২৯ জুলাই ২০২৬, ১৬:২৭

একসঙ্গে দুই প্রতিষ্ঠানে চাকরি, এমপিওভুক্ত শিক্ষককে শোকজ

পটুয়াখালীর দশমিনা ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা   © সংগৃহীত

একসঙ্গে দুই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার অভিযোগে এমপিওভুক্ত এক শিক্ষককে শোকজ করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। একই সঙ্গে তার এমপিওভুক্ত বেতন-ভাতা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। কেন তার এমপিও স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না, সে বিষয়ে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে একটি নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অর্থ) ও এমপিও বাছাই-অনুমোদন কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদারের সই করা এক নোটিশে এসব তথ্য জানানো হয়।

শোকজপ্রাপ্ত শিক্ষক হলেন মো. তানভীরুল ইসলাম। তিনি পটুয়াখালী জেলার দশমিনা ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

নোটিশে বলা হয়, মো. তানভীরুল ইসলাম এক সঙ্গে পটুয়াখালী জেলা মডেল মসজিদের পেশ ইমাম এবং দশমিনা ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক হিসেবে কর্মরত থেকে সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণ করছেন। পাশাপাশি মডেল মসজিদের সম্মানী ভাতা গ্রহণ করে আসছেন।

স্থানীয় অনুসন্ধান এবং জেলা মডেল মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভায় তার প্রদত্ত বক্তব্যে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তিনি একই সঙ্গে দুই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে একটি পদ ছাড়তে এক মাস সময় চেয়েছেন।

আরও পড়ুন: কওমি মাদরাসার ভাবমূর্তি রক্ষা ও সংস্কারে ৬ প্রস্তাব আহমাদুল্লাহর 

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬-এর ১১.১০ (ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এমপিও প্রাপ্তির জন্য আবেদনকারী শিক্ষক-কর্মচারীরা একই সঙ্গে একাধিক পদে চাকরি বা আর্থিক লাভজনক কোনো পদে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না। এরূপ প্রমাণ পাওয়া গেলে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের মাধ্যমে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অনুমোদনক্রমে এমপিও বাতিল করা হবে।

এমতাবস্থায়, একই সঙ্গে পটুয়াখালী জেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পেশ ইমাম এবং দশমিনা ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক হিসেবে কর্মরত থাকায় তা বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬-এর ১১.১০ (ক) অনুচ্ছেদের পরিপন্থী বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ কারণে তার এমপিওভুক্ত বেতন-ভাতা সাময়িকভাবে স্থগিতসহ স্থায়ীভাবে কেন বন্ধ করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও নোটিশে সতর্ক করা হয়েছে।