০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:০৪

বিশ্বসেরা ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় যবিপ্রবির ১১ গবেষক

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়  © টিডিসি ফাইল ফটো

বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞান গবেষকের তালিকায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ১১ গবেষক স্থান পেয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং নেদারল্যান্ডসভিত্তিক বিশ্বের প্রথম সারির চিকিৎসা ও বিজ্ঞানবিষয়ক নিবন্ধ প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার এর সমন্বিত জরিপে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়। 

২ শতাংশ গবেষকের সংখ্যার ভিত্তিতে দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম এবং সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে যবিপ্রবি। 

বুধবার (৭ অক্টোবর) গবেষকদের এ তালিকা প্রকাশ করা হয়। গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, কনসিস্টেন্সি এবং সহ-লেখকদের প্রভাবের ওপর ভিত্তি করে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এই স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক গবেষণাক্ষেত্রে শক্তিশালী অবস্থান এবং বৈশ্বিক জ্ঞানচর্চায় ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রতিফলন।

তালিকায় পেশাগত জীবনের গবেষণা কার্যক্রমের ওপর মূল্যায়ণ করে ক্যারিয়ার-লং ক্যাটাগরিতে স্থান পেয়েছেন যবিপ্রবির চার গবেষক। তারা হলেন কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান, পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং (পিএমই) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল ইসলাম, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার ইমরান খান ও গবেষক মো: সাইফুল ইসলাম।

এছাড়া সিঙ্গেল-ইয়ার ক্যাটাগরিতে এই চারজনের পাশাপাশি স্থান পেয়েছেন আরও সাত গবেষক। এর মধ্যে রয়েছেন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি (জিইবিটি) বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মশিয়ার রহমান, পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক সাইবুর রহমান মোল্লা, ইইই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ আমজাদ হোসেন ড. ইন্জি, একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. বিপ্লব হোসেন, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. তানভির আহমেদ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও গবেষক পার্থ কুমার বিশ্বাস।

আরও দেখুন: সরকারি ১০ প্রতিষ্ঠানের বড় নিয়োগ দেখুন একসাথে

এ বিষয়ে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় যবিপ্রবির গবেষকরা স্থান করে নেওয়ায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। আমাদের শিক্ষকরা দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও গবেষণার মাধ্যমে এই অর্জন করেছেন। তাদের এই সাফল্যের জন্য আমি আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানাই। 

শিক্ষকরা যাতে আরও ভালোভাবে গবেষণা করতে পারেন, সে জন্য গবেষণার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। এ লক্ষ্যে আমরা প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও সহযোগিতা বৃদ্ধির চেষ্টা করছি। আমি বিশ্বাস করি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যবিপ্রবি ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাবে। আগামীতে আরও বেশি শিক্ষক ও গবেষক যেন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি পান, সে জন্য আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করব।