০৭ জুলাই ২০২৬, ১০:৪০

পে স্কেলের সুপারিশ কবে যাচ্ছে মন্ত্রিসভায়, জানা গেল সময়

নবম জাতীয় পে স্কেল  © টিডিসি সম্পাদিত

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ দুই সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে। সেখানে প্রয়োজনীয় ‘সংযোজন-বিয়োজন’ শেষে অনুমোদনের পর নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট জারি করা হবে। সোমবার (৬ জুলাই) জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ সুপারিশ প্রণয়ন কমিটির সভায় এমন আলোচনা হয়েছে।

সভার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নবম জাতীয় পে স্কেলে মূল বেতন শতভাগ পর্যন্ত বাড়তে পারে। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সব গ্রেডে সমান হারে বেতন বাড়বে না। নিম্ন গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের বেতন তুলনামূলক বেশি বাড়বে। সচিব কমিটির সুপারিশ পরবর্তী সপ্তাহে মন্ত্রিসভায় উঠবে।

নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনার মাধ্যমে সরকারের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ তৈরির লক্ষ্যে গঠিত সচিব কমিটি আগামী সপ্তাহে ফের সভায় বসবে। এরপর সুপারিশ মন্ত্রিসভায় উঠলে অনুমোদনের পর পে স্কেলের গেজেট জারি হবে। 

সচিব কমিটির একাধিক সদস্য গণমাধ্যমকে বলেন, যদি আগামী সপ্তাহে মন্ত্রিসভায় সুপারিশ উপস্থাপন করা সম্ভব না হয়, তবে পরের সপ্তাহের সভায় যেন তা পেশ করা যায়, সে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কমিটির সুপারিশগুলো আগের সভায় চূড়ান্ত হয়েছিল। বিচার বিভাগ সংক্রান্ত কিছু কারিগরি দিক সুরাহা করার জন্য অতিরিক্ত সভাটি হয়েছে। অর্থমন্ত্রীর সম্মতি পেলে প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে।

মন্ত্রিসভা চাইলে সুপারিশ পরিবর্তন, সংযোজন বা বিয়োজন করতে পারবে। সেখানে অনুমোদন মিললে গেজেট জারির পর কার্যকর হবে পে স্কেল। সূত্র জানায়, ভাতা সুবিধার বিষয়ে একাধিক বিধিবদ্ধ নিয়ন্ত্রক আদেশ বা এসআরও জারি করার ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে সভায়।

আরও পড়ুন: পে স্কেলে সব গ্রেডে বেতন একই হারে বাড়ছে না, গেজেট নিয়ে যে আলোচনা হলো

বৈঠক শেষে কমিটির এক সদস্য বলেন, ‘সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। শুধু মূল বেতন নয়; বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াতসহ বিভিন্ন ভাতাও পুনর্বিন্যাস করার প্রস্তাবও রয়েছে। কয়েকটি ভাতা একীভূত করার পাশাপাশি নতুন কিছু সুবিধাও যুক্ত হতে পারে। চাকরিজীবীর অবসরকালীন সুবিধা ও পেনশন কাঠামো নিয়েও আলোচনা হয়েছে। 

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণির সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, অর্থ সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, আইন সচিব, প্রতিরক্ষা সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা সচিব, স্বাস্থ্যসেবা সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, হিসাব মহানিয়ন্ত্রক এ কমিটির সদস্য।