০৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৮

পে স্কেল বাস্তবায়নে এবার সামনে আইবাস ইস্যু, সিদ্ধান্ত নিতে ফের বসছে কমিটি

নবম জাতীয় পে স্কেল  © ফাইল ছবি

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ঘোষিত নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নে অনলাইনে বেতন নির্ধারণী সফটওয়্যার আইবাস প্লাস প্লাস সিস্টেমে সমন্বয় করা নিয়ে নতুন জটিলতা তৈরি হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফলে এ জটিলতা কাটাতে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে চূড়ান্ত সুপারিশ তৈরির লক্ষ্যে গঠিত কমিটির। আজ সোমবার (৬ জুলাই) সচিবালয়ে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। জানা গেছে, পে স্কেল একবারে বাস্তবায়ন করার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। তবে জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ পুরোপুরি নাও বাস্তবায়ন হতে পারে। এতে পরিবর্তন আসবে।

নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা করে সরকারের গঠিত কমিটি এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। সূত্র জানিয়েছে, নতুন বেতন কাঠামোর মূল বেতন দুই ধাপে বাস্তবায়নের চিন্তা ছিল সরকারের। তবে এতে আইবাস প্লাস প্লাস সিস্টেমে জটিলতা তৈরির শঙ্কা তৈরি হয়। সে কারণে একবারেই মূল বেতন দেওয়ার বিষয়ে চিন্তা চলছে।

আজকের সভায় পে স্কেল সংক্রান্ত প্রস্তাবের আর্থিক প্রভাব, বাস্তবায়নের সময়সীমা, বেতন সমন্বয় এবং ক্যাডার ও শ্রেণির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে। কোন কোন প্রস্তাব গ্রহণ করবে, সংশোধন কোথায় হবে এবং বাস্তবায়নের রোডম্যাপ কী হবে—এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া চেষ্টা করবেন সংশ্লিষ্ট।

আরও পড়ুন: লাল তালিকায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়: অনিয়ম, মামলা ও শর্তভঙ্গের চাপে উচ্চশিক্ষা

বেতন বাড়ার হার কত হবে, সে বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা কম। যদিও ১ জুলাই থেকেেই নতুন কাঠামোর মূল বেতন কার্যকর হবে বলে জোর দিয়ে বলেছেন সংশ্লিষ্টরা। আর দ্বিতীয় ধাপে ভাতা কার্যকর হবে ২০২৭-২৮ অর্থবছরে।

নবম বেতন কমিশন সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ এক লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করেছিল। অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ১ থেকে ৯ম গ্রেড পর্যন্ত ৬০-৭০ শতাংশ, আর ১০ম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত ৯০-১০০ শতাংশ বা তারও বেশি বাড়তে পারে।