেকে জাতীয় কিংবা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বালিকা বিভাগের কোনো টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবেন না তিনি।

সার্টিফিকেট অনুযায়ী, গত ২৮ সেপ্টেম্বর ১৯ বছরে পা দিয়েছেন খই খই। এর ফলে বালিকা বিভাগে তার পথচলার ইতি ঘটেছে। বিদায়ের আগে সর্বশেষ গত ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত র‍্যাংকিং টুর্নামেন্টেও বালিকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন তিনি।

খই খইয়ের বিদায়ে বর্তমানে অনূর্ধ্ব-১৯ বালিকা বিভাগের শীর্ষস্থান উঠে এসেছে তার সতীর্থ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর খেলোয়াড় ঐশী রহমানের দখলে। তবে তিন মাস পর ১৯ বছর পূর্ণ হওয়ায় ঐশীকেও বালিকা বিভাগ ছাড়তে হবে।

এরপর বালিকা বিভাগের শীর্ষস্থান দখলের সম্ভাবনা রয়েছে তাদের আরেক সতীর্থ রেশমির। আর তিন মাস পর সেই জায়গায় উঠে আসতে পারেন বিকেএসপির বাঁহাতি টেবিল টেনিস খেলোয়াড় সিগমা। গাইবান্ধার এই খেলোয়াড়ও বালিকা বিভাগে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময়দের একজন।

বাংলাদেশ টেবিল টেনিসের বালিকা বিভাগের তিন উজ্জ্বল নাম রেশমি, ঐশী ও খই খই। দীর্ঘদিন ধরে তারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে দেশকে এনে দিয়েছেন অসংখ্য পদক। শুধু বালিকা বিভাগেই নয়, মহিলা বিভাগেও বাংলাদেশের শীর্ষ পাঁচের মধ্যে রয়েছেন এই তিন খেলোয়াড়।

আরও দেখুন: নরসিংদী সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে ১১৭ পদে জনবল নিয়োগ

খই খইয়ের আন্তর্জাতিক সাফল্যের মধ্যে অন্যতম ২০২৫ সালের ষষ্ঠ ইসলামিক সলিডারিটি গেমস। জাভেদ আহমেদের সঙ্গে মিশ্র দ্বৈতে রৌপ্য পদক জিতেছিলেন তিনি। এটিই এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের টেবিল টেনিসের সবচেয়ে বড় অর্জন।

দীর্ঘ সময় বালিকা বিভাগের শীর্ষে থাকার পর খই খইয়ের বিদায় তাই কেবল একজন খেলোয়াড়ের বয়সের কারণে একটি বিভাগ থেকে সরে যাওয়া নয়। তার বিদায়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের নারী টেবিল টেনিসের একটি উজ্জ্বল প্রজন্মেরও একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল।