১২ মে ২০২৬, ১২:১৪

প্রাইমারি শিক্ষকদের কোয়ালিটি ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোয় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে

ঢাবির সিনেট ভবনে কর্মশালায় বক্তব্য দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন  © ভিডিও থেকে নেওয়া

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, ‘কারিকুলাম হয়ে যাবে ডিজিটাল। শুধু শিক্ষকের মর্যাদা বাড়বে না, অর্থনৈতিকভাবে তিনি আরো ক্ষমতায়িত হবেন। সবচাইতে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে যে, পাবলিক স্কুলের বিশেষ করে প্রাইমারি স্কুলের টিচারদের কোয়ালিটি বাড়ানোর জন্য। উনাদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর জন্য। তার মাধ্যমে তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।’

মঙ্গলবার (১২ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) আয়োজিত কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন। ‘বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষা রূপান্তর: টেকসই উৎকর্ষতার রোডম্যাপ’ শিরোনামে এ কর্মশালার বিস্তারিত তুলে ধরেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকদের বাংলাদেশে হয়তো সেরকম সামাজিক মর্যাদা নেই। কিন্তু সে জন্য প্রধানমন্ত্রী যে ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব স্কিম রয়েছে, সেখানে একটি ট্যাবলেট কম্পিউটারের মাধ্যমে তার ট্রেনিং আরো বাড়বে। ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডের উনি ট্রেনিং দিতে পারবেন।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই তিন মাসের প্রতিটি দিন নির্বাচনী ইশতেহারে যে প্রতিশ্রুতিগুলো রয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ হচ্ছে। শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। আমাদের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড রয়েছে, একটি বিপুল পরিমাণ জনগোষ্ঠী রয়েছে যারা বয়সের তরুণ-তরুণী।’

আরও পড়ুন: বিশ্ববিদ্যালয় কোয়ান্টিটিতে অনেক এগিয়েছি, কোয়ালিটিতে কতটুুকু জানি না: শিক্ষামন্ত্রী

তিনি আরও বলেন, ‘আগামীর বাংলাদেশ যদি আমরা সেভাবেই গড়ে তুলতে চাই, যেখানে জনপ্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটবে, তাহলে আমাদের তরুণ-তরুণী যুবক-যুবতীদেরকে অবশ্যই আরো কর্মক্ষম করে তুলতে হবে, আরো দক্ষ করে তুলতে হবে।’ 

মাহদী আমিন বলেন, ‘পরিবারে হয়তো একজন সন্তানের কর্মদক্ষতা থাকার পরও বেকারত্ব পড়েছেন। কারণ যে ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন, সেটি বন্ধ হয়ে গেছে। আগামী বেশ কয়েক বছরের ভেতর যখন পর্যায়ক্রমে প্রতিটি চিনিকল, প্রতিটি পাটকল এবং প্রতিটি পাঠজাত পণ্যের যেসব রিলেটেড ইন্ডাস্ট্রি রয়েছে খোলা হবে, সেখানেই কিন্তু লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হবে।’