২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:১২

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে অংশগ্রহণ শেষে দেশের উদ্দেশে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান  © সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ শেষে দেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ. কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি দুবাই হয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীরা রয়েছেন।

ফ্লাইটটি আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় রাত ৮টায় দুবাই পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেখানে যাত্রাবিরতি শেষে রাত ২টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে যান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তাঁর প্রথম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণ। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ ও জনগণের স্বার্থের পক্ষে এবং একটি শান্তিময় বিশ্বসমাজের প্রত্যাশায় ঐতিহাসিক ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেশ ও জনগণের স্বার্থের পক্ষে অবস্থানের ধারাবাহিকতাও তাঁর বক্তব্যে প্রতিফলিত হয়।

আরও পড়ুন: সেন্ট্রাল ইউনির্ভাসিটির উপাচার্যকে জাবির নতুন ভিসি করল সরকার

পাশাপাশি, জলবায়ু পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, রোহিঙ্গা সংকট এবং মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবাবিষয়ক বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক ও সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এসব বৈঠকে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও অগ্রাধিকার তুলে ধরার পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান, জলবায়ু ন্যায়বিচার, জনস্বাস্থ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়।