১৪ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩৬

খেই হারাল বাংলাদেশ, নতুন বলে চেপে ধরেছে অস্ট্রেলিয়া

আউট মুশফিকও   © টিডিসি ছবি

দারুণ ব্যাটিংয়ে বড় লিডের পথে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশ হঠাৎই খেই হারিয়েছে। দ্বিতীয় দিনে নতুন বল হাতে নেওয়ার মাত্র ছয় ওভারের মধ্যে বাংলাদেশের তিন ব্যাটারকে সাজঘরে ফিরিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাসের পর এবার প্যাট কামিন্সের শিকার হয়েছেন মুশফিকুর রহিম। ফলে ৮৫.৫ ওভারে ৬ উইকেটে ৩১২ রান তুলেছে বাংলাদেশ।

দ্ব নতুন বল নেওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে ধস নামে। ৮০ ওভার শেষে নতুন বল হাতে নেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্ক। এরপর প্রথমে শান্ত, পরে লিটন এবং সবশেষ মুশফিককে ফিরিয়ে ম্যাচে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে স্বাগতিকেরা।

৮৪ রানে থাকা শান্তকে দ্বিতীয় নতুন বলের দ্বিতীয় ওভারে জশ হ্যাজলউড ফিরিয়ে দেন। ৭টি চার ও ১টি ছক্কায় ১২৬ বলে ৮৪ রান করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তাঁর বিদায়ে ভাঙে মুশফিকের সঙ্গে ৬৬ রানের জুটি।

এরপর ক্রিজে এসে টিকতে পারেননি লিটন দাসও। মিচেল স্টার্কের অফ স্টাম্পের অনেক বাইরের বল দূর থেকে খেলতে গিয়ে স্লিপে স্টিভেন স্মিথের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটার।

আরও পড়ুন: হঠাৎ ছন্দপতন বাংলাদেশের, শতরানের লিড

লিটনের পর মুশফিকও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। প্যাট কামিন্সের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ৩৬ রানে আউট হন তিনি। আগের দুই ক্যাচের মতো মুশফিকের ক্যাচটিও নেন স্টিভেন স্মিথ।

মুশফিকের ক্যাচটি নেওয়ার মাধ্যমে টেস্টে ২১৮টি ক্যাচের মালিক হলেন স্মিথ। নন-কিপার ফিল্ডার হিসেবে টেস্টে সর্বোচ্চ ক্যাচ নেওয়ার রেকর্ড এখন তাঁর। ইংল্যান্ডের জো রুটেরও ২১৮টি ক্যাচ রয়েছে।

দ্বিতীয় নতুন বল নেওয়ার আগে অবশ্য বাংলাদেশ ছিল বেশ ভালো অবস্থানে। ৮১ ওভারে ৩ উইকেটে ২৯০ রান তুলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৯২ রানের লিড নিয়েছিল তারা। তখন সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে ৮২ রানে অপরাজিত ছিলেন শান্ত, আর মুশফিকের রান ছিল ২৭।

কিন্তু নতুন বল আসতেই বদলে যায় চিত্র। মাত্র ছয় ওভারের মধ্যে তিন উইকেট হারিয়ে এখন চাপে বাংলাদেশ। ৮৫.৫ ওভারে ৬ উইকেটে ৩১২ রান নিয়ে ব্যাট করছে তারা। ক্রিজে আছেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদ। বাংলাদেশের লিড এখন ১১৪ রান।