চূড়ান্ত পরীক্ষার সময়ই নতুন বই পাবে শিক্ষার্থীরা, মাদ্রাসা-কারিগরিতে হচ্ছে ২০৯১৫ ডিজিটাল ক্লাসরুম
চলতি বছরের ডিসেম্বরে মাসে চূড়ান্ত পরীক্ষার সময়ই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। পাশাপাশি ৫ হাজার ৯০৭টি মাদ্রাসা ও কারগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন ২০ হাজার ৯১৫টি ক্লাসরুম চালুর কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গত সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে প্রকাশিত ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক ই-বুকে কর্মপরিকল্পনায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ই-বুকে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ডিসেম্বরেই চূড়ান্ত পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। জাতীয় শিক্ষাক্রম পরিমার্জনের অংশ হিসেবে চারটি নতুন বিষয় যুক্ত করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় ইতোমধ্যে ৩২৭টি ডিজিটাল ক্লাসরুম স্থাপন করা হয়েছে এবং আরও ৬ হাজার ৬০০টি স্থাপনের প্রকল্প প্রস্তুত করা হয়েছে। মাদ্রাসায় ৬৫৩টি প্রতিষ্ঠানে ১ হাজার ৩১৫টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম সচল হয়েছে। টিএমইডি’র মাধ্যমে আরও ৫ হাজার ৯০৭টি মাদ্রাসায় ১৪ হাজার ৩০৯টি ক্লাসরুম চালুর কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আরও বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষকের জন্য ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব' কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। প্রথম ১৮০ দিনে প্রাথমিক শিক্ষায় এ কর্মসূচির ২০ শতাংশ প্রাথমিক ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। দেশের ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক পরিচালনা খাত থেকে বিদ্যালয়প্রতি মাসে ১ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।
অন্য খবর: প্রতি আসনে হচ্ছে ছেলে-মেয়েদের আলাদা আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উচ্চশিক্ষায় মিলবে অনুদান
এ ছাড়া দেশের ২ হাজার ৪১৮টি কারিগরি ও ৮ হাজার ২৩২টি মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালুর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। শিক্ষকদের উপস্থিতি ট্র্যাকিং নিশ্চিত করতে জামালপুর জেলায় সফল পাইলটিং শেষে গত ১৫ জুন থেকে হোয়াটসঅ্যাপভিত্তিক দৈনন্দিন শিক্ষক উপস্থিতি ব্যবস্থা সারাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে আগে সরবরাহ করা ৬৫ হাজার ল্যাপটপ, ৬২ হাজার মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ও স্পিকার সংস্কার করে পুনরায় কার্যকর করার মাধ্যমে ৮২ শতাংশ ক্লাসরুম সচল করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।